কৌতুক সংগ্রহ-০১

ঢোল বাজানো

ছেলে তার বাবাকে বলছে, ‘বাবা, আমাকে একট ঢোল কিনে দাওনা।

বাবা বললেন, ‘না, তা হবে না। ঢোল কিনে দিলে তুমি যখন-তখন ঢোল পিটিয়ে আমাদের বিরক্ত করবে।

ছেলে বলল, ‘না বাবা, আমি বিরক্ত করবো না। তোমরা যখন ঘুমোবে আমি তখনই বাজাবো।

 

ড্রেন ভালো

একদিন শিড়্গক এক ছাত্রীকে বললেন, ‘ড্রেন ভালোনৈা শ্যাওলা ভালো?’

ছাত্রী বলল, ‘স্যার, ড্রেন ভালো। কারণ, ড্রেনে পড়লে গোসল করা তো হয়।

 

ডেঙ্গু জ্বর

এক মেয়ে জ্বর হয়েছে বলে ডাক্তারের কাছে গেল। ডাক্তার বললেন, ‘তোমার ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে।

মেয়েটি বলল, ‘না ডাক্তার সাহেব, ডেঙ্গু হবে কীভাবে। জ্বর হওয়ার পর এতো কাঁপছি যে, ডেঙ্গু মশা কামড় দেয়ার সুযোগই পায়নি।

 

ঘরে কেউ ঢুকবে না

এক গরিব লোকের ঘরে চোর এসে আতিপাতি করে খুঁজে, নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না। হতাশ হয়ে চোর যখন চলে যাচ্ছে-
লোক : (শুয়ে শুয়ে) দরজাটা বন্ধ করে যেও।
চোর : (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) দরজা খোলা থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার ঘরে কেউ ঢুকবে না।

 

স্ত্রী তার বান্ধবীর উদ্দেশ্যেঃ
জানিস, আমি আমার স্বামীকে আজও তেমনি ভালবাসি যেমন ভালবাসতাম আমাদের বিয়ের প্রথম দিন থেকে।
বান্ধবীঃ তাই? কিন্তু তোকে যে একটু আগেই দেখলাম ওর সাথে ঝগড়া করছিস।
স্ত্রীঃ সেটা তো আমরা বিয়ের প্রথম দিনও করেছিলাম!

 

 

পরাজয়ীর না জানি কি অবস্থা!
এক লোক একটি পুরানো জিনিসের দোকানে (এন্টিক শপ) গিয়েছে কিছু কিনতে। একটা পাথরের মূর্তি তার নজরে পড়ল যেখানে একজন যোদ্ধা একটা ঘোড়ার উপর বসে আছে। কিন্তু মূর্তিটা অনেক পুরানো, তাই এর অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। হাতের তলোয়ারটা আধা ভাঙ্গা, যোদ্ধার নাকটা পর্যন্ত কিছুটা ভেঙ্গে গেছে। মাথায় পড়া হেলমেটের অবস্থাও খারাপ। মূর্তির উপর এক জায়গায় খোদায় করে লেখা বিজয়ী
তাই দেখে লোকটা আতকে উঠলো, হায় হায়, এই যদি হয় বিজয়ীর অবস্থা তাহলে পরাজয়ীর না জানি কি অবস্থা!

শব্দ
গাইড নায়াগ্রা জলপ্রপাত এর সামনে এসে তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলছেঃ
এটা হলো নায়াগ্রা জলপ্রপাত, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী জলপ্রপাত। প্রতিদিন অসংখ্য লোক আসে একে দেখতে। আর এর আওয়াজ ২০ কিলোমিটার দূর থেকেও শুনা যায়।
এই বলে গাইড একটু থেমে বললো, ‘এবার আমি আমাদের মহিলা অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলছি আপনারা একটু নিরবতা পালন করুন যেন আমরা এর শব্দ শুনতে পাই।

 

 

পাগল প্রেসিডেন্ট

 

 

পাগলদের স্বভাব তো আপনারা সবাই কম বেশি জাননে। কোন পাগল বলে আমি বাংলাদেশের president ছিলাম, আবার কোন পাগল বলে আমি আমেরিকার president ইত্যাদি……

যাইহোক- একবার-president বুস্ পাবনার পাগলা গারদ পরিদর্শনে গিয়েছিল । ঐখানে পাগলদের মাঝখানে দাড়িয়ে president বুস্ পাগলদের উদ্দেশ্যে বলছেন- এই যে তোমরা আমাকে চেন ? আমি বাংলাদেশের president জিয়াউর রহমান !!

পাগলদের এক জন জবাব দিল- হি:! হি:! চিনি–চিনি, প্রথম – প্রথম সবাই এইরকম president থাকে- পরে সব ঠিক হয়ে যায় !

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

টর্চ

 

 

শীতের গভীর রাতে মদ খেয়ে দুই মাতাল ফিরছে। প্রথম বন্ধু কুয়াশার ভেতর আকাশে টর্চ মারল এবং অন্য বন্ধুকে বলল, ‘তুমি এই আলো ধরে আসমানে উঠতে পারবা?’
দ্বিতীয় বন্ধু বলল, ‘পারব না আবার? কিন্তু তুমি যা হারামি তোমাকে বিশ্বাস হয় না। আমি আলো ধরে মাঝপথে যাওয়ার পর তুমি যদি টর্চ নিভিয়ে ফেল?

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

প্লেনই ডেকে দাও

 

 

মাতাল : (টলতে টলতে এক ভদ্রলোকের সামনে গিয়ে) এ্যাঁই, আমাকে একটা ট্যাক্সি ডেকে দাও।
ভদ্রলোক : আমি দারোয়ান নই। একজন পাইলট!
মাতাল : বেশ, তবে একটা প্লেনই ডেকে দাও!

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

তালগাছ

 

 

মাতাল : কিরে, তোর আব্বা কই?
ভাতিজা : আব্বাকে কী দরকার?
মাতাল : এই তালগাছটা চাইতে এলাম। এটা দিয়ে একটা হাতের লাঠি বানাতাম।
ভাতিজা : এই গাছটা আব্বা মেছওয়াক করার জন্য রেখে দিয়েছে।

 

শিক্ষকেরা কিছুই জানে না!

 

 

ছেলেঃ আমি আর স্কুলে যাব না বাবা।
বাবাঃ কেনরে খোকা, লেখাপড়া করতে ভালো লাগে না?
ছেলেঃ তা নয়, স্কুলের টিচাররা কিছুই জানে না। সবসময় শুধূ ছাত্রদেরই পড়া জিজ্ঞেস করে।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা

 

 

শিক্ষকঃ কিরে, তোর মুখ এত পরিষ্কার অথচ হাত নোংরা কেন

?
ছাত্রঃ কী করব স্যার, মুখ পরিষ্কার করতে গিয়ে হাত নোংরা হয়ে যায়!

 

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ভাল মাস্টার

 

 

শিক্ষকঃ তুমি তিন বছর ধরে একই কাসে পড়ে আছ, তোমার লজ্জা হওয়া উচিত। তোমার বয়সে আমি প্রতি বছর প্রথম হতাম।
ছাত্রঃ আপনাকে নিশ্চয়ই ভাল মাস্টার পড়াত।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

আম্রপতন

 

 

শিক্ষকঃ বলতো মিমি, আম বা যে কোন ফল উপরের দিকে না গিয়ে নিচে পড়ে কেন?
ছাত্রঃ উপরে খাওয়ার লোক নেই তাই।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

দুধ থেকে দই

 

 

শিক্ষকঃ আচ্ছা দুধ থেকে দই তৈরির একটি সহজ উপায় বল।
ছাত্রঃ ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ভাল মাস্টার

 

 

শিক্ষকঃ তুমি তিন বছর ধরে একই কাসে পড়ে আছ, তোমার লজ্জা হওয়া উচিত। তোমার বয়সে আমি প্রতি বছর প্রথম হতাম।
ছাত্রঃ আপনাকে নিশ্চয়ই ভাল মাস্টার পড়াত।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

কুকুরের জিভ

 

 

শিক্ষকঃ বলতো কুকুর মুখের বাইরে জিভটা বের করে রাখে কেন?
ছাত্রঃ পেছনের লেজটার সঙ্গে ব্যালেন্স রাখতে।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ফেল

 

 

শিক্ষকঃ এই ছেলে তুমি কতবার ফেল করেছ?
ছাত্রঃ স্যার! একবারও না।
শিক্ষকঃ তাহলে এক কাসে তুমি তিন বছর কেন পড়ছ?
ছাত্রঃ স্যার পরিক্ষয় ফেল যাতে না করি, সেজন্য কোন পরীক্ষ দেইনি।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

প্রুফ দেখা

 

 

শিক্ষকঃ রফিক এবারো কিন্তু কাসে ফার্স্ট হওয়া চাই।
রফিকঃ দোয়া করবেন স্যার, আরেকটা কথা, প্রশ্নপত্র বাবার প্রেসেই দিচ্ছেন তো স্যার এবারো?
শিক্ষকঃ সে কি! তোমার বাবা তোমাকে প্রশ্ন পত্র দেখান নাকি?
রফিকঃ না না স্যার, তবে বাবার চোখের সমস্যার কারনে প্রুফটা দেখে দেই কিনা!

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

কাগজের ওপর

 

 

শিক্ষকঃ বাতাস, নদী এবং পানি এই তিনটির যে কোন একটির ওপর ২০ লাইন রচনা লিখ।
ছাত্রঃ এসব কি বলছেন স্যার? আমি তো কাগজের ওপর ছাড়া অন্য কারও ওপর লিখতে পারি না, স্যার!!!

 

অংকের টিউটর

 

 

বাবাঃ আজ স্কুলের টিচার কী বললেন?
ছেলেঃ বলেন তোমার জন্য একজন ভালো অংকের টিউটর রাখতে।
বাবাঃ মানে?
ছেলেঃ মানে তুমি হোমওয়ার্কের যে অংকগুলো করে দিয়েছিলে সব ভুল ছিল।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

চশমা

 

 

শিক্ষকঃ কি ব্যাপার? তোমার তিনটে চশমা কেন?
ছাত্রঃ একটা দিয়ে আমি লেখাপড়া করি। আরেকটা দিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়াই এবং আরেকটি দিয়ে আগের দুটো খুঁজে বের করি!

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ঘুম

 

 

অধ্যাপকঃ আমার হয়তো দেখতে ভুল হয়েছে, কিন্তু মনে হল তুমিই যেন কথা বলছ।
ছাত্রঃ আপনারই ভুল হয়েছে স্যার, কারণ আমি ঘুমের মধ্যে কথা বলি না।

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

পরিষ্কার

 

 

শিক্ষকঃ কিরে, তোর মুখ এত পরিষ্কার অথচ হাত নোংরা কেন?
ছাত্রঃ কী করব স্যার, মুখ পরিষ্কার করতে গিয়ে হাত নোংরা হয়ে যায়!

 

·Full Story

·Visit Site

·Printer Version

ঘুম

 

 

শিক্ষকঃ এই ছেলে, তুমি কখন থেকে ঘুমাচ্ছো?
ছাত্রঃ স্যার, সুলতানী আমল থেকে।
শিক্ষকঃ আমার সঙ্গে ফাইজলামি!
ছাত্রঃ না সত্যি! আপনি যখন সুলতানী আমল পড়াচ্ছিলেন তখন থেকেই।

Advertisements
কৌতুক সংগ্রহ-০১ তে মন্তব্য বন্ধ
%d bloggers like this: