কৌতুক সংগ্রহ-০৫

পোড়া আলু

 

 

ছেলেঃ বাবা, পোড়া আলু খেতে তোমার কেমন লাগে?
বাবাঃ কেন, ভালই তো!
ছেলেঃ একটু আগে ম্যানেজার ফোন করেছিল তোমার আলুর গুদামে আগুন লেগে সব আলু পুড়ে গেছে!

 

স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না

 

 

ছেলে : আমি আর স্কুলে যাব না বাবা।
বাবা : কেনরে খোকা, লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না?
ছেলে : তা নয়, স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না। সবসময় আমাকেই পড়া জিজ্ঞেস করে।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি

 

 

পুত্র : বাবা, আজ একটা ভালো কাজ করেছি।
বাবা : কী কাজ?
পুত্র : পাশের বাড়ির মোটকা ভদ্রলোক আছেন না, রোজ অফিসে যেতে ট্রেন ফেল করেন, তাকে আজ ট্রেন ধরিয়ে দিয়েছি।
বাবা : তাই নাকি! কী করে?
পুত্র : প্রতিদিনের মতো তিনি হেলেদুলে হেঁটে চলছিলেন, লালুকে (বাঘা কুকুর) লেলিয়ে দিলাম তার পেছনে। ব্যস এমন ছোটা ছুটলেন।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

শুধু একটা ভুল

 

 

বাবা: খোকা, পরীক্ষা কেমন দিলি?
ছেলে: শুধু একটা উত্তর ভুল হয়েছে।
বাবা: বাহ্! বাকিগুলো সঠিক হয়েছে?
ছেলে: না, বাকি গুলোতে লিখতেই পারিনি।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

অংকের ভুল

 

 

বাবা : কিরে, আমি যে তোর অংকের হোমওয়ার্কগুলো করে দিয়েছিলাম, সেটা স্যারকে দেখানোর পর তিনি কী বললেন?
ছেলে : স্যার বললেন, ‘তোর বাবার অংকের ভুলের জন্য তো আর তোকে শাস্তি দিতে পারি না!

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

 

গাধা!

 

 

প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।

মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ওজোন স্তর

 

 

প্রেমিকাঃ তুমি আমাকে কতটা ভালোবাসো ?
প্রেমিকঃ ওই বিশাল নিঃচ্ছিদ্র নিঃসীম আকাশের মতো।
প্রেমিকাঃ কিন্তু আকাশের ওজোন স্তরের ফুটোর ব্যাপারটা জানো তো?

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন

 

 

বাড়ি থেকে পালাচ্ছে এক তরুণী। গেটের কাছে অপেক্ষা করছে তার প্রেমিক। উভয়ের মধ্যে কথা হচ্ছে-
প্রেমিক : তোমার বাবা টের পাননি তো?
প্রেমিকা : উনি বাসায় নেই।
প্রেমিক : বল কী? এত রাতে বাসার বাইরে?
প্রেমিকা : আমাদের জন্য ট্যাক্সি ডাকতে গেছেন।

 

পরী

 

 

মা পরীরা কি উড়তে পারে ?
পারে।
কাল সন্ধ্যায় বাবা খালামনিকে বলছিল- তুমি একটা পরী। খালামনি তা হলে ওড়ে না কেন?
উড়বে, আজই, এখনি!

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

বিশ্বসুন্দরী

 

 

ছোট বোন : আচ্ছা আপু আমি কি খুব সুন্দরী?
বড় বোন : কেন?
ছোট বোন : সাজলে নাকি আমাকে খুব সুইট লাগে।
বড় বোন : এই মিথ্যা কথা তোকে কে বলেছে?
ছোট বোন : দুলাভাই তো বলল আমি নাকি তার চোখে বিশ্বসুন্দরী।

 

ক্ষতি

 

 

এক গরু বিক্রেতা কোরবাণীর পশুর হাট থেকে গরু নিয়ে বাড়ী ফেরার পথে ডাকাতে ধরেলো-
ডাকাতঃ-এই শালা, কী কী আছে দে!

গরু বিক্রেতাঃ ভাই, আমার কাছে কিছু নাই !

ডাকাতঃ কিছু নাই কেন ?

গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটা বিক্রি করতে পারিনাই ।

ডাকাতঃ গরুটা বিক্রি করতে পার নাই কেন ?

গরু বিক্রেতাঃ ভাই,গরুটার দাম কম বলেছে, তাই বিক্রি করিনাই ।

ডাকাতঃ এই শালা,গরুটার দাম কম হলে আমরা টাকা কম পেতাম, তুই গরুটা বিক্রি করলিনা কেন?

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

দৌড়

 

 

খুব দুই বন্ধু সুন্দর বনে বেড়াতে গেল। হঠাৎ একটা বাঘ তাদের সামনে এসে হাজির!

১ম বন্ধু বাঘের চোখে একটা ঢিল মেরে দিল একটা দৌড় এবং  ২য় বন্ধুকে বলল, দোস্ত, দৌড়ে পালা ….

২য় বন্ধুঃ আমি পালাবো কেন ? আমি কি বাঘের চোখে ঢিল মেরেছি নাকি? তুই বাঘের চোখে ঢিল মেরেছিস্ , তুই- ই দৌড়ে পালা !!

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ইনকামট্যাক্স

 

 

তেলের দোকানে ইনকামটেক্সর লোক রেইড দিতে পারে এমন আশংকায় এক তেল ব্যবসায়ী তার কর্মচারীকে ডেকে বলল– ৩০ টিন তেল মাটির নীচে লুকিয়ে রাখতে ।

২ ঘন্টা পরে কর্মচারী এসে তেল ব্যবসায়ীকে বলল, স্যার ! ৩০ টিন তেল তো মাটির নীচে লুকিয়ে ফলেছি, এখন তেলের খালি টিনগুলো কোথায় রাখবো!!!!! 

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

মশা ও জোনাকী

 

 

এক লোক মশার যন্ত্রনায় অস্থির, মশারী খাটিয়ে ও নিজেকে বাচাতে পারছেনা, কারন, যে কোনভাবে মশারীর ভিতর মশা ঢুকে যায়। তারপর, একদিন লোকটা একটা লেপ দিয়ে পুরো শরীরটা ঢেকে শুয়ে আছে যাতে করে আর তাকে মশা কামরাতে না পারে । লেপের ভিতর হঠাত্ করে একটা জোনাকি পোকাকে দেখে লোকটা চিত্কার করে বলে উঠলো— বাবারে! বাবা, মশা তো আমাকে টচ্ লাইট দিয়া খুজতাছে!!!!!!

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

দুধ থেকে দই

 

 

শিক্ষকঃ আচ্ছা দুধ থেকে দই তৈরির একটি সহজ উপায় বল।
ছাত্রঃ ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

চেহারা দর্শণ

 

 

হালিমঃ কিরে মালাই, আয়নার সামনে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছিস কেন?
মালাইঃ ঘুমিয়ে থাকলে চেহারাটা কেমন দেখায় একটু দেখছি, এই যা!
কথা সত্যি।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ইঁন্দুর

 

 

বুয়াঃ খালাম্মা, দুধের পাতিলে একটা ইঁন্দুর পড়ছে।
গৃহিণীঃ কী! তাড়াতাড়ি ইঁদুরটা সরা।
বুয়াঃ (হেসে) ইঁন্দুর সরানোর ব্যবস্থা কইরাই আফনেরে বলছি। পাতিলের ভিতরে একখান বিলাই রাইখা আসছি!

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

উপন্যাস

 

 

চাকর: স্যার, আপনি রাত জেগে কি করেন?
সাহিত্যিক: গল্প-উপন্যাস লিখি।
চাকর: এত কষ্ট করে রাতজেগে লেখার দরকার কি? কয়টা টাকা খরচ করলেইতো বাজার থেকে ওগুলো কিনতে পাওয়া যায়।

 

তিরিশ দিন

 

 

জজঃ কী ব্যাপার, বারবার কোর্টে আসতে তোমার লজ্জা করে না?
আসামিঃ আমি তো হুজুর বছরে এক-দুইবার আসিঃ আপনি তো মাশআল্লাহ মাসের তিরিশ দিনই।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

তালা এক্সপার্ট

 

 

বিচারকঃ আপনার পেশা কী?
আসামিঃ জি, আমি তালা এক্সপার্ট।
বিচারকঃ তালা এক্সপার্ট! আপনার কাজ তো দিনে থাকার কথা। কিন্তু রাত দুটোয় আপনি সোনার দোকানে কী করছিলেন?
আসামিঃ ওদের গেটের তালাটা ঠিক আছে কিনা পরখ করে দেখছিলাম!

 

গান

 

 

মেয়ের বাবাঃ এই মাত্র মেয়েটার যে গান শুনলেন এর জন্য আমার বহু টাকা ব্যয় করতে হয়েছে।
ছেলের বাবাঃ হ্যাঁ, তা তো হবেই। নির্ঘাত প্রতিবেশীদের সঙ্গে মামলা লড়তে হয়েছে।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

স্বর্ণর খাট

 

 

মেয়ের বাবাঃ বেয়াই সাহেব আপনি তো বলেছিলেন আপনার ছেলে স্বর্ণর খাটে ঘুমায় কিন্তু এটা তো দেখছি কাঠের?
ছেলের বাবাঃ ঠিকই দেখছেন। এটা আমার বড় মেয়ে স্বর্ণর খাট। মেয়েটার বিয়ে হয়ে যাওয়ায় এই খাটে আমার ছেলেই ঘুমায়।

 

পরিবর্তন

 

 

পথচারীঃ এই মিথ্যুক! তুমি তো অন্ধ নও। তুমি অন্ধ সেজে ভিক্ষা করছ কেন?
ভিক্ষুকঃ ঠিকই ধরেছেন স্যার। যে অন্ধ সে আজ ছুটিতে গেছে। তার জায়গায় আমার ডিউটি পড়েছে। আসলে আমি বোবা।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

যৌতুক

 

 

১ম ভিক্ষুকঃ এই মিয়া তুমিনা আগে রেল স্টেশনে ভিক্ষ করতা। এইখানে আইছ কেন?
২য় ভিক্ষুকঃ ওই জায়গাডা মেয়ের জামাইরে যৌতুক দিছি।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

দান

 

 

সাহায্য দাতাঃ দশ টাকা দিচ্ছি দোকান থেকে কিছু কিনে খেও। ঠিক আছে, কিন্তু তোমার এ দশার কারণ কি?
সাহায্য প্রার্থীঃ আমিও আপনার মত ছিলাম কিনা। যে চাইত তাকেই দিয়ে দিতাম।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ভিক্ষুক

 

 

ভিক্ষুকঃ স্যার, দয়া করে আমাকে একটা টাকা দেন।
পথচারীঃ নেই।
ভিক্ষুকঃ তাইলে আট আনা পয়সা দিন।
পথচারীঃ বললাম তো নেই।
ভিক্ষুকঃ তাইলে স্যার আমার সাথে নাইমা পড়েন।

Advertisements
কৌতুক সংগ্রহ-০৫ তে মন্তব্য বন্ধ
%d bloggers like this: