রোগ নিরাময়ে ঘরোয়া চিকিৎসা

ছোটখাটো অসুখে অস্বস্তিতে ওষুধ কেন? ঘরেই আছে নানা দ্রব্য হেঁশেলে, রেফ্রিজারেটরে। অস্বস্তি অনেকটাই উপশম হতে পারে। আমরা অনেকে একে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করি, কিন্তু সময়বিশেষে আরাম দিতে এদের জুড়ি নেই। উন্নত দেশের চিকিৎসকেরা বলছেন অ্যান্টিবায়োটিকের যে রকম অপব্যবহার হচ্ছে এবং ছোটখাটো অসুখে যেভাবে চিকিৎসার আতিশয্য ঘটছে, সে ক্ষেত্রে ঘরোয়া এসব চিকিৎসা আরাম দিতে পারে শরীরকে।

যেমন- আদা। পেটে অস্বস্তি, ঠাণ্ডা, সর্দিতে আদা বড় উপকারী।

বমিভাব, মোশন সিকনেসে আদা বেশ কার্যকর। একটি প্রিভেনটিভ মেডিসিন সেন্টারের পরিচালক ডা. এলসন হাস বলেন, আদার তিন-চার ফালি দুই কাপ পানিতে ১০ মিনিট জ্বাল দিয়ে এবং ১০-১৫ মিনিট রেখে আদা-চা বানিয়ে খেলে খুব উপকার দেয়। আর স্বাদু চা তৈরি করতে হলে এর সাথে যোগ করুন লেবুর রস ও মধু। হজম ভালো করতে হলে একটি টনিক আছে। কমলালেবুর শুকনো খোসা, লবঙ্গ ও রোজমেরি সমান সমান পরিমাণে মিশিয়ে, এককাপ আদা-চায়ে এই মিশ্রণ এক চামচ মিশিয়ে ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। এরপর পান করুন।

ঠাণ্ডা ও সর্দিতে আদা চা খুব ভালো। রক্ত চলাচল বাড়িয়ে ও ঘাম ঝরিয়ে ঠাণ্ডার কষ্ট কমায়। বুকে একটু গরম সেঁক। ছোটবেলা দিদারা বুকে রসুন ও গরম তেল মালিশ করতেন। বেশ আরাম হতো। মা ছোটবেলায় তুলসীপাতার রস গরম করে মধু মিশিয়ে চামচে করে মুখে তুলে দিতেন, মনে আছে। তবে শিশুদের ব্যাপারে একটি সতর্কবাণী আছে। শিশুদের ঠাণ্ডা লেগে হঠাৎ বুকে শ্বাসযন্ত্রে নেমে আসে। সেজন্য বেশি দেরি নয়। ডাক্তার দেখিয়ে নেবেন। ঘরোয়া চিকিৎসা তাৎক্ষণিক আরামের জন্য। ডাক্তার অবশ্য দেখাতে হবে। শিশুদের ঠাণ্ডা সর্দি হয়ে হঠাৎ নিউমোনিয়া হয়ে যায়। টের পাওয়া যায় না।

হাস্‌ একটি টোটকা চিকিৎসার কথা বলেছেন। একটি কাপড়ের পট্টি ভিজিয়ে নিন গরম আদা-চায়ের মধ্যে, বুকে রাখুন এবং একটি টাওয়েল দিন এর ওপর। ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত এভাবে রাখুন।

বেকিং সোডা চুলকানিতে দেয় আরাম

একটি গামলায় প্রায় তিন পোয়া পানিতে দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডা অথবা বাথটাবে আধকাপ বেকিং সোডা মিশিয়ে অবগাহন করলে চুলকানি কমে, জলবসন্ত বা বুনোগাছের বাকল লেগে চুলকানি এমনকি মলদ্বারের চুলকানিরও আরাম হয়। শিশুরোগের ক্লিনিক্যাল প্রফেসর ডা. লোবেন স্টিন বলেন বেকিং সোডা মেশানো পানিতে গা ভিজিয়ে নিতে পারেন, পানির পট্টি ও কমপ্রেসও দিতে পারেন। তবে দেখবেন এটি লাগালে ত্বক শুষ্ক হয়। পতঙ্গ বা বোলতার হূল ও দংশনেও বেকিং সোডা ও পানির পেস্ট বেশ আরাম দেয়। ছোট শিশুদের শরীরে প্রয়োগ করতে সতর্কতা­ এদের ত্বক খুব নাজুক।

আঁচিল ঝরে যায় টেপের বাঁধনে

ত্বক বিজ্ঞানী ডা. জেরোম জেড লিট বলেন, আঁচিলের ওপর চার স্তর অ্যাডহেসিভ টেপ লাগান, ব্যান্ডেজটি যেন এয়ারটাইট হয়, তবে আঁচিলকে যেন বেশি চেপে না বসে। প্রথম টেপের পট্টি লাগানো হবে আঙুলের লম্বালম্বি, পরেরটি আঙুলকে পেঁচিয়ে বসান, এবার পুনরায় দুটো লাগান এভাবেই। ব্যান্ডেজকে রেখে দিন সাড়ে ছয় দিন, অর্ধেক দিন টেপ খুলে নিন। এরপর নতুন একটি লাগান। আঁচিল অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত টেপ লাগনো রাখুন। ডা. লিট বলেন, এতে সময় লাগে দুই থেকে ছয় সপ্তাহ।

কিভাবে এটি কাজ করে তা স্পষ্ট নয়। ডা. লিট বলেন, সম্ভবত আঁচিলের ভাইরাস টেপের বাঁধনে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায়।

টি ব্যাগ ঘর্মাক্ত পা ও ঘা শুকাতে পারে

চায়ের মধ্যে যে টনিক অ্যাসিড আছে এটি কাজ করে অ্যাসট্রিনজেন্ট হিসেবে, এতে পা থাকে শুকনো ও দুর্গন্ধমুক্ত। ডা. জেরোম জেড লিটের ভাষ্য­ কুড়ি আউন্স পানিতে দুটো চা-ব্যাগ দিয়ে জ্বাল দিন ১৫ মিনিট, এরপর এই মিশ্রণটি দেড় সের ঠাণ্ডা পানিতে মেশান একটি গামলায়। এক সপ্তা প্রতিদিন পা ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। পায়ে আর দুর্গন্ধ থাকবে না।

দুষ্টুক্ষতের ব্যথা উপশমের জন্য একটি টি-ব্যাগ ঈষদুষ্ণ পানিতে ভিজিয়ে, ব্যাগটি মুচড়ে ক্ষতে ধরে রাখুন ৫-১০ মিনিট। তিন-চার ঘণ্টা পর পর দিতে পারেন।

রসুন উপকারী ঠাণ্ডা লাগা ও ফ্লুতে

গবেষণায় দেখা গেছে, রসুনের কোনো কোনো রাসায়নিক উপকরণ রোগজীবাণু ধ্বংস করতে পারে। ঠাণ্ডা লাগা, ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে রসুন খান। প্রতিবেলা খাবারে দুই-তিন কোয়া টাটকা রসুন খান। একটি রেসিপির কথা বলি।

বিশেষ সুপ। দু থেকে তিন কোয়া রসুনের টাটকা কোয়া এবং কিছু টাটকা আদা কুচি দিন এক পাত্র সবজির সুপে (সে সবজি হবে গাজর, ব্রকলি, পালংশাক, টমেটো, বাঁধাকপি, লাল ও সবুজ মরিচ)। এতে আছে প্রচুর ভিটামিন এ ও সি। এটা রোগ প্রতিরোধক। সুপের ভাপ নাক দিয়ে শুঁকলেও নাক বন্ধ সেরে যাবে। এরপর সুপ খান।

একুপ্রেশার উপকারী বমি ও বেদনায়

নিউরোবায়োলজির অধ্যাপক ডা. ব্রুসপোমেরানজ বলেন, কব্জির ওপর আছে একটি বিন্দু, যা চাপলে বমিভাব উপশম হয়। তিনি ছয়টি গবেষণার কথা বলেছেন, অবশ্য কারণটি স্পষ্ট নয়। মনিবন্ধের ভেতর দিকে একটি খাঁজ আছে যার দুই পাশ দিয়ে দুটো শক্ত পেশিবন্ধনী চলে গেছে হাতের তালু থেকে কনুই পর্যন্ত। মনিবন্ধের দুই ইঞ্চি ওপরে বুড়ো আঙুল বা আঙুল দিয়ে শক্ত করে চেপে ধরুন দুই মিনিট। ২০ মিনিট বারবার এরকম চাপ দিলে উগ্র বমিভাবও কমে যায়।

মাথার ত্বকে ইনফেকশন ও চুল পড়া

মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্প থেকে চুল ওঠে। অর্থাৎ চুলের ফলিকল থাকে স্ক্যাল্পে। সেখান থেকেই চুল গজায় ও সময়ে বাড়ে। মাথার ত্বকের সুস্থতার সাথে চুলের স্বাস্থ্য নির্ভর করে। মাথার ত্বকে ইনফেকশন থাকলে চুলের সমস্যা হয়। সবচেয়ে বড় কথা এতে চুল পড়ার হার অনেক বেড়ে যায়।

কী করে বুঝবেন মাথার ত্বকে ইনফেকশন বা সংক্রমণ হয়েছে?

­ চুলের গোড়ায় ব্যথা হওয়া বা ফুলে ওঠা। একে কেরিয়াল বলে।

­ চুলের গোড়া কালো হয়ে যাওয়া ও চুল পড়া।

­ চুলের গোড়ায় ছোট ছোট গোটার মতো হওয়া এবং অল্প ফুলে ওঠা। দানা বা গোটাগুলো পুঁজভর্তি হতে পারে।

­ মাথার ত্বক চুলকানো ও ময়লা ওঠা।

­ সাদা সাদা খোসার মতো ময়লা পড়া।

ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদির কারণে মাথায় সংক্রমণ হতে পারে। অনেক সময় মাথা চুলকাতে চুলকাতে ঘা কিংবা একজিমাও হতে পারে। অনেক সময় চুল পড়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা যায় চুলের গোড়ায় ইনফেকশন রয়েছে। কোন ধরনের ইনফেকশন হয়েছে তা পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক কিংবা অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ, শ্যাম্পু ইত্যাদির সাহায্যে চিকিৎসা করলে ইনফেকশন রোধ করা সম্ভব। এছাড়া শহরের ধুলোবালু, ময়লা ও ধোঁয়ার কারণে সংক্রমণ হয় বলে এগুলো পরিহার করে চলাও প্রয়োজন। অনেক সময় চুল পড়ার কারণ খুঁজে পেতে দেরি হলে ও সঠিক চিকিৎসা না করালে মাথা খালি হয়ে যেতে পারে। তাই মাথায় ত্বকের সংক্রমণের সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে চুল পড়া রোধ করা প্রয়োজন। সংক্রমণের সঠিক চিকিৎসা হলে চুল পড়া থামবে ও চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে উঠবে।

হার্নিয়া রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা

যদি আপনার কোনো কুঁচকিতে ব্যথা হয় কিংবা ফোলা দেখতে পান তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন। এই ফোলা বেশি দেখা যাবে যখন আপনি দাঁড়াবেন। সাধারণত আক্রান্ত স্থানে হাত রাখলে আপনি এটা অনুভব করতে পারবেন।

আপনি শুয়ে পড়লে হার্নিয়া আপনা আপনি মিলিয়ে যাবে অথবা আপনি হাত দিয়ে হালকা চেপে পেটে ঢুকিয়ে দিতে পারবেন। যদি তা না হয় তাহলে জায়গাটিতে বরফের সেঁক দিলে ফোলা কমে গিয়ে হার্নিয়া চলে যায়। শোয়ার সময় মাথার তুলনায় কোমর উঁচু করে শুতে হবে।

যদি আপনি হার্নিয়া ঢোকাতে না পারেন তাহলে বুঝতে হবে অন্ত্রের অংশ পেটের দেয়ালে আটকে গেছে। এটি একটি মারাত্মক অবস্থা। এ ক্ষেত্রে জরুরিভাবে অপারেশনের প্রয়োজন হয়। এ পর্যায়ে বমি বমি ভাব, বমি অথবা জ্বর হতে পারে এবং হার্নিয়া লাল, বেগুনি অথবা কালো হয়ে যেতে পারে। যদি এ ধরনের কোনো চিহ্ন বা উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

রোগ নির্ণয়

সাধারণ শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে ইনগুইনাল হার্নিয়া নির্ণয় করা হয়। আপনার চিকিৎসক আপনাকে আপনার উপসর্গগুলো জানতে চাইবেন, তারপর কুঁচকি এলাকার ফোলাটা পরীক্ষা করে দেখবেন।

যেহেতু কাশি দিলে হার্নিয়া অধিক স্পষ্ট হয়ে দেখা দেয়, তাই কাশি দেয়াটাও আপনার পরীক্ষার একটা অংশ হতে পারে।

জটিলতা

অপারেশনের মাধ্যমে হার্নিয়া ঠিক না করলে ক্রমে হার্নিয়া বড় হতে থাকে। বড় হার্নিয়া চার পাশের টিসুøর ওপর চাপ প্রয়োগ করে­ পুরুষের ক্ষেত্রে হার্নিয়া অণ্ডথলি পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে এবং ব্যথা ও ফোলা সৃষ্টি করে।

তবে ইনগুইনাল হার্নিয়ার সবচেয়ে মারাত্মক জটিলতা হলো যখন অন্ত্রের অংশ পেটের দেয়ালের দুর্বল জায়গায় আটকে যায়। এ সময় প্রচণ্ড ব্যথা হয়, বমি বমি ভাব ও বমি হয় এবং পায়খানা বন্ধ হয়ে যায়, কিংবা বায়ু চলাচল করতে পারে না।

এ ক্ষেত্রে অন্ত্রের আটকে পড়া অংশে রক্ত চলাচল কমে যায়­ এ অবস্থাকে বলে স্ট্রাংগুলেশন­ যার কারণে আক্রান্ত অন্ত্রের টিসুøর মৃতুø ঘটতে পারে। স্ট্রাংগুলেটেড হার্নিয়া একটি জীবনমরণ সমস্যা, এ ক্ষেত্রে জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসা

যদি আপনার হার্নিয়া ছোট থাকে এবং আপনার কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করে তাহলে আপনার চিকিৎসক পর্যবেক্ষণ করার কথা ও অপেক্ষা কার কথা বলতে পারেন। কিন্তু হার্নিয়া যদি বড় হতে থাকে এবং ব্যথা হয় তাহলে অস্বস্তি দূর করতে ও মারাত্মক জটিলতা প্রতিরোধ করতে সাধারণত অপারেশনের প্রয়োজন হয়। হার্নিয়ার দু’ধরনের সাধারণ অপারেশন করা হয়ঃ

হার্নিয়োর্যাফি

এ পদ্ধতিতে আপনার সার্জন আপনার কুঁচকিতে একটা ইনসিশন দিয়ে বেরিয়ে আসা অন্ত্রকে ঠেলে পেটের মধ্যে ফেরত পাঠান। তারপর দুর্বল বা ছেঁড়া মাংসপেশি সেলাই করে ঠিক করে দেন। অপারেশনের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনি চলাফেরা করতে পারবেন, তবে স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরে যেতে আপনার চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

হার্নিয়োপ্লাস্টি

এ পদ্ধতিতে আপনার সার্জন কুঁচকি এলাকায় এক টুকরো সিনথেটিক মেশ লাগিয়ে দেন। সেলাই, ক্লিপ অথবা স্টাপল করে এটাকে সাধারণত দীর্ঘজীবী রাখা হয়। হার্নিয়ার ওপরে একটা একক লম্বা ইনসিশন দিয়েও হার্নিয়োপ্লাস্টি করা যেতে পারে। বর্তমানে ল্যাপারোস্কপির মাধ্যমে, ছোট ছোট কয়েকটি ইনসিশন দিয়ে হার্নিয়োপ্লাস্টি করা হয়।

প্রতিরোধ

যদি আপনার জন্মগত ত্রুটি থাকে, যার কারণে ইনগুইনাল হার্নিয়া হতে পারে­ সেটা আপনি প্রতিরোধ করতে পারবেন না, তবে নিচের পরামর্শগুলো মেনে চললে আপনার পেটের মাংসপেশি ও কলার টান কমাতে পারবেনঃ

­ স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুনঃ যদি আপনার স্বাভাবিক ওজনের চেয়ে বেশি থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ব্যায়াম ও খাদ্যগ্রহণ করুন।

­ উচ্চ আঁশসমৃদ্ধ খাবার খানঃ টাটকা ফলমূল ও শাকসবজি এবং সম্পূর্ণ খাদ্যশস্য আপনার সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

­ ভারী বস্তু উত্তোলনে সতর্ক হোনঃ পারতপক্ষে ভারী বস্তু উত্তোলন করবেন না। যদি একান্তই উত্তোলন করতে হয় তাহলে সর্বদা হাঁটু ভাঁজ করে শুরু করবেন, কখনো কোমর বাঁকাবেন না।

­ ধূমপান বন্ধ করুন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: