কম্পিউটার টিপস্-03

ডেস্কটপ আইকন ট্রান্সপারেন্ট করুন:
) কন্ট্রোল প্যানেল ওপেন করুন
) সিস্টেম অপশনে গিয়ে এডভান্স ট্যাবে ক্লিক করুন
) পারফরমেন্স এরিয়াতে গিয়ে সেটিংস বাটনে ক্লিক করুন
) ওখান থেকে সিলেক্ট করুন,

‘Use drop shadows for icon labels on the Desktop’

) ওকে করে বের হয়ে আসুন


স্টার্ট মেনু আরো ফাস্ট করে নিন:
<!–[endif]–>

) স্টার্ট মেনুতে ক্লিক করে রান গিয়ে টাইপ করুন regedit, তারপর ওকে করুন রেজি:
এডিটর ওপেন হবে
) রেজি: এডিটরে ব্রাউজ করুন, HKEY_CURRENT_USER/Control Panel/Desktop/MenuShowDelay
) মেনু শো ডিলে সাধারনত ৪০০ থাকে ওটিকে কমিয়ে করে দিন (আরেকটু বেশীও দিতে পারেন)
) রেজি: এডিটর ক্লোজ করুন
<!–[if !supportLineBreakNewLine]–>
<!–[endif]–>

 

টিভিকার্ড নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

প্রিয় পাঠক আপনারা ও চাইলে একটা টিভি কার্ড দিয়ে নেটওয়ার্কের সবগুলো কম্পিউটারে এক সাথে টিভি দেখতে পারেন প্রয়োজন হবে শুধু স্টার মিডিয়া সেন্টারসফটওয়্যারটিএটি ইন্টারনেট থেকে ফ্রি ডাউনলোড করতে পারেনডাউনলোডের ঠিকানা http://www.smcmobile.ro/ ইনস্টলেশন ও কনফিগারেশন বিস্তারিত ওয়েব সাইটে দেওয়া আছে

 

রান কমান্ডের যত ব্যবহার

কোন কিছু দ্রুত চালু করতে রান কমান্ডের কোন জুড়ি নেইবেশ কয়েকটা ক্লিক করে কোন কিছু চালু করার চেয়ে তার কমান্ড জানা থাকলে Start > Run এ গিয়ে অথবা কী-বোর্ড থেকে Win Key + R প্রেস করে কমান্ডটা লিখে এন্টার দিয়ে সেটা চালু করা অনেক বেশি সহজ এবং দ্রুততর পদ্ধতি

নিচে প্রয়োজনীয় কিছু কমান্ড এবং তাদের কার্যকারিতা দেওয়া হল :

appwiz.cpl – অ্যাড/রিমুভ প্রোগ্রাম
calc –
ক্যালকুলেটর
charmap – 
ক্যারেক্টার ম্যাপ
clipbrd –
উইন্ডোজ ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার
control –
কন্ট্রোল প্যানেল
dxdiag –
ডাইরেক্ট এক্স ডায়াগনসটিক ইউটিলিটি
explorer –
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার
logoff –
কম্পিউটার লগ অফ
mspaint –
পেইন্ট
notepad –
নোটপ্যাড
osk –
অনস্ক্রীন কী-বোর্ড
regedit –
রেজিস্ট্রি এডিটর
sndrec32 –
সাউন্ড রেকর্ডার
shutdown –
কম্পিউটার শাটডাউন
sndvol32 –
সাউন্ড কার্ড ভলিউম কন্ট্রোল
taskmgr –
টাস্ক ম্যানেজার
wmplayer –
উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার
winWord –
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
winipcfg –
উইন্ডোজ ভার্সন
write –
ওয়ার্ড প্যাড

. – কারেন্ট ইউজারস ফোল্ডার
.. –
ডকুমেন্টস এন্ড সেটিংস ফোল্ডার … – মাই কম্পিউটার desktop – ডেস্কটপ ফোল্ডার fonts – ফন্টস ফোল্ডার system – সিস্টেম ফোল্ডার
system32 –
সিস্টেম 32 ফোল্ডার

এছাড়া যেকোন ফাইল বা ফোল্ডারের পাথ এবং যেকোন সাইটের ইউআরএল টাইপ করে এন্টার দিলে সেটাও চালু হবে

 

Trial Version-কে পরিণত করুন Full Version-এ!

 

Trial Version হল কোন Software-এর এমন একটি সংস্করণ, যেটি ব্যবহারকারী সীমিতভাবে ব্যবহার করতে পারেনযেমন কিছু Software-এর Trial Version Install করার পর 10 দিন, 15 দিন বা 30 দিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করা যায়আবার কিছু Software-এর Trial Version Install করার পর 10 বার, 15 বার বা 30 বার পর্যন্ত তা ব্যবহার করা যায়আবার এমন কিছু Software আছে, যাদের Trial Version-এ উভয় প্রকার সীমাবদ্ধতাই বিদ্যমান

সীমাবদ্ধতা যেরকমই হোক না কেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর এসব Software-এর আর কোন  রকম কার্যকারীতা থাকে নাএরকম অবস্থায় কোন Software পুনরায় ব্যবহার করতে চাইলে হয়তো Registration Key Input করে একে Reactive করতে হবে, অথবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে এর Full Version টি ক্রয় করে তা Install করতে হবে, আর নয়তো Windows Reinstall করে ঐ Trial Version টিই পুনরায় সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবেকিন্তু এই তিন পদ্ধতি ছাড়াও আরেকটি পদ্ধতি আছে, যার মাধ্যমে খুব সহজেই এসব Trial Version-কে প্রায় Full Version-এর মত ব্যবহার করা যায়

তবে এর জন্য আপনার কম্পিউটারের অন্তত একটি Hard Disk Drive (যে Drive-এ আপনি Software টি Install করবেন সাধারণত C:) Freeze করা থাকতে হবে www.faronics.com এই ওয়েব সাইট থেকে প্রাপ্ত Deep Freeze প্রোগ্রামটি দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটারকে Freeze করতে পারেন

আপনার মনে এই প্রশ্ন জাগা খুব স্বাভাবিক যে, Deep Freeze কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে? Deep Freeze হচ্ছে এমন একটি Software, যা কম্পিউটারকে অনাকাংখিত পরিবর্তনের হাত থেকে রক্ষা করেব্যাপারটা এরকম যে, আপনি কোন একটি Hard Disk Drive-কে Freeze করার সময় এতে যেসকল File-Folder থাকবে, বা এতে যেসকল Software Install করা থাকবে, একবার Freeze করার পর আপনি সেগুলো যতই পরিবর্তন করুন না কেন, কম্পিউটার Restart করা মাত্রই সব আবার আগের মত হয়ে যাবেঅন্যান্য দেশের কথা জানিনা, লিবিয়াতে দেখেছি এখানকার প্রায় প্রতিটি Cyber Cafe-এর কম্পিউটারগুলোতে Deep Freeze Install করা থাকেএর ফলে সারাদিন যত ব্যবহারকারী যত রকম Program এতে Install-Uninstall করে, যত File-Folder Cut-Copy-Paste করে, দিন শেষে কম্পিউটার Restart করার সাথে সাথে সব Fresh হয়ে যায়

কাজেই আপনি যেসকল Trial Version-কে Full Version-এর মত ব্যবহার করতে চান সেগুলো Install করার আগেই Deep Freeze ব্যবহার করে আপনার কম্পিউটারের C: Drive-টিকে Freeze করে নিনএরপর যখন খুশি Trial Version Install করে তা ব্যবহার করুন10 দিন, 15 দিন বা 30 দিন নয়, 10 বছর, 15 বছর বা 30 বছর পেরিয়ে গেলেও এর মেয়াদ ফুরাবে নাকারণ Restart করার সাথে সাথেই Windows ভুলে যাবে যে, আপনি ঐ Trial Version টি Install করেছিলেনফলে প্রতিবারই Windows Trial Version টিকে একটি নতুন Software হিসেবে গণ্য করবেএ পদ্ধতিতে সমস্যা একটাই সেটা হল প্রতিবার আপনাকে নতুন করে Trial Version টি Install করতে হবেকাজেই যে সব  Software বেশ কয়েকদিন পরপর প্রয়োজন হয়, তাদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি অত্যন্ত কার্যকর

সফটওয়্যারটার 5.70 ভার্সনটা আমি অনেক আগে নিজেই আপলোড করে রেখেছিলামআপনি এটা সেখান থেকেই ডাউনলোড করে নিতে পারেনএটা ফুল ভার্সন এবং অপশনের কোন বাড়াবাড়ি নেই ফলে ব্যবহার করা খুবই সহজলিংক – Link

 

বহন করুন ওয়ার্ড ডিকশনারি

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডিফল্ট ডিকশনারিটা আমেরিকান বা বৃটিশদের জন্য যতটা উপকারী, বাংলাদেশীদের জন্য ততটা নয়ব্যাপারটা আপনি বুঝতে পারবেন আপনার নাম-ঠিকানা লেখার সময়আপনার নাম যদি জর্জ বুশ, টনি ব্লেয়ার, সাদ্দাম হোসেন বা ওসামা বিন লাদেন জাতীয় বিখ্যাত বা কুখ্যাত কোন নাম না হয়ে থাকে, তাহলে শতকরা নিরানব্বই ভাগ সম্ভাবনা যে, ওয়ার্ড আপনার লেখা ওয়ার্ডটার নিচে একটা লাল দাগ বসিয়ে দিবেআপনি অবশ্য খুব সহজেই ভুল বানানটার উপর রাইট ক্লিক করে সেখান থেকে Add to Dictionary সিলেক্ট করে বানানটাকে ওয়ার্ডের ডিকশনারিতে যুক্ত করে দিতে পারেনকিন্তু এটাতো শুধু একটামাত্র পিসিতেযদি এমন হয় যে, আপনাকে প্রতিনিয়তই ভিন্ন ভিন্ন পিসি ব্যবহার করতে হয়, তাহলে?

অথবা ধরুন আপনি বছর খানেক ধরে নিজের সুবিধার জন্য একটা একটা করে নিজের প্রয়োজনীয় শতাধিক শব্দ ওয়ার্ডের ডিকশনারিতে যোগ করেছেনএখন যদি আপনাকে কম্পিউটার পরিবর্তন করতে হয় বা উইন্ডোজ নতুন করে ইনস্টল করতে হয়, তাহলে কি আপনার এতদিনের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবে? মোটেই নাআপনি ইচ্ছে করলেই যেকোন মুহূর্তে আপনার সংযুক্ত সবগুলো শব্দের তালিকা দেখতে পারবেন এবং সেই তালিকা অন্য যেকোন কম্পিউটারে ব্যবহার করে আগের কম্পিউটারের মতো একই সুযোগ পেতে পারবেন

আমরা যখন কোন নতুন শব্দ ওয়ার্ডের ডিকশনারিতে যুক্ত করি, তখন সেটা কাস্টম ডিকশনারি নামে একটা ফাইলে সংরক্ষিত হয়এই ফাইলটি সাধারণত নিম্নোক্ত ঠিকানায় থাকে : C:\Documents and Settings\Mamun Mollick\Application Data\Microsoft\Proof\CUSTOM.DICএখানে Mamun Mollick হল আমার ইউজার নেম কাজেই আপনাকে এর পরিবর্তে আপনার নিজের ইউজার নেম ব্যবহার করতে হবেএখন আপনি যদি কম্পিউটার পরিবর্তন করেও পূর্বের কম্পিউটারে যোগকৃত শব্দগুলোকে নতুন কম্পিউটারের ডিকশনারিতে যুক্ত দেখতে চান, তাহলে প্রথম কম্পিউটার থেকে উক্ত ফাইলটি কপি করে দ্বিতীয় কম্পিউটারে নিয়ে সেখানে অবস্থিত ফাইলটিকে রিপ্লেস করে দিন

 

File লুকোনোর পদ্ধতি

সাধারনতঃ সবাই File hidden করে,Folder Option – View Tab থেকে “Do not show hidden files and folders “ Check করে File Hidden করেকিন্তু যেহেতু প্রায় সকলেই এই পদ্ধতি জানে তাই এই পদ্ধতিতে file ঠিক গোপোন হয়নাFile অদৃশ্য করার জন্য অন্য একটি পদ্ধতি গ্রহন করা যেতে পারে…… প্রথমে যে ফাইল গুলি কে লুকোতে চান সেগুলিকে একটি Folder-এ রাখুনধরুন এই Folder টির নাম দেওয়া হল “Hidden” এবার এই Hidden Folder টি আর একটি Folder (ধরুন “New Folder”)-এর ভেতর রাখুনএখন “Hidden” Folder টি Select   করে  Right Click করে   Properties খুলুন এবার Customize Tab- Click করুন,ChangeIcon….থেকে(%SystemRoot%\system32\SHELL32.dll,51)Icon টি Select করে OK করুন এবার Folder টি Rename করে Alt Press করে 1039 Type করুনদেখুন Folder টির Icon ও নেই কোনো নাম ও নেইকিন্তু Folder Name এর বদলে কিছু কালো কালো দাগ দেখা যাবে “New Folder” এর ভেতর File>New>Text Document Open করে তাতে[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]IconArea_Text = 0x00FFFFFFLine দুটি লিখে সেভ করুন ও “Desktop.ini” নামে Rename করুনView as Lists করুন Desktop.ini File টি Hidden করুনNew Folder টি close করে Open করুনদেখুন তো Hidden Folder টি দেখা যাচ্ছে কিনা

 

সরিয়ে ফেলুন আইকনের শর্টকাট এ্যারো

অনেকেই আইকনের বা অন্য কোনো শর্টকাটের Default শর্টকাট এ্যারো ঠিক পছন্দ করেন নাএর জন্য অনেক Software ও পাওয়া যায় কিন্তু যদি কোনো Third Party Software ছারাই এটা করা যায় তাহলে কেমন হয়!

এর জন্য Registry Editor –এ গিয়ে HKEY_CLASSES_ROOT\lnkfile খুলুন এবং Is Shortcut value টি Delete করে ফেলুন System restart করুনএবার দেখুন Desktop Icon এবং সব Shortcut-এর Arrow হাবিশ

 

এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কি করবেন?

সাধারণত বাসার কম্পিউটারে একাধিক ইউজার থাকে ফলে লিমিটেড ইউজার ব্যবহার করতে হয় নিরাপত্তার জন্যলিমিটেড ইউজারে কোন সফটওয়্যার যেমন ইনষ্টল করা যায় না তেমনই অনেককিছুই পরিবর্তন করা যায় নাযদি কোন কারণে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড ভুলে যান তাহলে সেক্ষেত্রে বেশ বিপাকে পড়তে হয়হয়তোবা নতুন করে অপারেটিং সিস্টেম ইনষ্টল কারারও প্রয়োজন হতে পারেএমতবস্থায় আপনি যদি লিমিটেড ইউজার ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সহজেই লিমিটেড ইউজারের মাধ্যমে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে বা নতুন ইউজার খুলতে অথবা বর্তমান লিমিটেড ইউজারকে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করতে পারেনএজন্য কমান্ড প্রোম্পট খুলে (রানে গিয়ে Crtl+R চেপে cmd লিখে এন্টার করলে) নিজের পদ্ধতি অবলম্বন করুন

cd\ লিখে এন্টার করুন,
c:
লিখে এন্টার করুন,
cd windows\system32
লিখে এন্টার করুন,
copy logon.scr logon.old
লিখে এন্টার করুন,
copy cmd.exe logon.scr
লিখে এন্টার করুন,

এছাড়াও সরাসরি উইন্ডোজের সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে ঢুকে logon.scr ফাইলকে যেকোন নামে রিনেম করে আবার cmd.exe ফাইলকে logon.scr নামে রিনেম করতে পারেনএবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং কম্পিউটার লগঅন না করে অপেক্ষা করুন তাহলে নির্দিষ্ট সময় পরে স্ক্রিনসেভারের ওয়েট টাইম) স্ক্রিনসেভারের পরিবর্তে কমান্ড প্রোম্পট খুলবেযদি এই পদ্ধতিতে কমান্ড প্রোম্পট না খোলে তাহলে বিকল্প হিসাবে কমান্ড প্রোম্পট খুলে নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন

cd\ লিখে এন্টার করুন,

c: লিখে এন্টার করুন,

cd windows\system32 লিখে এন্টার করুন,

copy sethc.exe sethc.old লিখে এন্টার করুন,

copy cmd.exe sethc.exe লিখে এন্টার করুন,

এছাড়াও সরাসরি উইন্ডোজের সিস্টেম৩২ ফোল্ডারে ঢুকে sethc.exe ফাইলকে রিনেম করে আবার cmd.exe ফাইলকে sethc.exe নামে রিনেম করুনএবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং কম্পিউটার লগঅন না করে শিফট (Shift) কী পাঁচবার চাপুন তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে

এখন এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে net user administrator 2007 লিখুন তাহলে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়ে ২০০৭ হয়ে যাবেআর আপনি যদি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করে নতুন ইউজার খুলতে চান তাহলে net user mehdi /add লিখে এন্টার করুন তাহলে mehdi নামে নতুন একটি ইউজার তৈরী হবেএবার mehdi ইউজারকে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করতে হলে net localgroup administrator mehdi /add লিখুন এবং এন্টার করুনতাহলে আপনার বর্তমান ইউজার (mehdi) এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করা যাবেএকইভাবে বর্তমান ব্যবহার করা যে কোন লিমিটেড ইউজারকে এ্যাডমিনিষ্ট্রেটিভ হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন

 

সহজে কপি ও মুভ করা

আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা কপি/মুভ পেষ্ট করতে পারি, একথা নতুন করে বলবার প্রয়োজন পড়ে নাতবে কোন ফাইল বা ফোল্ডাররের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে যদি কপি বা মুভ পাওয়া যেত তাহলে আরো সহজে তথ্য কপি/মুভ করা যেতএজন্য নিচের সংকেত নোটপ্যাডে লিখে CopytoMoveto.reg নামে সেভ করুন এবং চালু করুনএবার যেকোন ফাইল বা ফোল্ডারের উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে দেখুন Copyto এবং Moveto এসেছে যার খুব সহজে উক্ত সিলেক্ট করা ফাইল বা ফোল্ডার কপি বা মুভ করতে পারবেন

Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers]
[HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers\Copy To]
@=”{C2FBB630-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}”
[HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers\Move To]
@=”{C2FBB631-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}”
আর Copyto এবং Moveto মুছে ফেলতে চাইলে নিচের সংকেত নোটপ্যাডে লিখে RemoveCopytoMoveto.reg নামে সেভ করুন এবং চালু করুন
Windows Registry Editor Version 5.00
[HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers]
[-HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers\Copy To]
@=”{C2FBB630-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}”
[-HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesystemObjects\shellex\ContextMenuHandlers\Move To]
@=”{C2FBB631-2971-11D1-A18C-00C04FD75D13}”

Advertisements
কম্পিউটার টিপস্-03 তে মন্তব্য বন্ধ
%d bloggers like this: