ক্যান্সারও প্রতিরোধযোগ্য

‘ক্যান্সার নেই অ্যান্সার’— এ কথাটির এক সময় খুব চল ছিল। ইদানীং অবশ্য তেমন জোরেশোরে একথা আর বলা হচ্ছে না। এর কারণ হচ্ছে, সব ক্ষেত্রে না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই উত্তর কিন্তু মিলেছে। ক্যান্সারের প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু ক্যান্সার কেন হচ্ছে এটা এখনও ভালোভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে নিরন্তর গবেষণা চললেও বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়। সুনির্দিষ্টভাবে কারণ জানা গেলে একদিন হয়তো ক্যান্সারের পুরো অ্যানসারই আমাদের আয়ত্তে চলে আসবে।

কী এই ক্যান্সার?
সাধারণভাবে আমরা জানি যে, আমাদের শরীর অসংখ্য কোষ দিয়ে তৈরি। একটা দালান তৈরিতে যেমন অসংখ্য ইট প্রয়োজন, তেমনি শরীরটাও লক্ষ-কোটি কোষের সমন্বয়ে তৈরি। পার্থক্য এই যে, ইট ও ইটের দালান জড়, শরীর ও এর কোষগুলো জীবিত। জীবন যার আছে তার মৃত্যুও আছে। তাই প্রতিদিন আমাদের শরীরে অনেক কোষ মরে যায়, আর তাদের জায়গা নেয় নতুন নতুন কোষ। নতুন কোষগুলো কিন্তু তৈরি হয় একটি কোষ ভেঙে দুটি এই প্রক্রিয়ায়। এই কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া শরীরে প্রতিদিন প্রতিক্ষণ একটি সুনির্দিষ্ট নিয়মে নিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটে যাচ্ছে। যার ফলে যেখানে যখন যেমন ধরনের কোষ প্রয়োজন তাই তৈরি হচ্ছে। প্রতিদিন লক্ষ-কোটি কোষ বিভাজনের সময় নিয়ম মেনে শুধু সুস্থ স্বাভাবিক কোষ তৈরি হচ্ছে, এমনটা বলা যাবে না। কোটি কোটি বার একই কাজ করতে গেলে ভুলের সম্ভাবনা সামান্য হলেও থাকে এবং কোষ বিভাজনের সময়ও সেটা ঘটতে পারে। এভাবেই আমাদের শরীরে কখনও কখনও অস্বাভাবিক বা অপ্রয়োজনীয় কোষের সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু শরীরে রয়েছে অস্বাভাবিক কোষ শনাক্ত করে তাকে ধ্বংস করে দেয়ার ক্ষমতা, যা স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতারই অংশ। কোনো কারণে কোনো অস্বাভাবিক কোষ যদি শনাক্ত না হয় বা নষ্ট না হয়ে বেঁচে যায় তাহলে তা এক নতুন ধারার কোষের জন্ম দেয়, যা স্বাভাবিক নিয়ম না মেনে বিভাজন প্রক্রিয়ায় শুধু বাড়তেই থাকে। এ কোষগুলোর বেঁচে থাকা বা মৃত্যু অথবা বিভাজন সব কিছুই অনিয়ন্ত্রিত। স্বাভাবিক নিয়ম এখানে কাজ করে না, আর এভাবেই অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধি ক্যান্সারের জন্ম দেয়।প্রতিরোধ গড়ে তুললে প্রতিকার সম্ভব
এই প্রক্রিয়ার ফলে যে কোনো সময় আমরা যে কেউ ক্যান্সারের ঝুঁকিতে থাকছি। তারপরও আমরা অনেকেই সুস্থ থাকছি কিন্তু কেউ কেউ থাকছি না। সঠিক কারণ জানা না থাকলেও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এমন কিছু অবস্থার কথা আমরা জানি। যেমন আমাদের দৈনন্দিন চলাফেরা, আচার-আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান ও তামাকের ব্যবহার, বিয়ে ও বাচ্চা নেয়ার সঠিক বয়স, বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো, শিল্প-কলকারখানা এবং পরিবেশগত কিছু কারণ, অন্যান্য কিছু রোগ, ভাইরাস, জীবাণু এগুলোর সঙ্গে অনেক ক্যান্সারের খুবই সম্পর্ক রয়েছে। আবার কিছু ক্যান্সার আছে যা বংশগত, জন্মগত কারণে হয়ে থাকে। বাকি ক্যান্সারগুলো কীভাবে হচ্ছে তার হদিস করা সম্ভব হয়নি। যেসব ঝুঁকিগুলোর কথা আমরা বললাম সেগুলো থেকে দূরে থাকতে পারলে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্যান্সার থেকে দূরে থাকা সম্ভব হবে। অর্থাত্ এক-তৃতীয়াংশ ক্যান্সার সম্পূূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য। বাকি দুই-তৃতীয়াংশ ক্যান্সার সরাসরি প্রতিরোধ সম্ভব না হলেও তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে প্রতিকার করা সম্ভব।

যেভাবে প্রতিরোধ করা যায়
এ ক্ষেত্রে যা দরকার তা হলো নিজের শরীর স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা। নিজেকে নিজে যদি আমরা নিয়মিত, এই ধরুন মাসে একবার পরীক্ষা করি তাহলে যে কোনো অস্বাভাবিকতা ছোট অবস্থায়ই চোখে বা হাতে ধরা পড়বে। শরীরের বাইরের অংশগুলো, যেমন ত্বক, হাত-পা, স্তন, মুখের ভেতর—এগুলো জায়গা নিজেরাই খেয়াল রাখা যায়। অস্বাভাবিকতা বলতে আকার আকৃতি বা রংয়ের পরিবর্তন, কোনো ক্ষত বা ঘা, কোনো পিণ্ড বা চাকা ইত্যাদি বোঝায়। এছাড়াও যে কোনো ধরনের শারীরিক কষ্ট বা লক্ষণ যদি দু’সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয় তাহলে সেটা পরীক্ষা করে দেখা উচিত। এভাবে সচেতন থাকলে সাধারণ সব লক্ষণের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্যান্সারও শুরুতেই ধরে ফেলা সম্ভব। ‘শুরুতেই পড়লে ধরা, ক্যান্সার রোগ যায় যে সারা’ বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির স্লোগানটি সত্য বলে প্রমাণিত হবে। অর্থাত্ রোগের শুরুতে সঠিক চিকিত্সা করে ভালো হয়ে যাবার সুযোগ থাকবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজন ক্যান্সার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি। ক্যান্সার কী ধরনের রোগ, কী কী কারণে ঝুঁকি বাড়ে, প্রতিরোধে কী করণীয়, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়ে আমাদের কী ভূমিকা, সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে চিকিত্সক বা চিকিত্সা কর্মীদের কী ভুমিকা ইত্যাদি বিষয়কে একটি নিদিষ্ট নিয়মে নিয়ে আসা এবং সেই লক্ষ্যে যার যার অবস্থানে থেকে কাজ করে যাওয়া, আর এভাবেই ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব।
আসুন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করি
ক্যান্সার চিকিত্সা জটিল ও ব্যয়বহুল, যা বিলম্ব হলে তেমন কার্যকরী হয় না। বাংলাদেশের মতো গরিব দেশের জন্য তাই লক্ষ্য হবে প্রতিকার নয়, এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবছর ‘বিশ্ব ক্যান্সার দিবস’ পালিত হয়। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন এগেইনস্ট ক্যান্সার (ইউআইসিসি)-র প্রতিনিধি বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি। ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে আসুন আমরা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেয়ার অঙ্গীকার করি এবং বিশ্বাস করতে শুরু করি যে, ‘ক্যান্সারও প্রতিরোধযোগ্য’।

Advertisements

একই সাথে ডায়াবেটিস ও বক্ষব্যাধি হলে কী করবেন

ডায়াবেটিস ও বক্ষব্যাধি একে অন্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই এই রোগ দু’টিকে আমরা আখ্যায়িত করে থাকি উসৎদলপ ঞড়সৎদলপ হিসেবে। ডায়াবেটিস হলে শরীরের যেকোনো স্থানে প্রদাহ দেখা দিতে পারে। ত্বকের ওপর বিষাক্ত ফোড়া, গ্যাংগ্রিন ধরনের সমস্যা নিয়ে রোগীরা চিকিৎসকের কাছে আসেন। প্রায় প্রতিদিনই আগত অনেক ডায়াবেটিক রোগীর মধ্যে শরীরের কোনো না কোনো অঙ্গে ইনফেকশনের আলামত লক্ষ করা যায়। তবে এই ব্যাপারটি ঘটে থাকে প্রধানত বয়স্ক রোগীদের বেলায়। কোনো বয়স্ক বক্ষব্যাধি তথা যক্ষ্মা রোগীর ক্ষেত্রে রুটিনমাফিক তার রক্তের গ্লুকোজ অর্থাৎ ডায়াবেটিস পরীক্ষা করিয়ে নেয়া প্রয়োজন।

বর্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ, যা বহুল পরিচিত। আজ অজপাড়াগাঁয়ের মানুষের কাছেও এ নামটি ক্রমেই পরিচিত হয়ে উঠছে। যত দিন যাচ্ছে, মানব সভ্যতা যতই নগরকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে আর মানুষ যতই প্রতিদ্বন্দ্বীমূলক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে চলছে, ডায়াবেটিস ততই যেন মানুষের পেছনে পাগলা ঘোড়ার মতো ধাওয়া করছে। কিছু কিছু মানুষের মধ্যে একটা ধারণা রয়েছে যে, বেশি করে মিষ্টি খেলেই বোধ হয় ডায়াবেটিস হয়। আসলে এটা ঠিক নয়। এই রোগ অনেক কারণেই হয়ে থাকে­ এর মধ্যে বংশানুক্রমিক বা পারিবারিক ইতিহাসই প্রণিধানযোগ্য। অনেকে আবার ভাইরাসকেও আজকাল দায়ী করছেন। তবে আমাদের মধ্যে আরামপ্রিয়তা, ভোজনবিলাসিতা, শরীরের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি এ রোগের প্রকোপকে বাড়িয়ে তুলছে এবং সেটা অনস্বীকার্য। এই রোগে শরীরের অগ্ন্যাশয়ের লেজের দিকে কিছু কোষ অকেজো বা অকার্যকর হয়ে যায়­ ফলে শর্করা জাতীয় খাদ্যের পরিপাকের জন্য অতি প্রয়োজনীয় ইনসুলিনের সঙ্কট দেখা দেয়। রক্ত চিনিমিশ্রিত হয়ে পড়ে অর্থাৎ কোষগুলো আর চিনি পায় না। তাই শরীর আস্তে আস্তে দুর্বল হতে থাকে। ডায়াবেটিস হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পায়। যদি ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে মধ্যে রাখা না যায়, তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার এই ঘাটতি শরীরে যেকোনো জীবাণু সংক্রমণের পরিণত হতে পারে। অপরপক্ষে শরীরে যদি ভয়ঙ্কর জীবাণু সংক্রমণ বা ইনফেকশন দেখা দেয়, যেমন বড় আকারের বিষফোড়া বা নিউমোনিয়া ধরনের বক্ষব্যাধি বা যক্ষ্মা, তখন সুপ্ত ডায়াবেটিস পরিপূর্ণ ডায়াবেটিসে পরিণত হতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীদের তাই সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা খুবই জরুরি। যদি কোনো ডায়াবেটিক রোগীর হঠাৎ করে ওজন কমে যায় কিংবা ইনসুলিনের মাত্রা ঘন ঘন বাড়াতে হয় এবং রোগীর যদি জ্বর-কাশি থাকে তবে অবশ্যই ধরে নিতে হবে যে, সেই রোগী বক্ষব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছেন। বক্ষব্যাধির মধ্যে যক্ষ্মা অন্যতম। ডায়াবেটিস রোগীর যক্ষ্মা ছাড়াও ফুসফুসের মধ্যে যেকোনো জীবাণুঘটিত প্রদাহের সৃষ্টি হয়ে ফোড়া বা খৎষব থদঢ়ধপঢ়ঢ় তৈরি হতে পারে। তবে সব ধরনের বক্ষব্যাধির মধ্যে যক্ষ্মা রোগের আধিক্য রয়েছে। ডায়াবেটিক রোগীর যক্ষ্মা বা ফুসফুসের ফোড়া অর্থাৎ যেকোনো ইনফেকশনই প্রচণ্ড রূপ ধারণ করে। যক্ষ্মা হলে চিকিৎসা পদ্ধতি এবং সময় ও মাত্রা সাধারণ যক্ষ্মার মতোই হবে। তবে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে হবে। নতুবা যক্ষ্মার হাত থেকে রক্ষা পেতে অনেক সময় লাগবে। ডায়াবেটিক রোগীদের যক্ষ্মা বা ফুসফুসের প্রদাহ হলে কাশির সাথে রক্তপাত হওয়ার ভয় অনেক বেড়ে যায় এবং রক্তক্ষরণ রোধ করতেও আমাদের বেশ বেগ পেতে হয়।

তাই ডায়াবেটিক রোগীর কাশি দেখা দিলেই কফ পরীক্ষা এবং বুকের এক্স-রে করাতে হবে এবং প্রত্যেক ডায়াবেটিক রোগীকে এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। এ রোগটি এমন একটি রোগ, যা যেকোনো সময় যেকোনো ইনফেকশনের জন্ম দিতে পারে। সঠিক সময়ে সঠিক রোগটি চিহ্নিত করতে পারলে একজন ডায়াবেটিক রোগীও পারেন সুস্থ জীবনের স্বাদ গ্রহণ করতে।

নবী জীবন : একান্ত আচরণের সৌন্দর্য

সর্বশ্রেষ্ঠ পয়গম্বর হজরত মুহাম্মদকে (সা.) মহান রাব্বুল আলামিন এমন এক সময় পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন, যখন আরবসহ গোটা বিশ্ব অন্ধকারে আচ্ছন্ন ছিল। সে সময় মানবতা, সভ্যতা ও ইনসাফ সমাজে ছিল অনুপস্থিত। এ অবস্থায় আল্লাহতায়ালা মহানবীকে (সা.) উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং অতুলনীয় মানবিক গুণাবলী দান করে মানবজাতির হেদায়েতের জন্য প্রেরণ করেন। হজরত আলী (রা.) যিনি মহানবীর (সা.) নবুওয়তের প্রথম থেকে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁর খেদমতে ছিলেন, হজরত ইমাম হুসাইন (সা.) একদিন তাঁর কাছে মহানবীর (সা.) চরিত্র ও স্বভাব সম্পর্কে প্রশ্ন করলে জবাবে তিনি বললেন, ‘তিনি হাসিমুখ, নম্র স্বভাব ও দয়ালু প্রকৃতির লোক ছিলেন; কঠোর স্বভাব, সংকীর্ণ হৃদয়ের ছিলেন না। কথায় কথায় কলহ করতেন না, কোনো ধররের মন্দ বাক্য কখনও উচ্চারণ করতেন না। কোনো কথা তাঁর পছন্দ না হলে তা থেকে বিরত থাকতেন। তাঁর কাছে কেউ কোনো কিছুর আবদার করলে তাকে নিরাশ করতেন না। না-মঞ্জুরির কথাও প্রকাশ করতেন না। অর্থাত্ প্রকাশ্যভাবে নিষেধ বা প্রত্যাখ্যান করতেন না। বরং তা পূরণ করা সম্ভব না হলে নীরব থাকতেন। ফলে বিচক্ষণ ব্যক্তিরা সে নীরবতার মধ্যেই উদ্দেশ্য বুঝে নিতে পারত। তিনি নিজের জীবন থেকে তিনটি বিষয়কে সম্পূর্ণ দূর করে দিয়েছিলেন। যেমন—পরস্পরে তর্ক করা, প্রয়োজনাতিরিক্ত কথা বলা এবং লক্ষ্যহীন কোনো কিছুর পেছনে লেগে থাকা। অপর লোকদের ক্ষেত্রেও তিনি তিনটি বিষয়ে সংযমী ছিলেন। কাউকে মন্দ বলতেন না, কাউকে দোষারোপ করতেন না এবং কারও অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে অনুসন্ধানে লিপ্ত থাকতেন না। যে কথা মানুষের কল্যাণকর তাই বলতেন। কথোপকথনের সময় সাহাবিরা এমন নীরব ও নতশিরে তা শুনতেন, যাতে মনে হতো যেন তাঁদের মাথায় পাখি বসে আছে। যখন তাঁর কথা বলা শেষ হতো তখন সাহাবিরা পরস্পরে কথাবার্তা বলতেন।

কেউ কোনো কথা বলা শুরু করলে তার কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নীরবে শুনতে থাকতেন। যে কথায় মানুষ হাসত, তিনিও সে কথায় মুচকি হাসতেন। যাতে মানুষ বিস্মিত হতো, তিনিও তাতে বিস্মিত হতেন। বহিরাগত কোনো ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে ঔদ্ধত্যের সঙ্গে কথা বললে তা তিনি সহ্য করে নিতেন। লোকমুখে নিজের প্রশংসা শোনা পছন্দ করতেন না। কিন্তু যদি কেউ অনুগ্রহ ও দানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করত, তা গ্রহণ করতেন। যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি তার কথা বলা শেষ না করত, ততক্ষণ তার মাঝে ছেদ টানতেন না। তিনি অত্যন্ত উদার, সত্যবাদী ও অতিশয় নম্র স্বভাবের ছিলেন। তাঁর সাহচর্য ছিল মহোত্তম। তাঁর এমন ব্যক্তিত্বপূর্ণ চেহারা ছিল, অকস্মাত্ দেখলে অন্তর কেঁপে উঠত। কিন্তু যতই ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে থাকত, ততই ভালোবাসা দৃঢ়তর হতো। রাসুলুল্লাহের (সা.) কোলে লালিত হিন্দ ইবনে আবিহাল্লা বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) নম্র স্বভাবী ছিলেন, কঠোর প্রকৃতির ছিলেন না। কারও প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করা ভালো মনে করতেন না। সামান্য বিষয়েও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন। যদি কেউ সত্যের বিরোধিতা করত, তাহলে রাগান্বিত হয়ে যেতেন, কিন্তু ব্যক্তিগত কাজে তার পূর্ণ সহযোগিতা করতেন। ব্যক্তিগত ব্যাপারে কখনও তাঁর ক্রোধের উদয় হতে দেখা যায়নি এবং কারও কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি।

 

নাকের অ্যালার্জি কারণ ও প্রতিকার

অ্যালার্জি সর্দি একটি নাকের সমস্যা যা আইজিই এন্টিবডির মাধ্যমে নাসিকা ঝিল্লির সংক্রমণের ফলে হয়ে থাকে মূলত উদ্দীপকদের উদঘাটনের ফলে। অ্যালার্জি সর্দি একটি বিশ্বময় স্বাস্থ্য সমস্যা। এর ব্যাপ্তি চারদিকে। শতকরা ১০-২৫ ভাগ জনসমষ্টি এ রোগের শিকার। দিনে দিনে এ রোগের ব্যাপ্তি বাড়ছে। যদিও অ্যালার্জি সর্দি একটি মারাত্মক রোগ নয়, তবে এ রোগের কারণে দৈনন্দিন জীবনপ্রবাহ ব্যাহত হয়। শিশুদের স্কুলের শিক্ষা বাধাগ্রস্ত এবং সর্বোপরি চাকরিজীবীদের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ অপরিসীম। হাঁপানি এবং অ্যালার্জি সর্দি উভয়ই অতি প্রচলিত সহ-ব্যাধি, যা ‘একই শ্বাসনালীর একই সমস্যা’ বলে পরিচিতি।
মাঝে মাঝে অ্যালার্জি এক অসহনীয় জটিল রোগ হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে অ্যালার্জির প্রকোপ দিন দিন বেড়ে চলেছে। এ রোগ জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। আবার কখনও কখনও এটি সামাজিক সমস্যাও সৃষ্টি করে। যেমন—আপনি একটি অনুষ্ঠানে গেলেন, হঠাত্ করে শুরু হলো অসহ্য চুলকানি, সমস্যাটি তখন খুবই লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আবার যদি হাঁচিসহ শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়, তখন তো এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। অর্থাত্ এ রোগকে এক অসহ্য বিড়ম্বনা মনে হয়।
অ্যালার্জির কারণ
ধুলাবালি, ফুলের রেণু, মাইট, খাদ্য, পশু-পাখির লোম ও পাখনা, পোকামাকড়ের হুল ও কামড়, কেমিক্যালস, ওষুধ, কসমেটিক্স এবং কন্টাক্ট এলার্জেন ইত্যাদি। এছাড়াও গাড়ি নির্গত ধোঁয়া, শিল্প-কারখানার বিভিন্ন উপাদানও অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। বিশেষ কিছু পদার্থ যখন শরীরের সংস্পর্শে আসে, তখন শরীরে এক অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। যেমন—সর্দি, চুলকানি, ত্বক ফুলে যাওয়া, হাঁচি-কাশি ইত্যাদি। এই সৃষ্ট অস্বাভাবিক উপসর্গগুলোই হলো অ্যালার্জি। 

অ্যালার্জির জটিলতা
অ্যালার্জির সুচিকিত্সা না হলে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। নাকের অ্যালার্জি সর্দি থেকে
শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ রোগীর হাঁপানি হতে
পারে। নাকের অ্যালার্জি সর্দি থেকে
সাইনোসাইটিস, চোখের কনজাংটিভাইটিস, নাকের পলিপও হতে পারে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা
অ্যালার্জির সঠিক চিকিত্সার জন্য কিছু ল্যাব-পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে। যেমন—রক্ত, প্রস্রাব ও মলের রুটিন পরীক্ষা, রক্তের সুগার, আইজিই এন্টিবডি ইত্যাদি। প্রয়োজনে বুকের, নাকের ও সাইনাসের এক্সরে করে দেখা যেতে পারে।

অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও আধুনিক বৈজ্ঞানিক চিকিত্সা
অ্যালার্জি প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হলো কারণগুলো শনাক্ত করে তা এড়িয়ে চলা। বিশেষ করে রোগীকে খুব সতর্কতার সঙ্গে খুঁজে বের করতে হবে তার শরীরে কী কী কারণে অ্যালার্জি হয়। অ্যালার্জি চিকিত্সার বিভিন্ন ধাপ হলো—হেলথ এডুকেশন, ওষুধপত্র এবং অন্যান্য চিকিত্সা করা।
রোগের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস জানতে হবে এবং অ্যালার্জির প্রকৃত কারণ শনাক্ত করে পরে ভ্যাকসিনের মাধ্যমে ডিসেনসিটাইজেশন করা যেতে পারে। তবে তা প্রচলিত আধুনিক চিকিত্সার সঙ্গে সমন্বয় করে করতে হবে। এ রোগের চিকিত্সা একজন অভিজ্ঞ অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে করতে হবে।
আগে এমন ধারণা ছিল যে, অ্যালার্জি হলে আর ভালো হয় না। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক বৈজ্ঞানিক চিকিত্সা সে ধারণাকে ভুল প্রমাণিত করেছে। মনে রাখতে হবে, হাতুড়ে ডাক্তারের খপ্পরে পড়ে ভুল চিকিত্সা দীর্ঘস্থায়ী জটিলতার সৃষ্টি করে, এমনকি মৃত্যুও ঘটাতে পারে। নিজে নিজে অথবা ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে অ্যালার্জির চিকিত্সা করা ঠিক নয়। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ সেবন করলে অনেক সময় জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে অ্যালার্জির চিকিত্সা অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ, ত্বক ও অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে নিতে হবে। তাহলে অ্যালার্জির দুঃসহ যাতনা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

পিসি কেনার আগে

অনেকেরই হয়তো এখনও পিসি কেনা হয়নি, কিন্তু ভাবছেন একটি নতুন পিসি

কিনবেন। পিসি কেনা নিয়ে পড়েছেন এক নতুন চিন্তায়। কী ধরনের পিসি কিনবেন,
ব্র্যান্ড না ক্লোন? এ বিষয়ে প্রতিবেদন লিখেছেন—আহসান হাবিব 

বাজেট : সর্বপ্রথম আপনাকে বাজেট নির্ধারণ করতে হবে। প্রত্যেকেরই কমবেশি বাজেট থাকে। সুতরাং আপনিও এর ব্যতিক্রম নন। এমনও হতে পারে আপনার বাজেট ৩০ হাজার টাকা কিন্তু পিসি কেনার সময় দেখা যাচ্ছে আপনাকে আরও অতিরিক্ত ৪/৫ হাজার টাকা যোগ করতে হচ্ছে। ব্র্যান্ড পিসি কিনলে বাজেট অবশ্যই একটু বেশি থাকতে হবে।
পিসির গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইসগুলো এবং গাইডলাইন : পিসি ব্র্যান্ড বা ক্লোন, লো-কোয়ালিটি বা হাই-কোয়ালিটি যাই কিনুন না কেন, আপনার পিসির যন্ত্রাংশ/ডিভাইসগুলো সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকলে খুব উপকারে আসবে।
প্রসেসর : প্রসেসর হচ্ছে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক। প্রসেসর কেনার আগে আপনাকে সর্বাধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আপনাকে প্রসেসর পরিবর্তন নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়। কেনার সময় দেখে নিন প্রসেসরটি কোন দেশের তৈরি, কুলিং ফ্যান সুবিধা ইত্যাদি। বাজারে সাধারণত ইন্টেল, এএমডি প্রভৃতি প্রসেসর পাওয়া যায়।
মাদারবোর্ড : মাদারবোর্ড কেনার সময় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে চিপসেট এবং ব্র্যান্ডের ওপর। তাছাড়া বাস স্পিড, র্যাম স্লট, বিভিন্ন পোর্ট যেমন—ইউএসবি, পিএসটু ইত্যাদি। কম্পিউটার বাজারগুলোয় প্রসেসর এবং মাদারবোর্ডের সমন্বিত প্যাকেজ পাওয়া যাচ্ছে।
হার্ডডিস্ক : হার্ডডিস্কে সব ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে। হার্ডডিস্কের পারফরমেন্স নির্ভর করে এর স্পিডের ওপর। হার্ডডিস্কের স্পিড পরিমাপ করা হয় জচগ (Rotation Per Minute) দ্বারা।
র্যাম : কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি ডিভাইস। ডেটা হার্ডডিস্কে স্থায়ীভাবে রাখার আগ পর্যন্ত র্যামেই অবস্থান করে। আপনি যত বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবেন আপনাকে তত বেশি র্যাম ব্যবহার করতে হবে। র্যামের অন্যতম প্রধান বিষয় হচ্ছে এর বাস স্পিড, যা মাদারবোর্ডের সঙ্গে মিল রেখে কিনতে হয়।
সিডিরম ড্রাইভ : সফটওয়্যার, গান প্রভৃতি এখন সিডিতে পাওয়া যায়। তাই সিডিরম ড্রাইভ খুব অত্যাবশ্যকীয় একটি ডিভাইস, যা ছাড়া পিসির পূর্ণতা আসবে না।
সিডি রাইটার : আপনি যদি সিডিতে প্রচুর ব্যাকআপ রাখার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার উচিত হবে সিডি রাইটার ব্যবহার করা। সিডি রাইটার থাকলে আপনি অনেক সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। তবে যাদের একান্তই প্রয়োজন শুধু তারাই এটা ব্যবহার করবেন, অযথা সিডি রাইটার না কেনাই ভালো।
ডিভিডি রম ড্রাইভ : আপনার পিসিতে যদি ডিভিডি দেখতে চান তাহলে ডিভিডি রম ড্রাইভ প্রয়োজন। আজকাল ডিভিডি রমের চাহিদাই বেশি। আবার প্রয়োজন হলে ডিভিডি রাইটারও ব্যবহার করতে পারেন।
মনিটর : মনিটর কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট ডিভাইস। আমরা যা কিছু ইনপুট দেই না কেন, তা আমরা মনিটরের মাধ্যমে দেখতে পাই। মনিটর কেনার সময় কালার পারফরমেন্স, ভিউ, ব্রাইটনেস বা রেজ্যুলেশন দেখে নিন। আর অবশ্যই ওয়ারেন্টির বিষয়টি মাথায় রাখবেন।
গ্রাফিক্স কার্ড : গ্রাফিক্স কার্ডের কাজ হলো প্রসেসকৃত সব ডেটার আউটপুট ডিসপ্লেতে পাঠিয়ে দেয়া। আমরা মনিটরে যা কিছু দেখতে পাই তা গ্রাফিক্স বা এজিপি কার্ডের কল্যাণে। গ্রাফিক্স কার্ড বর্তমানে মাদারবোর্ডের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়া যায়। তবে যদি আপনি থ্রিডি, হাই-কোয়ালিটি গেমস ও গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে ভালো মানের ও ভালো চিপসেটের গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করতে হবে।
সাউন্ড কার্ড : বর্তমানে মাদারবোর্ডের সঙ্গেই সাউন্ড কার্ড বিল্ট-ইন থাকে। খুব ভালো পারফরমেন্স পেতে হলে আপনাকে সাউন্ড কার্ড কিনতে হবে। সাউন্ড কার্ড কেনার সময় চিপসেটটি ভালো কোম্পানির কিনা দেখে নিন।
স্পিকার : যারা গান পছন্দ করেন, স্পিকার তাদের জন্য বাধ্যতামূলক। স্পিকারের মাধ্যমেই আপনি যে কোনো শব্দ শুনতে পারেন। তবে স্পিকার কেনার আগে একটু ভালোভাবে দেখেশুনে কিনবেন এবং স্পিকার ও সাউন্ড কার্ডের সঙ্গে যেন সামঞ্জস্য থাকে।
প্রিন্টার : প্রিন্টার অন্যতম একটি আউটপুট ডিভাইস। প্রিন্টার খুবই প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্রাংশ, যার মাধ্যমে আমরা পিসিতে করা কাজগুলোকে প্রিন্ট দিতে সক্ষম হই। জেট প্রিন্টার দামে একটু সস্তা এবং লেজার প্রিন্টার দাম একটু বেশি হয়ে থাকে। তাছাড়া প্রিন্টার ব্ল্যাক হোয়াইট এবং কালার দু’ধরনেরই সব স্থানে পাওয়া যায়।
সফটওয়্যার : পিসির জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম একটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে। উইন্ডোজ বা লিনাক্স যে কোনোটিই আপনি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার অতি শখের পিসি, যাতে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পারে সেজন্য ব্যবহার করতে হবে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার। এরপর আপনি যত ইচ্ছা আপনার চাহিদা অনুযায়ী প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
অন্যান্য : কিবোর্ড, মাউস ছাড়াও পিসিতে ব্যবহারযোগ্য আরও বহুবিধ ডিভাইস ও আইটি পণ্য রয়েছে, যা আপনি ইচ্ছা করলেই ব্যবহার করতে পারেন। যেমন—পেনড্রাইভ, ওয়েবক্যাম, ইউপিএস, স্ক্যানার, স্ট্যাবিলাইজার, ফ্যাক্স মডেম, টিভি কার্ড প্রভৃতি।

ব্যথানাশক হিসাবে তিল

ব্যথানাশক হিসাবে তিল

তিল খুব ভাল ব্যথানাশক। এতে সাত ধরনের ব্যথানাশক যৌগ রয়েছে। দাঁতের ব্যথায় উপশম পেতে ও আপনি তিলকে বেছে নিতে পারেন। কিভাবে ব্যবহার করবেন? এক ভাগ তিলের সাথে তিন ভাগ পানি নিয়ে সিদ্ধ করতে থাকুন। মিশ্রণটি শুকিয়ে অধের্ক হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। এবার ঠান্ডা করুন এবং সরাসরি দাঁতে মাখুন। ব্যাথা সেরে যাবে।

আলসার প্রতিরোধে তেল

অলিভ ওয়েল, সূর্ষমুখীর তেল, মাছের তেল পাকস্থলীর আলসার প্রতিরোধ করে। সমপ্রতি এই তথ্যটি পাওয়া গেছে আমেরিকান কলেজ অব গ্যাস্ট্রো এন্টারোলজি’র গবেষকদের কাছ থেকে। তাঁদের ভাষ্যমতে এসব তেলে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা হেলিও ব্যাকটার পাইলোরি নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। তবে নারিকেল তেল, পামঅয়েল বা এ জাতীয় অন্য কোন তেলের এ জাতীয় গুন আছে বলে জানা যায়নি।

বাংলায় ইসলামিক কিছু সাইট

১. কোরআন শরীফ

http://quraanshareef.org/
২. হাদিস শরীফ
http://www.hadithshareef.org/
৩. বাংলা কিতাব
http://www.banglakitab.com/index.htm
৪. বিভিন্ন ইসলামিক আর্টিকেল পড়তে
http://islamibd.com/home
৫. কোরআন শরীফের এমপিথ্রি ডাউনলোড করতে চাইলে
http://freequranmp3.com
৬. ইসলাম পিডিয়া
http://islampedia.info/index.php
৭. জাকাত গাইড
http://www.zakatguide.org
৮. ইসলাম হাউস
http://www.islamhouse.com/s/9739
৯. ইসলাম নামাজ ও তাসাউফ শিক্ষা
http://www.intsbanglabook.com
১০. বিডি ইসলাম
http://www.bdislam.com
১১. ইসলাম নেটডটকম
http://www.islam.net.bd
১২. মাসিক-আত-তাহরীক
http://www.at-tahreek.com
১৩. কোরআন শরীফ (আরবি-বাংলা ও ইংরেজি অর্থসহ)
http://islamdharma.com/
১৪. কোরআন শরীফ এমপি থ্রি (আরবি-বাংলা-ইংরেজি)
http://quranbangla.weebly.com/index.html
১৫. কোরআনের আলো
http://www.quraneralo.com

%d bloggers like this: