গরমে সতেজ থাকুন

গরমে সতেজ থাকুন

দম বন্ধ করা গরমে একটু স্বস্তি পেতে চান? প্যাচপেচে ঘাম থেকে বাঁচতে চান? চোখ জ্বালা কমাতে চান? তার জন্য অতিরিক্ত কিছুই করতে হবে না। ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি আছে যা প্রয়োগ করলে আপনি সহজেই এ অসহ্য গরমে একেবারে সতেজ স্ফূর্তি লাভ করতে পারবেন। চলুন সেই পদ্ধতিটা জেনে নিই।
— গরমের দিনে রাতে শোয়ার আগে চোখে গোলাপ জল দিতে কখনও ভুলবেন না। এছাড়া শসা, কাঁচা দুধের ক্রিমটাও চোখের জন্য উপকারী। এগুলো চোখে দিলে কখনও চোখ জ্বালা অনুভব করবেন না।
— যদি অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার ফলে গা থেকে দুর্গন্ধ বেরোয় তাহলে আপনি দিনে দু-তিনবার গোসল করুন। গোসলের আগে পানির মধ্যে ইউডি কোলন বা গোলাপের পাপড়িও দিতে পারেন। এতে দিনভর সতেজ থাকবেন।
— দিনে অন্তত তিন-চারবার লবণ, চিনি, লেবুর পানি খান। এতে তীব্র গরমেও আপনার এনার্জি বজায় থাকবে। কম গরম অনুভব করবেন।
— যদি আপনি কৃত্রিম ঠাণ্ডা যন্ত্রের হাওয়াতে বেশিক্ষণ থাকতে অস্বস্তি বোধ করেন তাহলে ঘরের জানালা এবং দরজাতে খস নামে এক ধরনের ঘাসের পর্দা লাগান। এতে ঘর ঠাণ্ডা থাকবে। আপনি সুন্দর গন্ধও অনুভব করতে পারবেন।

ইসলামী জীবনাচার

ইসলামী জীবনাচার

সংস্কৃতি হচ্ছে একটি জাতির পরিচায়ক, সংস্কৃতির মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, লোকটি তাওহিদবাদী না অংশীবাদী, মুসলিম না অমুসলিম, জড়বাদী না অদৃষ্টে বিশ্বাসী। একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতির পক্ষে বিজাতীয় সংস্কৃতির গোলামি ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন মেনে নেয়া কখনো সম্ভব নয়। কারণ রাজনৈতিক গোলামি যেকোনো একটি জাতির সত্তার জন্য অধিকতর বিপদ ও ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রাজনৈতিক গোলামি বা স্বাধীনতার আগমননির্গমন নির্ভর করে কোনো বিশেষ ঘটনার ওপর এবং হঠাৎ করেই তা ঘটে যেতে পারে। কিন্তু সাংস্কৃতিক গোলামির আগমন ঘটে অত্যন্ত ধীরগতিতে এবং গোলামির জিনজির ছিন্ন করার জন্য প্রয়োজন হয় এক দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রামের। মূলত এ শিকল একবার কোনো জাতির গলায় আটকে গেলে তা ছিন্ন করা বড়ই দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়।

সংস্কৃতি এমন একটি বিষয় যার প্রচার ও প্রসার ঘটে অত্যন্ত আলতোভাবে নানা যুক্তি বা কুযুক্তির মাধ্যমে, কিন্তু প্রভাব সুদূরপ্রসারী। বিষয়টি এমন যে কোনো একটি ধারণা যদি একবার মানুষের মাঝে বদ্ধমূল করে দেয়া যায় তাহলে তার ক্রিয়া বা প্রভাব থাকে সহস্র বছর ধরে। আর সংস্কৃতি প্রচারের অন্যতম মিডিয়া হচ্ছে রেডিও, টিভি ও পত্রপত্রিকা। এ মাধ্যমগুলো এত ক্রিয়াশীল যে, একটি নাটক বা একটি লেখার মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষকে যে সুপথে আনা যায়, তেমনি ভ্রান্তির বেড়াজালেও আবদ্ধ করা যায়।

ইসলাম একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী জীবনবিধানের নাম। এর প্রভাব বিশ্বমানবতার ওপর কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এটা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ঘোষণা। কিন্তু যারা ইসলামকে বুঝে না বা বোঝার চেষ্টা করে না এবং যারা জন্মগতভাবে ইসলাম বিদ্বেষী কিংবা স্বার্থান্বেষী তারা কখনো চায়নি ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়ুক জগতের দিকে দিকে। তাই তারা সব সময়ই চেষ্টা করছে এর আলোকে নির্বাপিত করতে। সে ক্ষেত্রে কুরআন-সুন্নাহর অপব্যাখ্যা প্রদান, বিশ্লেষণধর্মী রহস্যঘেরা ও অস্পষ্ট বিষয়াবলির অপব্যাখ্যা প্রদান এবং নানাবিধ কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে ইসলামের সু-উজ্জ্বল সৌন্দর্যের ওপর কলঙ্ক লেপনের অপচেষ্টা তারা চালিয়েছে এবং চালিয়ে যাচ্ছে।

কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে শনাক্ত করতে প্রয়োজন হয় নামের। এ নাম থেকেই ব্যক্তি বস্তু বা এলাকার সংস্কৃতি জীবনাচার কিংবা চিন্তা-চেতনা ও বিশ্বাসের পরিচয় মেলে। আর ইসলামী ভাবধারা সংবলিত নামকরণ হচ্ছে ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ। ইসলামের নামকরণের গুরুত্ব যে কতটুকু তা সহজেই অনুমেয়। কুরআনে পাকের বাণী­ ‘আর আল্লাহ তায়ালা আদম আঃ-কে সব কিছুর নাম শেখালেন এবং তিনি (আদম) ফেরেশতাকুলের কতটা গুরুত্বের দাবিদার এবং এটা প্রভুর নামে যিনি তোমায় সৃষ্টি করেছেন।’ এতে সহজেই অনুমান করা যায়, ইসলামে নাম বিষয়টি কতটা গুরুত্বের দাবিদার; তা পার্থিব ও পারলৌকিক কল্যাণ লাভের জন্য কতটা অপরিহার্য।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ-এর নির্দেশ অনুযায়ী সন্তানের প্রতি মাতাপিতার যেসব দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে তার অন্যতম ও প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে সন্তান জন্মগ্রহণ করার পরপরই তার একটি সুন্দর নাম রাখা। এ প্রসঙ্গে হজরত আবু সাঈদ খুদরি ও হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত মহানবী সাঃ বলেছেন­ তোমাদের ডাকা হবে তোমাদের নামে এবং তোমাদের পিতাদের নামে। অতএব তোমাদের নামগুলো সুন্দর করে রাখো। (আবু দাউদ, বায়হাকি)। সুন্দর নাম বলতে কী বোঝায়, তাও তিনি বলে দিয়েছেন; তা হচ্ছে প্রথমত সন্তানের নাম হবে অর্থবোধক, দ্বিতীয়ত, সেটা হবে সুন্দর অর্থজ্ঞাপক, তৃতীয়ত, যে নামে সে হবে গর্বিত। অপমানবোধ করবে না। অপর এক হাদিসে আছে­ সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তাকে গোসল করিয়ে সাদা কাপড়ে জড়াবে। তারপর প্রথমে তার ডান কানে আজানের বাক্যগুলো এবং বাম কানে ইকামতের বাক্যগুলো বলবে।

তারপর সন্তানের মুখে মধু কিংবা মিসরি পানি দেয়া ইসলামী নীতি। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সপ্তম দিনে তার একটি সুন্দর নাম রাখা এবং আকিকা করা সুন্নত। নাম রাখার সময় আল্লাহ তায়ালার যেকোনো নামের সাথে অথবা মহানবী সাঃ-এর নামের সাথে মিলিয়ে রাখা উত্তম। নামের অসিলায় আল্লাহ পাক ক্ষমা করে দেবেন।

আজকাল অপসংস্কৃতির প্রভাবে মুসলিম সম্প্রদায় তাদের সন্তানদের ইসলামী নাম রাখতে অনীহা প্রকাশ করছে। ছেলেমেয়েদের নাম রাখে অন-ইসলামী পন্থায়­ যেমন সেন্টু, মন্টু, পলাশ, অনিন্দ্য, ডেভিড, বিথী, স্মৃতি, ইতি, হেলেনা, অঙ্গুর, বেদানা, বৃষ্টি, মিষ্টি, আকাশ, প্রকাশ, সুবাস প্রভৃতি। আজ দেশে ভিন্নমুখী শিক্ষার ফলে অভিভাবকেরা শিশুর কী নাম রাখবে আদর্শ খুঁজে পাচ্ছে না, সবাই আধুনিকতার ভক্ত। তাই বহু কাফির মুশরিকের নাম মুসলিম সমাজে ঢুকেছে। ফলে মুসলিম অমুসলিম পরিচয়ের শেষ চিহ্নস্বরূপ নামও মুছে ফেলা হচ্ছে।

আল্লাহ পাকের কাছে প্রিয়তম নাম হচ্ছে আবদুল্লাহ, আবদুর রহমান। রাসূলুল্লাহ সাঃ বিশ জনেরও অধিক সাহাবির নাম পরিবর্তন করে এই নাম রাখেন। ইউরোপীয় খ্রিষ্টান শাসকচক্রের শাসনামলে আমাদের শিক্ষা সভ্যতায় পাশ্চাত্য ভাবধারা আমদানির সাথে সাথে তাদের কালচার আমাদের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়েছে, যার জোয়ার আজো চলছে। সেই যে হেপি নিউ ইয়ার্স ডে, ক্রিসমাস ডে, ভ্যালেন্টাইন ডে, গুডফ্রাইডে, এপ্রিল-ফুল ইত্যাদি বিজাতীয় কালচারাল ফাংশনকে আজো বর্জন করতে পারিনি, এরূপ আরো বহু কর্মকাণ্ড রয়েছে।

এ দেশের হিন্দুরা আবার কতগুলো সংস্কৃতি আমদানি করেছিল, সেগুলো আজো প্রচলিত; যেমন বাংলা নববর্ষ উদযাপন, হালখাতা উৎসব, দোলযাত্রা বা বসন্ত উৎসব, বৈশাখী মেলা প্রভৃতি। হিন্দুরা এগুলোকে তাদের সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে উদযাপন করে থাকে আর বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে প্রগতিশীল মুসলমানেরাও এগুলোকে বাঙালি সংস্কৃতি হিসেবে মেনে নিয়েছে। বস্তুত হিন্দুদের ওই সব উৎসবে ধর্মীয় আমেজ রয়েছে। এগুলো ইসলাম ধর্মের পরিপন্থী, তা ছাড়া অযথা অপব্যয়েরও কারণ বটে। কুরআনে শিরক ও অপব্যয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তা ছাড়া এসব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নামে ছড়াচ্ছে অশ্লীলতা, যৌনতা, প্রশ্রয় পায় এমন অনেক কিছু যা ইসলামে অবৈধ। ইসলামে নাচ-গান ও বাদ্য নিষিদ্ধ। ইসলামে নারী-পুরুষ একত্র হয়ে পর্দার খেলাপ করে এসব সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ রাখেনি।

২০০০ সালের শুরুতে মিলেনিয়াম উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের রাত্রিকালীন অনুষ্ঠানে এক মহিলার শ্লীলতাহানির কারণ ঘটেছিল। পত্রপত্রিকায় সে ঘটনা দিবসে (ভ্যালেন্টাইন ডে) নারী-পুরুষ একত্র হয়ে বেলেল্লাপনা ইত্যাদি সব কিছুতেই নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটে; এগুলো ইসলামের বিধান মতে গর্হিত কাজ। ইসলামের বিধানে এসব কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য। সংস্কৃতির নামে আমাদের দেশে যেসব কর্মকাণ্ড চলছে, তাতে শালীনতা রক্ষিত হয় না।

বাংলা-পাক-ভারত উপমহাদেশে ইংরেজরা প্রায় দু’শ বছর শাসন করেছে। তারা এ দেশ থেকে চলে গেছে ঠিকই, কিন্তু যা কিছু রেখে গেছে তার ভবিষ্যৎ কার্যকারিতা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে তারা বলেছে­ ‘আমরা এ দেশে এমন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করে গেলাম, যার ফলে শিক্ষিতরা রঙ বর্ণের দিক দিয়ে যদিও এদেশী; মনে হবে কিন্তু মন-মানসিকতার দিক দিয়ে হবে সম্পূর্ণ বিলাতি।’

আজ আমরা তাদের ভবিষ্যদ্বাণী অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়িত দেখতে পাচ্ছি। ইংরেজ খ্রিষ্টানরা ইসলামী তাহজিব-তমদ্দুন থেকে বিচুøত করার জন্য চালু করেছে সহশিক্ষা। যার ফলে মুসলিম তরুণ-তরুণীরা অপরিহার্য পর্দার ফরজ বিধান পদদলিত করছে। নারী স্বাধীনতার বুলি শিখিয়ে ঘর থেকে বের করে বেপর্দা বানানো হচ্ছে। এভাবে যুবক-যুবতীদের মেলামেশার ফলে নানারকম পাপকার্য হচ্ছে। চারিত্রিক অবক্ষয় নেমে আসে মুসলিম ঘরের সন্তানদের মাঝে। বিজাতিরা মুসলমানদের ঈমান-আকিদা ও চরিত্র ধ্বংস করার জন্য সংস্কৃতি ও বিনোদনের নামে অশ্লীল ছবি, টিভি, ভিসিআর, ডিশ অ্যান্টেনা, ভিডিও ইত্যাদি তৈরি করে বিতরণ করছে, যাতে নৈতিক অবক্ষয় থেকে কেউ বাদ না পড়ে। যাতে মুসলিম নর-নারীদের দ্বীনদারিও নষ্ট হয়, চরিত্র কলুষিত হয় আর মন-মানসিকতাও বিকৃত হয়ে যায়। মুসলিম সন্তানেরা পোশাক-পরিচ্ছদ, চালচলন সমুদয় বিষয়ে বিজাতি বিধর্মীদের অনুকরণ করে চলছে। রাস্তাঘাটে অনেক পুরুষরূপী নারী দেখা যায়, যারা মাথার চুল ছোট করে প্যান্ট-শার্ট পরে, নারী হওয়া সত্ত্বেও পুরুষের রূপ ধারণ করে চলে এটি বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ বৈ কিছু নয়। হাদিস শরিফে উল্লেখ আছে­ যে মহিলা পুরুষের রূপ ধারণ করবে এবং যে পুরুষেরা মহিলার রূপ ধারণ করবে তাদের ওপর লা’নত ও অভিসম্পাত। আর এক হাদিসে আছে­ যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে সামঞ্জস্য রাখবে, তাদের হাশর-নাশর তাদের সাথেই হবে। (আবু দাউদ)।

মুসলমানদের এ ধরনের অন্ধ অনুকরণের প্রতি লক্ষ করে দার্শনিক কবি আল্লামা ইকবাল রহঃ বলেছেন­

হিন্দু তুমি চালচলনে, বেশভূষায় খ্রিষ্টান

মুসলিম এই­ যাদের দেখে ইহুদ করে লজ্জাজ্ঞান

সৈয়দ কিংবা মির্জা কিংবা হতে পার আফগানও

সব কিছুই হতে পার, বল তুমি মুসলমানও।

(শিকওয়া-জওয়াবে শিকওয়া)।

বিজাতীয় অপসংস্কৃতির অনুকরণে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনে লেগেছে যুবক-যুবতীরা, ভ্যালেন্টাইন-ডে পালন করছে, লিভটুগেদার গ্রহণ করছে, যার মাধ্যমে যৌন নোংরামির ষোলকলা পূর্ণ করছে। পণ্যসামগ্রীর বিজ্ঞাপনে নারীর ছবি দিয়ে প্রচার না চালালে যেন পণ্যসামগ্রী বিক্রি হবে না, এমনটাই আমাদের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় মনে করছে। সংবাদপত্র কিংবা টিভি’র পর্দায় অহরহই তা প্রদর্শিত হচ্ছে। অথচ মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের বিজাতীয় অপসংস্কৃতি পরিহার করে ইসলামী ভাবধারায় জীবনযাপন করা একান্ত কর্তব্য।

মুসলমান পরস্পর মিলিত হলে ‘সালাম’ বিনিময় করা ইসলামের শেয়ার বা প্রতীক। কুরআন মজিদে ‘সালাম’ শান্তি ও নিরাপত্তা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ইসলামী শরিয়তে ‘সালাম’ পদ্ধতি একটি দোয়াও বটে; যা মুসলমান পরস্পর সাক্ষাতে বিনিময় করে থাকে। ইসলামের আবির্ভাবের আগে আরবদের মধ্যে প্রচলিত ছিল ‘হাইয়্যাকাল্লাহ’ অর্থাৎ ‘আল্লাহ তোমাকে জীবিত রাখুক।’ ইসলামের সূচনালগ্নে মহানবী সাঃ তা পরিবর্তন করে ‘আসসালামু আলাইকুম’ অথবা ‘সালামুন আলাইকুম’ আর এর জবাবে ‘ওয়া আলাইকুমুস সালাম’ বলার প্রথা প্রবর্তন করেন।

%d bloggers like this: