কে কত হাসতে পারো!!! “এক চল্লিশ”

.

.

তালা

সংসদ ভবনের গেটের সামনে ভাঙাচোরা একটা সাইকেলে তালা মেরে রেখে যাচ্ছিল এক লোক। তা দেখে হায় হায় করে ছুটে আসে দারোয়ান। চিৎকার করে বলে_ ওই ব্যাটা, এখানে সাইকেল রাখছিস কী বুঝে? জানিস না, এ পথ দিয়ে এমপি, মন্ত্রী-মিনিস্টাররা যাতায়াত করেন।
লোকটা একগাল হেসে জবাব দেয়  কোনো সমস্যা নাই ভাইজান, সাইকেলে তালা মাইরা দিছি।

.


পালাব

পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে সাত-আটজন খুনের আসামি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাহাড়ের পাশ দিয়ে বন্ধুর পথ ধরে ছুটে চলছে গাড়ি। হঠাৎ রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে আক্রমণ করল এক দল সন্ত্রাসী। পুলিশ আর গার্ডকে আহত করে দরজা ভেঙে খুনিদের মুক্ত করে দিল তারা। সবাই পালালো। কিন্তু একজন পালাল না। প্রিজন ভ্যানেই বসে রইল।
পরে পুলিশের রেসকিউ টিম এসে তাকে প্রশ্ন করল কী ব্যাপার, সবাই পালাল তুমি রয়ে গেলে যে?
মাথা খারাপ!

লোকটি জবাব দিল: এ বন জঙ্গলে গাড়িঘোড়া পাব কোথায় যে পালাব?

.

পানি

বাচ্চা: আব্বু এক গ্লাস পানি দিয়ে যাও।

বাবা: তুমি নিজে এসে নিয়ে যাও।

বাচ্চা: না, তুমি দিয়ে যাও।

বাবা: দ্বিতীয় বার আমার কাছে পানি চাইলে আইসা দুইটা থাপ্পর মারবো।

বাচ্চা: আব্বু, যখন থাপ্পর মারার জন্য আসবে তখন আমার পানিটাও নিয়ে এসো।

.

দুটি করে দেখা

চিকিত্সক ও রোগীর মধ্যে কথা হচ্ছে
রোগী : স্যার, আমার সমস্যা হলো, আমি সবকিছুই দুটি করে দেখি।
চিকিত্সক : হুম্ম, রোগটা বেশ জটিল মনে হচ্ছে।
রোগী : একটা কিছু করেন স্যার। আমি খুব সমস্যায় আছি।
চিকিত্সক : ঠিক আছে, সামনের খালি চেয়ারটিতে আগে বসুন তো।
রোগী : চেয়ার তো দুটি খালি। তা কোনটাতে বসব স্যার?

.

বিড়াল

ওস্তাদ চোর তার চেলাকে হাতেকলমে শিক্ষা দিতে এক গৃহস্থবাড়িতে ঢুকেছে চুরি করতে।
অনেক কায়দা করে ঘরে ঢুকে অন্ধকারে কিছু একটার সঙ্গে ধাক্কা লেগে শব্দ হলো ঠং করে।
গৃহস্থ ঘুমের ঘোরে বলে উঠলেন_ কে রে?
ওস্তাদ চোর সঙ্গে সঙ্গে বিড়ালের গলা নকল করে ডেকে উঠল ম্যাঁও। গৃহস্থ বিড়াল ভেবে আবার চোখ বুজলেন।
এরপর চেলা চোরের হাতে লেগে কিছু একটা পড়ে ঝনঝন শব্দ করে উঠল।
গৃহস্থ আবার বললেন_ কে রে? কে ওখানে?
চেলা চোর সঙ্গে সঙ্গে বুদ্ধি করে বলল  হুজুর, আমিও বিড়াল।

.

বাড়ি ভাড়া

এক বাড়িওয়ালা মাসের শেষ দিকে নোটিশ টানিয়ে দিলেন_ যাদের ছোট ছেলেমেয়ে নেই, কেবল তাদেরকেই বাড়ি ভাড়া দেওয়া হবে।
নোটিশ টানানোর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হলো। বাড়িওয়ালা দরজা খুলেই দেখেন সামনে বছর দশেকের একটি ছেলে দাঁড়িয়ে।
বাড়িওয়ালা :কড়া নাড়লে কেন বাবু? কী চাও?
শিশুটি :আপনার বাড়ি ভাড়া নিতে চাই। আমার কোনো বাচ্চাকাচ্চা নেই। সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত। শুধু মা-বাবা আছেন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: