কম্পিউটার টিপস্-02

 

কোন সফটওয়্যার ছাড়াই ফোল্ডার নিরাপত্তা!

ফাইলকে নিরাপদ রাখা (অন্য ব্যবহারকারীদের অনাকাঙ্খিত ব্যবহার থেকে) খুবই সহজ অন্য কোন সফটওয়্যার যদি নাও থাকে, উইন রার থাকলেই চলেপাসওয়ার্ড দিয়ে কমপ্রেস করে ফেললেই হলকিন্তু এভাবে অনেক বেশি সংখ্যক ফাইলকে এনক্রিপ্ট করা বা পাসওয়ার্ড প্রটেকশন দেওয়া বেশ সময় সাপেক্ষ এবং বিরক্তিকর ব্যাপারতাই অনেকেই ফোল্ডারকে নিরাপদ করার পদ্ধতি অনুসন্ধান করেনফোল্ডার এনক্রিপশন বা পাসওয়ার্ড পোটেকশনের জন্য ইন্টারনেটে প্রচুর সফটওয়্যার পাওয়া যায়তবে আমি আপনাদেরকে আজ যে পদ্ধতিটির কথা বলব সেটা হচ্ছে কোন সফটওয়্যার ছাড়াই কিভাবে ফোল্ডারকে নিরাপত্তা দেওয়া যায়

এটা এমন এক পদ্ধতি, যাতে ফোল্ডার এবং এর অভ্যন্তরস্থ ফাইলগুলো প্রকৃতপক্ষে এনক্রিপ্টেড হবে নাশুধু মাত্র সেটা ব্যবহারকারীকে এক ধরনের ধোঁকা দিবেআপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হচ্ছে ফোল্ডারটাকে বিশেষ কিছু সংখ্যা ও অক্ষর সম্বলিত নাম দিয়ে রিনেম করে দিতে হবেএরফলে ফোল্ডারটা বিশেষ কোন ফোল্ডারে যেমন কন্ট্রোল প্যানেল, রিসাইকেল বিন বা মাই কম্পিউটারে রূপান্তরিত হয়ে যাবেএরপর আপনি সেটাকে যতই ওপেন করতে চান, সেটা ঐ বিশেষ ফোল্ডার হিসেবেই ওপেন হবে এবং সেই বিশেষ ফোল্ডারে যে ফাইলগুলো আছে সেগুলোই প্রদর্শিত হবেমূল ফোল্ডারে কি ছিল সেটা আর বোঝাই যাবে না

মনে করুন আপনি আপনার কম্পিউটারে “D:\E-Books” এ অবস্থিত “Humayun Ahmed” ফোল্ডারটিকে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রটেক্ট করতে চাচ্ছেন এবং প্রটেক্ট করার পর একে রিসাইকেল বিন হিসেবে দেখতে চাচ্ছেনতাহলে ফোল্ডারটিকে রিনেম করে “Humayun Ahmed.{645FF040-5081-101B-9F08-00AA002F954E}” নাম দিনব্যাস – হয়ে গেলদেখতে পাবেন ফোল্ডারটা রিসাইকেল বিনের আকৃতি ধারণ করেছে এবং এটা ওপেন করলে রিসাইকেল বিনই ওপেন হচ্ছেকিন্তু এর প্রপার্টিজে গিয়ে দেখুন সাইজ ঠিকই মূল ফোল্ডারেরটাই দেখাচ্ছেকাজেই বুঝতেই পারছেন এটা জাতে মাতাল হলেও তালে ঠিকই আছে!

প্রটেকশন দেওয়া তো হলএবার আনপ্রটেক্ট করার পালাআনপ্রটেক্ট করাটা প্রটেক্ট করার চেয়েও সহজফোল্ডারটাকে রিনেম করে দিলেই হয়ে যাবেতবে সেটা স্বাভাবিক ভাবে না, ডস মোডে গিয়েকমান্ড প্রম্পট থেকে ম্যানুয়ালি ফোল্ডার পাথে গিয়ে REN Humayun Ahmed.{645FF040-5081-101B-9F08-00AA002F954E} Humayun Ahmed লিখে এন্টার দিলেই দেখবেন ফোল্ডারটি পূর্বের অবস্থায় ফিরে এসেছে

তবে আপনি আমার মতো ডস বিষয়ে বিশেষ ভাবে অজ্ঞ হয়ে থাকেন, অথবা ডসের কৃষ্ণকায়ার প্রতি যদি আপনার অহেতুক অনীহা থাকে, তাহলে রিসাইকেল বিন রূপি প্রটেক্টেড ফোল্ডারটাকে প্রথমে জিপ ফোল্ডারে কম্প্রেস করুন (Right Click > Send To > Compressed (zipped) Folder)এবার জিপ ফোল্ডারটার রাইট ক্লিক মেনু থেকে Explore ক্লিক করুনএরফলে এর ভেতরে রিসাইকেল বিনটা দেখতে পাবেনএবার রিসাইকেল বিনটার উপর রাইট ক্লিক করে একই ভাবে আবার  Explore এ ক্লিক করুনএবার কিন্তু আপনাকে আর রিসাইকেল বিনের অভ্যন্তরস্থ ময়লা-আবর্জনা দেখতে হবে নাএবার আপনি এখানে আপনার আসল ফোল্ডারটার ভেতরে যে ফাইলগুলো ছিল, সেগুলোই দেখতে পাবেন (বুঝতেই পারছেন উইন্ডোজ কতটা অন্তঃসার শূণ্য এবং মানুষ কেন একে গালাগালি করে!)এখন ফাইলগুলোকে কপি করে বাইরে এনে Humayun Ahmed নামে নতুন একটা ফোল্ডার তৈরি করে পেস্ট করে দিলেই হয়ে যাবে!

আপনি ইচ্ছে করলে প্রটেক্টেড ফোল্ডারগুলোকে রিসাইকেল বিন ছাড়াও কন্ট্রোল প্যানেল, সাই কম্পিউটার, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মাই নেটওয়ার্ক প্লেস, ফোল্ডার অপশনস প্রভৃতিতে রূপান্তরিত করতে পারেনতবে এগুলোর জন্য আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা ও অক্ষর সম্বলিত নাম ব্যবহার করতে হবেএই নামগুলো জানতে চাইলে আমার লেখা “তৈরি করুন বিশেষ বিশেষ ফোল্ডার” প্রবন্ধটি পড়ুন এখান থেকে

 

ফোল্ডারকে রাঙিয়ে তুলুন

অনেক সময় ফোল্ডারের জন্য বিশেষ বিশেষ আইকনের প্রয়োজন হয়যেমন ধরুন আপনি একটা ফোল্ডার বানালেন যার মধ্যে বেশ কিছু বাচ্চাদের ভিডিও আছেএখন ঐ ফোল্ডারের আইকনটা চেঞ্জ করে কোনো কার্টুনের আইকন দিলে দেখতে যেমন সুন্দর লাগবে তেমনি বিষয়বস্তুটাও ফুটে উঠবে

ইন্টারনেটে ফোল্ডার আইকনের জন্য অনেক ওয়েবসাইট আছেকিন্তু প্রায় বেশিরভাগ ওয়েব সাইটেই বিনামুল্যে আইকন পাওয়া যায় না, কিনে নিতে হয়বিনামূল্যে আইকন ডাউনলোড করার জন্য একটি ওয়েবসাইট আছেএখানে Windows ছাড়াও আইকনগুলি Mac এবং Linuux এর জন্যেও ডাউনলোড করা যায় ওয়েবসাইটের ঠিকানা www.iconarchive.com

 

ঘড়ি

Windows –এ আমরা যে ঘড়ি ব্যবহার করি তাতে সাধারনত রাত ১২ টা থেকে দুপুর ১১টা পর্যন্ত AM ও দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত PM দেখায়আমরা চাইলেই তা পরিবর্তন করতে পারি

এজন্য যা করতে হবে:- Start -> Setting -> Control Panel -> Regional and Language Options এ যাবার পর. Regional Options -> Customize -> Time এখানে AM symbol  এ Mamun and PM symbol Mollick লিখে ok click করুন তাহলে দেখবেন আপনার ঘড়িতে AM and PM পরিবর্তে Mamun and Mollick দেখাচ্ছে

 

Internet Explorer title পরিবর্তন

মাইক্রোসফটের ওয়েব ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার খুললে পেজের টাইটেলের ডান পাশে এক্সপ্লোরারের title Microsoft Internet Explorer দেখায় চাইলে সহজেই registry editor থেকে এই টাইটেল পরিবর্তন করা যায় এজন্যে registry editor (run গিয়ে regedit লিখে ok)এরপর HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\Internet Explorer\Main যেতে হবে এবার নতুন একটি String Value (Edit > New > String Value) নিয়ে এর নাম দিতে হবে Window Title| এবার Window Title খুলে (দুইবার click করে) Value Date অংশে (Bappy’s Internet Explorer)বা পছন্দের নাম দিয়ে ok এবার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার খুলে টাইটেল পরির্বতন লক্ষ্য করে দেখ

 

ওয়ার্ডে শর্টকাট কী পরিবর্তন

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে বিভিন্ন কমান্ডের জন্য বিভিন্ন শর্টকাট কী অ্যাসাইন করা হয় যেমন নতুন ফাইল ওপেন করার জন্য Ctrl +

O, ডকুমেন্ট সেভ করার জন্য Ctrl + S, ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য Ctrl + P ইত্যাদি ডিফল্ট ভাবে দেওয়া এই শর্টকাট কী গুলো পরিবর্তন করা যায় অথবা কোন কমান্ডের জন্য নতুন কোন শর্টকাট কী এসাইন করা যায়

অনেক সময় একটা ডকুমেন্ট টাইপ করার সময় বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন লিপি বা ফন্ট বারবার ব্যবহার করতে হচ্ছে এখন যদি টাইপ করার সময়ই যথাযথ ফন্ট ব্যবহার করতে চাই, তাহলে বারবার ফন্ট সিলেক্ট করতে হবে, যা কিছুটা বিরক্তিকর মনে হতে পারে এক্ষেত্রে এই ফন্টের জন্য শর্টকাট কী নির্ধারণ করা যায়, তাহলে মাউজ না ধরে শুধু শর্টকাট কী প্রেস করেই ফন্ট পরিবর্তন করা যাবে ফলে অনেক পরিশ্রম বেঁচে যাবে

মনে করি, Signature ফন্টের জন্য Ctrl + Alt + B , Arial ফন্টের জন্য Ctrl + Alt + A এবং আপনা Arabic Transparent

ফন্টের জন্য Ctrl + Alt + P শর্টকাট কী গুলো নির্ধারণ করতে চাই এজন্য প্রথমে Tools মেনু থেকে Customize আইটেমে ক্লিক করতে হবে প্রাপ্ত কাস্টোমাইজ ডায়ালগ বক্সে থেকে Keyboard >Categories>Font সিলেক্ট করতে হবে এরফলে পাশের Fonts লিস্টবক্সে কম্পিউটারে ইনস্টল করা সবগুলো ফন্টের তালিকা দেখা যাবে এখান থেকে Signature সিলেক্ট করতে হবে এবার Press new shortcut key টেক্সট বক্সে কার্সর রেখে Ctrl + Alt + B প্রেস করে Assign বাটনে ক্লিক করতে হবে একই ভাবে অন্য দুটি ফন্টের জন্যও শর্টকাট কী অ্যাসাইন করে Close বাটনে ক্লিক করে মূল ওয়ার্ড উইন্ডোতে ফিরে আসতে হবে

এবার Ctrl + Alt + B ক্লিক করে কোনকিছু টাইপ করলে দেখা যাবে তা Signature ফন্টে টাইপ হচ্ছে এবার টাইপ করা অংশটি সিলেক্ট করে Ctrl + Alt + A প্রেস করলে তা Arial ফন্টে প্রদর্শিত হচ্ছে আবার Ctrl + Alt + P প্রেস করলে তা Arabic Transparent হয়ে গেছে এই একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ওয়ার্ডের ডিফল্ট শর্টকাট কী গুলোও পরিবর্তন করা যায়

 

 

কন্ট্রোল প্যানেলের আইটেমগুলো লুকিয়ে বা প্রকাশ করা

সাধারণত কন্ট্রোল প্যানেল থেকেই কম্পিউটারের বিভিন্ন সেটিংস পরিবর্তন করে থাকে রেজিস্ট্রি এডিটরে গিয়ে কন্ট্রোল প্যানেলের বিভিন্ন আইটেমের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা যায় ইচ্ছেমতো কন্ট্রোল প্যানেলের বিভিন্ন আইটেমকে লুকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করা যায় যেমন কম্পিউটারের ল্যাঙ্গুয়েজ সেটিংসকে নিরাপদ রাখতে চাইলে মানে কন্ট্রোল প্যানেলে Regional and Language Options আইটেমটাই আর প্রদর্শিত হবে না

প্রথমে Start > Run গিয়ে REGEDIT টাইপ করে এন্টার দিয়ে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন এবার রেজিস্ট্রি এডিটর থেকে HKEY_CURRENT_USER\Control Panel\don’t load যেতে হবে এখানে ডান পার্শ্বস্থ প্যানেলে intl.cpl নামে নতুন একটি স্ট্রিং তৈরি করে এর ভ্যালু হিসেবে No লিথতে হবে এবার এডিটর বন্ধ করে এসে কন্ট্রোল প্যানেল রিফ্রেশ করলে দেখা যাবে Regional and Language Options আইটেমটি আর দেখা যাচ্ছে না

এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আমরা অন্যান্য আইটেমগুলোকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন অন্যান্য আইটেমের জন্য নিম্নলিখিত নামগুলো ব্যবহার করতে হবে :

Accessibility Options – access.cpl
Add Hardware – hdwwiz.cpl
Add or Remove Programs – appwiz.cpl
Data Sources (ODBC) – odbccp32.cpl
Date and Time – timedate.cpl
Display – desk.cpl
Game Controllers – joy.cpl
Internet Options – inetcpl.cpl
Keyboard – main.cpl
Mail – mlcfg32.cpl
Mouse – main.cpl
Network Connections – ncpa.cpl
Phone and Modem Options – telephon.cpl
Power Options – powercfg.cpl
Regional and Language Options – intl.cpl
Scanners and Cameras – sticpl.cpl
Sounds and Audio Devices – mmsys.cpl
Speech – sapi.cpl
System – sysdm.cpl
User Accounts – nusrmgr.cpl
একবার লুকানোর পর যদি আবার কখনো কোন আইটেম প্রদর্শন করতে হয়, তাহলে স্ট্রিংটার ভ্যালু পরিবর্তন করে Yes লিখে দিলেই হবে এতে যদি কাজ না হয়, তাহলে স্ট্রিংটা ডিলিট করে দিতে হবে

এই পদ্ধতিটা মূলত উইন্ডোজ NT/2000/XP এর জন্য যদি উইন্ডোজ 95/98/ME হয় তবে তার সম্ভাবনা খুবই কম, এর জন্য আরও সহজ পদ্ধতি আছে C:\WINDOWS গিয়ে CONTROL.INI ফাইলটা ওপেন করে এর [don’t load] লাইনটির নিচে প্রতিটা আইটেমের জন্য item.cpl=no লিথলে হবে (উদা: access.cpl=no). যদি [don’t load] লেখা না থাকে, তবে সেটা নিজেই লিখে নিতে হবে

 

ওয়ার্ডের ডিফল্ট ডিকশনারিট

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডিফল্ট ডিকশনারিটা আমেরিকান বা বৃটিশদের জন্য যতটা উপকারী, বাংলাদেশীদের জন্য ততটা নয় ব্যাপারটা বুঝা যাবে আপনার নামঠিকানা লেখার সময় কার নাম যদি বিখ্যাত বা কুখ্যাত কোন নাম না হয়ে থাকে, তাহলে শতকরা নিরানব্বই ভাগ সম্ভাবনা যে, ওয়ার্ড সে লেখার নিচে একটা লাল দাগ বসিয়ে দিবে অবশ্য খুব সহজেই ভুল বানানটার উপর রাইট ক্লিক করে সেখান থেকে Add to Dictionary সিলেক্ট করে বানানটাকে ওয়ার্ডের ডিকশনারিতে যুক্ত করা যায় কিন্তু এটাতো শুধু একটামাত্র পিসিতে ইচ্ছে করলেই যেকোন মুহূর্তে অন্য PC তে সংযুক্ত সবগুলো শব্দের তালিকা দেখতে এবং সেই তালিকা অন্য যেকোন কম্পিউটারে ব্যবহার করে আগের কম্পিউটারের মতো একই সুযোগ পাওয়া যেতে পারে
আমরা যখন কোন নতুন শব্দ ওয়ার্ডের ডিকশনারিতে যুক্ত করি, তখন সেটা কাস্টম ডিকশনারি নামে একটা ফাইলে সংরক্ষিত হয় এই ফাইলটি সাধারণত নিম্নোক্ত ঠিকানায় থাকে : C:\Documents and Settings\user\Application Data\Microsoft\Proof\CUSTOM.DIC এখানে user হল আমার ইউজার নেম ইউজার নেম ব্যবহার করতে হবে এখন যেকেও যদি কম্পিউটার পরিবর্তন করেও পূর্বের কম্পিউটারে যোগকৃত শব্দগুলোকে নতুন কম্পিউটারের ডিকশনারিতে যুক্ত দেখতে চায়, তাহলে প্রথম কম্পিউটার থেকে উক্ত ফাইলটি কপি করে দ্বিতীয় কম্পিউটারে নিয়ে সেখানে অবস্থিত ফাইলটিকে রিপ্লেস করে দিলেই হলো

 

একাধিক Text ফাইলকে একটা ফাইলে রুপান্তর করা

ধরুন Dhaka.txt, Faridpur.txt Khulna.txt নামে কয়েটি টেক্সট ফাইল আছে এই ফাইলগুলির সব তথ্য Bangladesh.txt নামে একটা ফাইলে লিথতে হবে এজন্য Start Menu–>Run cmd ডস প্রম্পট রান হবে যেখানে বা যে Folder ফাইলগুলি আছে সেই লোকেশনে যাতে হবে
copy/b Dhaka.txt+ Faridpur.txt +Khulna.txt Bangladesh.txt
অথবা, copy/b *.txt Bangladesh.txt (তবে এই ক্ষেত্রে ফোল্ডারটিতে উল্লেখিত ফাইলগুলি ছাড়াও যদি অন্য টেক্সট ফাইল থাকে তা এক হয়ে যাবে)

 

ড্রাইভের আইকন পরিবর্তন

মাই কম্পিউটারের কোন ড্রইভের আইকন সাধারনত পরিবর্তন করা যায় না কিন্তূ খুব সহজেই যে কোন ড্রাইভের আইকন পরিবর্তন করা যায়
. যে ড্রইভের আইকন পরিবর্তন করবেন সেই ড্রইভে একটি আইকন ফাইল open করতে হবে (ধরি আইকন ফাইলটির নাম Test.ico)
.এখন Notepad খুলে লিখতে হবে

[Autorun]

icon=Rupom.ico
. এখন যে ড্রইভের আইকন পরিবর্তন করবো সেই ড্রাইভে Autorun.inf নামে Notepad এর ফাইলটি সেভ করি
কম্পিউটার Restart দিই

 

ধন্যবাদ nogodforme.com

একটা লেপটোপ কাজ করতে হলো HP Pavilion DV6500T এতে Windows
Vista install
করা ছিল কিন্তু যে কারনেই হোক এতে Windows XP install করতে হয়
বিপদ ঘটলো যখন এর driver গুলো পাচ্ছিল না

ধন্যবাদ http://www.nogodforme.com/HPDV6500T.htm কারন এই সাইট না থাকলে
কি ভাবে যে driver install করতাম জানি না

 

একটা মজার টিপস…………

ডেস্কটপে বা অন্য কোন ফোল্ডারে কন্ট্রোল প্যানেল বা জাতীয় বিশেষ বিশেষ ফোল্ডার তৈরি করা মোটেই কোন কঠিন ব্যাপার না শুধু সাধারণ একটা ফোল্ডার তৈরি করে তাকে বিশেষ একটা নামে রিনেম করে দিলেই হবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এভাবে যে বিশেষ ফোল্ডারটি আপনি তৈরি করবেন, তার আইকনে কোন শরর্টকাট অ্যারো থাকবে না সেটা দেখতে হুবহু মূল ফোল্ডারটার মতোই হবে

মনে করুন আপনি আপনার ডেস্কটপে কন্ট্রোল প্যানেল তৈরি করতে চাচ্ছেন তাহলে প্রথমে সেখানে একটা নতুন ফোল্ডার তৈরি করে সেটার নাম দিন নিচে কয়েকটি বিশেষ ফোল্ডারের জন্য কি নাম লিখতে হবে তা দেওয়া হল

কন্ট্রোল প্যানেল – Control Panel.{21ec2020-3aea-1069-a2dd-08002b30309d}
রিসাইকেল বিন – Recycle Bin.{645FF040-5081-101B-9F08-00AA002F954E}
মাই কম্পিউটার – My Computer.{20D04FE0-3AEA-1069-A2D8-08002B30309D}
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার – Internet Explorer.{871C5380-42A0-1069-A2EA-08002B30309D}
মাই নেটওয়ার্ক প্লেস – My Network Places.{208D2C60-3AEA-1069-A2D7-08002B30309D}
ফোল্ডার অপশনস – Folder Options.{6DFD7C5C-2451-11d3-A299-00C04F8EF6AF}
প্রিন্টার ফ্যাক্স – Printers and Faxes.{2227A280-3AEA-1069-A2DE-08002B30309D}
স্ক্যানার ক্যামেরা – Scanners & Cameras.{E211B736-43FD-11D1-9EFB-0000F8757FCD}
টাস্কবার স্টার্ট মেনু – Taskbar and Start Menu.{0DF44EAA-FF21-4412-828E-260A8728E7F1}
সার্চ রেজাল্ট – Search Results Folder.{e17d4fc0-5564-11d1-83f2-00a0c90dc849}

তবে এই নামগুলোতে ডট চিহ্নের আগে বাংলা নামও লিখতে পারবেন

কম্পিউটার টিপস্-02 তে মন্তব্য বন্ধ
%d bloggers like this: