অসাম্প্রদায়িকতা ও সার্বজনীনতা নয়া কথা

লেখার শিরোনামের উভয় বিষয় সম্পর্কে আমার জ্ঞান অতীব সীমিত হওয়ার কারণে ধার করা বিদ্যা দিয়ে শুরু করছি। ধার করেছি জনাব ফরহাদ মজহারের বক্তব্য থেকে।

“ইসলাম একটা অদ্ভুত প্রস্তাবনা হাজির করেছিল, যেটা এর আগে দর্শনের জগতে আসেনি। সেটা হচ্ছে, মানুষকে একত্র করব কিভাবে? আখেরি নবী সাঃ প্রশ্ন তুললেন, রক্ত, বর্ণ, গোত্র, জাত-পাত, ভূখণ্ড, দেশ, সম্পত্তি­ অর্থাৎ সকল প্রকার ইহলৌকিক সম্পর্কের ঊর্ধ্বে মানুষের সাথে মানুষের যে আত্মিক সম্পর্ক সেখানে দাঁড়িয়ে সব মানুষকে ‘এক’ করা যায় কিভাবে? মানুষের ‘উম্মাহ’ বা দুনিয়ার সব মানুষকে ‘এক’ করার পথ কী? সবই যে ‘এক’-এর মধ্যে ‘একাকার’, সেই তৌহিদের পথে ইহলৌকিক মানুষকে নেয়ার পথ কী? ‘উম্মাহ’ তৈরি করব কিভাবে? মানুষ তো বিভিন্নভাবে বিভক্ত। যেহেতু আখেরি নবীর ‘ইসলাম’ একটা ট্রাইবাল সমাজের মধ্যে গড়ে উঠেছে, সেখানে রক্তপাত, হানাহানি, বিভিন্ন ধরনের ঝগড়াবিবাদ ছিল দৈনন্দিন বাস্তবতা। সেখানে স্বভাবতই প্রথম প্রশ্নটা ছিল­ মানুষকে কী করে একত্র করা যায়? একত্রিত রাখা যায়? উম্মাহ তৈরি করা যায় কিভাবে? তখন প্রশ্নটা এল­ যদি উম্মাহ তৈরি করতে চাই, তাহলে এটা তখনই সম্ভব, যদি নিরাকারকে একমাত্র উপাস্য করি। এটা কিন্তু এপিস্টমোলজিক্যাল বা জ্ঞানতাত্ত্বিক ব্যাপার না যে, আল্লাহ নিরাকার, আল্লাহ নিরঞ্জন। সাকার আকারের পার্থক্য এখানে তর্কের বিষয় ছিল না। আল্লাহ যদি সর্বশক্তিমান হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি যখন যা ইচ্ছা সেই রূপ নিতে পারেন। অতএব আল্লাহ সাকার না নিরাকার, এ ধরনের জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রশ্ন এই দর্শনের মধ্যে গৌণ। প্রশ্নটা ছিল­ যদি আমি মানুষকে একত্র করতে চাই তাহলে প্রথমেই আমাদের কর্তব্য কী? সে জন্যই বলা হয়েছে, ‘নিরাকারই একমাত্র উপাস্য’। এটা কোনো জ্ঞানতাত্ত্বিক বাক্য নয়। নির্দেশনামূলক বাক্য। মানুষ বিভিন্ন ট্রাইবে বিভক্ত, তারা বিভিন্ন ধরনের উপাসনা করে। কেউ মূর্তি পূজা করে, কেউ নানা নামের পূজা করে, কেউ বই পূজা করে, কেউ ধর্ম পূজা করে; পূজা বলতে যা বুঝি সবই সাকারের পূজা, সাকারের উপাসনা। আপনি যখনই সাকারকে উপাসনা করবেন, তখনই কিন্তু সেই সাকারই আপনার আত্মপরিচয়ের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যাবে। মানুষ বিভক্ত হয়ে যাবে, যা সময় এবং দেশকালের মধ্যে হাজির, তাকে যখনই আপনি উপাসনা করবেন তখনই সমাজ বিভক্ত হয়ে যাবে। বিভক্ত হতে থাকবে। যেকোনো ইডিওলজিকে উপাসনা করলেও তাই হবে। ইসলামি ইডিওলজিকে উপাসনা করলে সেটা সাকার উপাসনাই হয়ে গেল। মার্কসবাদ একটা সাকার তত্ত্ব। এটি উপাসনা করলে আপনি সাকার উপাসনা করলেন। ইসলাম বলল­ যদি আমি উম্মাহ তৈরি করতে চাই, গোটা মানবজাতিকে একত্র করতে চাই, তাহলে যেটা আমার কর্তব্য, সেটা হচ্ছে­ নিরাকারই একমাত্র উপাস্য, এই কর্তব্যকে প্রধান করে তুলতে হবে আগে। আল্লাহ নিরাকার­ এই কথাটা বলা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে নিরাকারই একমাত্র উপাস্য। এটা দর্শনের দিক থেকে হেগেলের ভাষায়­ আমি আপনাদের হেগেলের বই থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলছি­ এটা একটা বৈপ্লবিক ঘটনা চিন্তার জগতে। মানে চিন্তার জগতে এটা বিশাল এক বৈপ্লবিক ঘটনা, যখন মানুষকে একত্র করার বাসনায়, আবারো হেগেলের ভাষায় বলছি­ ‘পার্টিকুলারিটি’, এই যে আমরা বিভিন্নভাবে বিভক্ত, তার নিরাকরণ ঘটিয়ে, বিভিন্ন বিশেষত্বের নিরাকরণ ঘটিয়ে একটা সার্বজনীন নিরাকারকে কল্পনা করার যে ক্ষমতা মানুষের এবং তার ভিত্তিতে মানুষের সাথে অপরাপর মানুষের সম্পর্ক নির্মাণের প্রস্তাব­ দর্শনের দিক থেকে এ এক দারুণ ঘটনা।

আপনার সাথে আমার সম্পর্ক কী করে হবে? হবে এ কারণে, যেহেতু আপনিও নিরাকারের উপাসনা করেন, আমিও নিরাকারের উপাসনা করি। এখন ইসলামের এই চিন্তাটা পরবর্তী সময়ে আমরা পাশ্চাত্যে হেগেলের মধ্যে, আরও অনেকের মধ্যে অন্যভাবে অন্যরূপে হাজির দেখেছি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আরবদের ইতিহাসের কারণে, ইসলামের মধ্যে থিওলজির আধিপত্যের কারণে, ধর্মতত্ত্বের আধিপত্যের কারণে বা পরবর্তী সময়ে ধর্মটা যখন আবার হেগেলের ভাষায় একটা সাকারসম্পন্ন জিনিসের উপাসনা হয়ে দাঁড়িয়েছে তখন তার একটা অবক্ষয় আমরা দেখেছি।”

জনাব ফরহাদ মজহার বাম তাত্ত্বিক, কবি এবং লেখক। আমি তার বিশাল পরিচয়ের বিন্দুমাত্র উপস্থাপন করলাম। যারা তার গুণগ্রাহী আমিও তাদের মাঝে একজন। তিনি বলেছেন, ‘আখেরি নবী প্রশ্ন তুললেন, রক্ত বর্ণ, গোত্র, জাত-পাত, ভূখণ্ড, দেশ, সম্পত্তি­ অর্থাৎ সকল প্রকার ইহলৌকিক সম্পর্কের ঊর্ধ্বে মানুষের সাথে মানুষের যে আত্মিক সম্পকর্, সেখানে দাঁড়িয়ে সব মানুষকে এক করা যায় কিভাবে? মানুষের ‘উম্মাহ’ বা দুনিয়ার সব মানুষকে ‘এক’ করার পথ কী? সবই যে ‘এক’-এর মধ্যে ‘একাকার’ সেই তৌহিদের পথে ইহলৌকিক মানুষকে নেয়ার পথ কী?… যদি আমি মানুষকে একত্র করতে চাই, তাহলে প্রথমেই আমাদের কর্তব্য কী? সে জন্যই বলা হয়েছে, ‘নিরাকারই একমাত্র উপাস্য’। জনাব ফরহাদ মজহার আরও বলেছেন, ‘আপনি যখনই সাকারকে উপাসনা করবেন, তখনই কিন্তু সেই সাকারই আপনার আত্মপরিচয়ের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যাবে। মানুষ বিভক্ত হয়ে যাবে। যা সময় এবং দেশকালের মধ্যে হাজির, তাকে যখনই আপনি উপাসনা করবেন তখনই সমাজ বিভক্ত হয়ে যাবে।’ এক কথা বা একই কথা হিন্দু ভাইদের ধর্মীয় মহাপবিত্র গ্রন্থ যজুর্বেদ সংহিতায় উক্ত হয়েছে শ্লোক এভাবেঃ (৩২ঃ৩)

‘ন তস্য প্রতিমা অস্তি’। অর্থ হচ্ছেঃ এ পুরুষের তুলনা দেয়ার কোনো বস্তু নেই।

মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা ইখলাসের চার নম্বর আয়াতে আল্লাহ সম্বন্ধে বলা হয়েছেঃ ‘ওয়ালাম ইয়াকুল্‌ লাহু কুফুওয়ান আহাদ।’ অর্থ হচ্ছেঃ আর কেউই তাঁর সমতুল্য নেই।

যর্জুবেদ­ সংহিতায় আরো উক্ত হয়েছেঃ শ্লোক (৪০ঃ৮)

‘অন্ধং তমঃ প্রবিশন্তি যেহসংভূতিমুপাসতে’

অর্থ হচ্ছেঃ যারা অবিদ্যা কাম্য কর্মের বীজস্বরূপ প্রকৃতির উপাসনা করে, তারা অন্ধকার সংসারে প্রবেশ করে।

পবিত্র কুরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘ইয়াদয়ু মিন দুনিল্লাহে মা লা ইয়াদুররু ওয়া মা লা ইনফাউহু, জালিকা হুয়াদ্দালালুল বাইদ।’ (সূরা আল হজের ১২ নম্বর আয়াত)

অর্থ হচ্ছেঃ সে আল্লাহকে ছেড়ে এমন সব কিছুর উপাসনা করে, যা তার কোনো ক্ষতিও করতে পারে না এবং উপকারও করতে পারে না। এটাই চরম গোমরাহি। এখন যদি আমরা কুরআনুল করিম এবং যর্জুবেদের শ্লোকের উক্ত বাণী বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখতে পাব, যারা এক আল্লাহকে, এক ঈশ্বরকে ছেড়ে প্রকৃতির অর্থাৎ মূর্তি পূজা করে, তারা চরম গোমরাহি বা পথভ্রষ্টতা এবং অন্ধকার সংসারে প্রবেশ করে। অর্থাৎ মনের অন্ধকার-আবিলতাকে দূর করতে হলে, বিসর্জন দিতে হলে বা সৃষ্টিকর্তা যার কোনো তুলনা হয় না, তাঁর ইবাদত বা উপাসনা করতে হবে। এটা এ জন্যই বলছি যে, নিজেকে সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে হলে এবং সার্বজনীনতা লালন করতে হলে নিজের মনকে অন্ধকারমুক্ত করা একান্ত প্রয়োজন। মনের অন্ধকারকে এবং আবিলতাকে বিসর্জন না দিয়ে এটা অর্জন করা সম্ভব নয়। আর এটা অর্জন করতে হলে তুলনাহীন এক সৃষ্টিকর্তার উপাসনা অনিবার্যভাবে দরকার। আমি সাকারের পূজা করব এবং একই সাথে অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন হব, যজুর্বেদের উক্ত বাণী তো তা বলে না। কারণ প্রকৃতির পূজার মধ্যে নিজেকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করার বীজ প্রোথিত রয়েছে, যা মানুষে মানুষে এবং সমাজে সমাজে বিভেদ এবং বিভক্তির সৃষ্টি করে। অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন হতে হলে, রক্ত, বর্ণ, গোত্র, জাত-পাত, ভূখণ্ড, দেশ, সম্পত্তি­ অর্থাৎ সকল প্রকার ইহলৌকিক সম্পর্কের ঊর্ধ্বে মানুষের সাথে মানুষের যে আত্মিক সম্পর্ক, সেখানে দাঁড়িয়ে সব মানুষকে ‘এক’ করা যায় কিভাবে? মানুষের উম্মাহ বা দুনিয়ার সব মানুষকে একত্র করতে চাইলে প্রথমেই আমাদের কর্তব্য হচ্ছে­ নিরাকারই একমাত্র উপাস্য, এই কর্তব্যকে প্রধান করে তুলতে হবে আগে। এমন কিছুর উপাসনা বর্জন করতে হবে, যা মনকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করে এবং মানুষে মানুষে এবং সমাজে বিভেদ সৃষ্টি হয় এবং যার ফলে মানুষ বিভক্ত হয়ে যায়। তবেই কেবল ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে অসাম্প্রদায়িকতা ও সার্বজনীনতা অর্জন করা সম্ভব।

এবারের পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন বিষয়ে দু-চার কথা বলে লেখা শেষ করতে চাই। অনেকে পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানকে বলছেন, ‘অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন’। অর্থাৎ এই অনুষ্ঠানে সব ধর্ম-বর্ণের, সব ভূখণ্ডের মানুষ অংশ নিতে পারে। আমরা যদি পয়লা বৈশাখের ‘মঙ্গলযাত্রা’র অঙ্গসৌষ্ঠবের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব মঙ্গলশোভাযাত্রায় মূর্তি ও মুখোশের ছড়াছড়ি। ঢাকের বাদ্য এবং তরুণ-তরুণীর বিচিত্র বর্ণিল অঙ্গসজ্জা ঠিক দেবী দুর্গার বিসর্জন অনুষ্ঠানের মতো। চলে রাস্তাজুড়ে তাদের হাত ধরাধরি করে উদ্বাহু নৃত্য। মঙ্গল শোভাযাত্রার সাথে দেবী দুর্গা বিসর্জন অনুষ্ঠানের সাদৃশ্য বিচার করলে দেখা যাবে, দুর্গাপূজার শেষ অনুষ্ঠান যেমন বিসর্জন, তেমনি পয়লা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে­ মন থেকে বছরের কালিমা, আবিলতা ও কুসংস্কারের অন্ধকার মুছে ফেলে, বিসর্জন দিয়ে ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রে এক হয়ে অসাম্প্রদায়িক ও সার্বজনীন হওয়ার বাসনা। কিন্তু বাস্তবে আমরা যা দেখছি তা হলো­ মঙ্গল শোভাযাত্রার মূল অনুষঙ্গ হিসেবে এতে যোগ হয়েছে ঢাকের বাদ্য, যা দেবী দুর্গাকে আবাহন করাসহ অন্যান্য মূর্তিপূজায় মূল বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ‘মূর্তি ও মুখোশ’ এই শোভাযাত্রার প্রাণের বিষয় বিসর্জনের প্রতীক। অভিনব হিসেবে পয়লা বৈশাখের মূল অনুষ্ঠানে যোগ হয়েছে ‘পান্তা-ইলিশ’। ভক্তি, রতি, তালসমৃদ্ধ তরুণ-তরুণীদের উদ্বাহু নৃত্য ঢাকের বাদ্যে যখন নাচা হয়, তখন তা আরাধ্য দেব-দেবীর শ্রীচরণে নৈবেদ্য হিসেবে যে নিবেদিত হয়, তা তো বাংলার মানুষ আবহমানকাল থেকে দেখে আসছে। এসব সাকার পূজার অনুষঙ্গ ব্যবহার করে যে অনুষ্ঠান, যে মঙ্গল শোভাযাত্রা, এসব তো যর্জুবেদের অধ্যায় চল্লিশ এবং শ্লোক আট (৪০ঃ৮)-এর মর্মানুযায়ী অনুষ্ঠান পালনকারীদের অন্ধকার মুক্ত করার পরিবর্তে মনকে গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত করবে। সৃষ্টি করবে জনে জনে বিভেদ ও বিভক্তি। এর মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িকতা ও সার্বজনীনতা অর্জন সম্ভব নয়।

সব ধর্ম-বর্ণ এবং সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেদের কাছে আমার একান্ত মিনতি, আমার উদ্দেশ্য সত্য প্রকাশ করা। কারো মনে আঘাত দেয়া নয়। ধর্মীয় অনুভূতিতে তো নয়ই। তার পরও যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তজ্জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমিও সবার মতো অসাম্প্রদায়িক আর সার্বজনীনতার মধ্যে আমাদের প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ ভাই ভাই হিসেবে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। আমাদের কর্মকাণ্ড অসাম্প্রদায়িকতা ও সার্বজনীনতার নামে দেশে সাম্প্রদায়িকতার এবং অতি সূক্ষ্মভাবে বিভেদ ও বিভক্তির সূত্রপাত করলে তা কেবল আমাদের শত্রুদের হাতকেই শক্তিশালী করবে। কোনো দেশপ্রেমিক শান্তিপ্রিয় মানুষ তা চাইতে পারে না। আমার এই অতি ক্ষুদ্র প্রয়াস যদি জনমনে বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনার উদ্রেক করে, তবে আমার শ্রম সার্থক হবে। আমি একান্তভাবে কামনা করি, আমাদের পূর্বপুরুষেরা যেভাবে পয়লা বৈশাখ অসাম্প্রদায়িক পন্থায়, নির্ভেজাল বাঙালিত্ব তুলে ধরে, সার্বজনীনভাবে পালন ও উদ্‌যাপন করতেন ঠিক সেভাবেই করা হোক। মনগড়া সংস্কৃতি ভাবনা এবং মতলববাজদের মতলবি চিন্তার খপ্পর থেকে আমাদের আজন্ম লালিত বৈশাখের সার্বজনীনতাকে সবার জন্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই এখন সময়ের দাবি।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: