কে কত হাসতে পারো!!! "ছতত্রিশ"

 

ক্রিকেট

এক ক্রিকেটার নিজের উন্নতিতে বেশ অভিভূত। তাই এক খেলায় তার শাশুড়িকে দাওয়াত করলেন খেলা উপভোগ করতে। কিন্তু ব্যাট হাতে ক্রিজে গিয়ে তিনি কেন জানি স্নায়বিক দুর্বলতা অনুভব করছিলেন।

তাই পেছনের উইকেট কিপারকে বললেন_ আমার খুব দুশ্চিন্তা হচ্ছে, এ বলটি ঠিকমতো হিট করতে পারব কি-না। গ্যালারির ওইখানে আমার শাশুড়ি বসে আছেন।
উত্তরে উইকেট কিপার বললেন ভাই রে, আমি বাজি ধরে বলতে পারি, তুমি কোনোদিনও অতদূরে তোমার শাশুড়িকে হিট করতে পারবে না!

 

 

ব্যাটিং মিস

ডাক্তার : আপনি বলছেন সারারাত ধরে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন দেখেন।
রোগী : হ্যাঁ।
ডাক্তার : কতদিন ধরে এটা চলছে?
রোগী : প্রায় এক বছর।
ডাক্তার : কিন্তু আপনার অন্য কোনো স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে না?
যেমন ধরুন, খাবার-দাবার বা বেড়াতে যাওয়া?
রোগী : ও সব করতে গিয়ে আমি আমার ব্যাটিংটা মিস করি আর কী?

 

 

পকেটমার

সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে এক পকেটমার এসেছে জেলগেটে। এসেই সহকর্মীকে বলল
:আজ সকালেই তোমার কেস নিয়ে লড়তে বিখ্যাত আইনজীবী মকমল সাহেবের সঙ্গে দেখা করে এলাম। নগদ বিশ হাজার টাকাও দিতে হলো।
:টাকাটা কি তিনি পকেটে রাখলেন?
:মকমল সাহেবের নিজের তো তাই ধারণা!

 

 

শরীর খারাপ

কয়েক দিন থেকেই পল্টুর শরীর খারাপ। এ কারণে তার চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা। দুদিন পর পল্টুর এক বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করল_ তোর না শরীর খারাপ। ডাক্তারের কাছে না গিয়ে বসে আছিস কেন? আজকেই তোকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব।
না রে, আজ শরীরটা ভীষণ খারাপ। আমি উঠতেই পারব না। ভাবছি শরীরটা একটু ভালো হলেই একবার ডাক্তারের কাছে যাব।

 

বয়রা মেয়ে

প্রথম বন্ধু :দোস্ত, আমার মনে হয় মেয়েটি বয়রা। মোটেও কানে শোনে না।
দ্বিতীয় বন্ধু :বলিস কি, কীভাবে বুঝলি?
প্রথম বন্ধু :আমি তার হাতে একটি ফুল দিয়ে ভালোবাসার কথা বললাম। আর উত্তরে সে বলে কি-না তার জুতাজোড়া নতুন আর খুব শক্ত!

 

 

বুদ্ধিমান স্বামী

অফিস থেকে খুব দেরি করে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরলেন স্বামী। কিন্তু তার প্রতিদিনই এ রকম দেরি করে বাসায় ফেরা দেখে স্ত্রীর মনে খুব সন্দেহ হলো। তাই কৌতূহলী হয়ে একদিন বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে_
স্ত্রী :তোমার অফিস তো শেষ হয়ে গেছে সেই কখন। এতক্ষণ কোথায়, কার সঙ্গে কী করলে?
স্বামী :বুদ্ধিমান বউরা কখনও স্বামীকে এভাবে প্রশ্ন করে না।
স্ত্রী :বুদ্ধিমান স্বামীরাও বউকে না বলে কোথাও দেরি করে না, বুঝলে?
স্বামী : ধুর! কী যে বল! বুদ্ধিমান স্বামীদের আবার বউ থাকে নাকি!

 

 

বস-কর্মকর্তার

কর্মকর্তা : স্যার, এবার আমার বেতনটা একটু বাড়িয়ে দিলে ভালো হতো।
বস : কেন?
কর্মকর্তা : গত সপ্তাহে বিয়ে করেছি। তাই আগের বেতনে দু’জনের চলাটা বেশ কষ্ট হবে স্যার।
বস : শুনুন, অফিসের বাইরের কোনো দুর্ঘটনার জন্য অফিস কোনোভাবেই দায়ী নয়। আর তার জন্য জরিমানা দিতেও অফিস রাজি নয়।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: