পিসি কেনার আগে

অনেকেরই হয়তো এখনও পিসি কেনা হয়নি, কিন্তু ভাবছেন একটি নতুন পিসি

কিনবেন। পিসি কেনা নিয়ে পড়েছেন এক নতুন চিন্তায়। কী ধরনের পিসি কিনবেন,
ব্র্যান্ড না ক্লোন? এ বিষয়ে প্রতিবেদন লিখেছেন—আহসান হাবিব 

বাজেট : সর্বপ্রথম আপনাকে বাজেট নির্ধারণ করতে হবে। প্রত্যেকেরই কমবেশি বাজেট থাকে। সুতরাং আপনিও এর ব্যতিক্রম নন। এমনও হতে পারে আপনার বাজেট ৩০ হাজার টাকা কিন্তু পিসি কেনার সময় দেখা যাচ্ছে আপনাকে আরও অতিরিক্ত ৪/৫ হাজার টাকা যোগ করতে হচ্ছে। ব্র্যান্ড পিসি কিনলে বাজেট অবশ্যই একটু বেশি থাকতে হবে।
পিসির গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইসগুলো এবং গাইডলাইন : পিসি ব্র্যান্ড বা ক্লোন, লো-কোয়ালিটি বা হাই-কোয়ালিটি যাই কিনুন না কেন, আপনার পিসির যন্ত্রাংশ/ডিভাইসগুলো সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকলে খুব উপকারে আসবে।
প্রসেসর : প্রসেসর হচ্ছে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক। প্রসেসর কেনার আগে আপনাকে সর্বাধিক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে আপনাকে প্রসেসর পরিবর্তন নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়। কেনার সময় দেখে নিন প্রসেসরটি কোন দেশের তৈরি, কুলিং ফ্যান সুবিধা ইত্যাদি। বাজারে সাধারণত ইন্টেল, এএমডি প্রভৃতি প্রসেসর পাওয়া যায়।
মাদারবোর্ড : মাদারবোর্ড কেনার সময় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে চিপসেট এবং ব্র্যান্ডের ওপর। তাছাড়া বাস স্পিড, র্যাম স্লট, বিভিন্ন পোর্ট যেমন—ইউএসবি, পিএসটু ইত্যাদি। কম্পিউটার বাজারগুলোয় প্রসেসর এবং মাদারবোর্ডের সমন্বিত প্যাকেজ পাওয়া যাচ্ছে।
হার্ডডিস্ক : হার্ডডিস্কে সব ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে। হার্ডডিস্কের পারফরমেন্স নির্ভর করে এর স্পিডের ওপর। হার্ডডিস্কের স্পিড পরিমাপ করা হয় জচগ (Rotation Per Minute) দ্বারা।
র্যাম : কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি ডিভাইস। ডেটা হার্ডডিস্কে স্থায়ীভাবে রাখার আগ পর্যন্ত র্যামেই অবস্থান করে। আপনি যত বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবেন আপনাকে তত বেশি র্যাম ব্যবহার করতে হবে। র্যামের অন্যতম প্রধান বিষয় হচ্ছে এর বাস স্পিড, যা মাদারবোর্ডের সঙ্গে মিল রেখে কিনতে হয়।
সিডিরম ড্রাইভ : সফটওয়্যার, গান প্রভৃতি এখন সিডিতে পাওয়া যায়। তাই সিডিরম ড্রাইভ খুব অত্যাবশ্যকীয় একটি ডিভাইস, যা ছাড়া পিসির পূর্ণতা আসবে না।
সিডি রাইটার : আপনি যদি সিডিতে প্রচুর ব্যাকআপ রাখার কথা ভেবে থাকেন তাহলে আপনার উচিত হবে সিডি রাইটার ব্যবহার করা। সিডি রাইটার থাকলে আপনি অনেক সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। তবে যাদের একান্তই প্রয়োজন শুধু তারাই এটা ব্যবহার করবেন, অযথা সিডি রাইটার না কেনাই ভালো।
ডিভিডি রম ড্রাইভ : আপনার পিসিতে যদি ডিভিডি দেখতে চান তাহলে ডিভিডি রম ড্রাইভ প্রয়োজন। আজকাল ডিভিডি রমের চাহিদাই বেশি। আবার প্রয়োজন হলে ডিভিডি রাইটারও ব্যবহার করতে পারেন।
মনিটর : মনিটর কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট ডিভাইস। আমরা যা কিছু ইনপুট দেই না কেন, তা আমরা মনিটরের মাধ্যমে দেখতে পাই। মনিটর কেনার সময় কালার পারফরমেন্স, ভিউ, ব্রাইটনেস বা রেজ্যুলেশন দেখে নিন। আর অবশ্যই ওয়ারেন্টির বিষয়টি মাথায় রাখবেন।
গ্রাফিক্স কার্ড : গ্রাফিক্স কার্ডের কাজ হলো প্রসেসকৃত সব ডেটার আউটপুট ডিসপ্লেতে পাঠিয়ে দেয়া। আমরা মনিটরে যা কিছু দেখতে পাই তা গ্রাফিক্স বা এজিপি কার্ডের কল্যাণে। গ্রাফিক্স কার্ড বর্তমানে মাদারবোর্ডের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়া যায়। তবে যদি আপনি থ্রিডি, হাই-কোয়ালিটি গেমস ও গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে ভালো মানের ও ভালো চিপসেটের গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করতে হবে।
সাউন্ড কার্ড : বর্তমানে মাদারবোর্ডের সঙ্গেই সাউন্ড কার্ড বিল্ট-ইন থাকে। খুব ভালো পারফরমেন্স পেতে হলে আপনাকে সাউন্ড কার্ড কিনতে হবে। সাউন্ড কার্ড কেনার সময় চিপসেটটি ভালো কোম্পানির কিনা দেখে নিন।
স্পিকার : যারা গান পছন্দ করেন, স্পিকার তাদের জন্য বাধ্যতামূলক। স্পিকারের মাধ্যমেই আপনি যে কোনো শব্দ শুনতে পারেন। তবে স্পিকার কেনার আগে একটু ভালোভাবে দেখেশুনে কিনবেন এবং স্পিকার ও সাউন্ড কার্ডের সঙ্গে যেন সামঞ্জস্য থাকে।
প্রিন্টার : প্রিন্টার অন্যতম একটি আউটপুট ডিভাইস। প্রিন্টার খুবই প্রয়োজনীয় একটি যন্ত্রাংশ, যার মাধ্যমে আমরা পিসিতে করা কাজগুলোকে প্রিন্ট দিতে সক্ষম হই। জেট প্রিন্টার দামে একটু সস্তা এবং লেজার প্রিন্টার দাম একটু বেশি হয়ে থাকে। তাছাড়া প্রিন্টার ব্ল্যাক হোয়াইট এবং কালার দু’ধরনেরই সব স্থানে পাওয়া যায়।
সফটওয়্যার : পিসির জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম একটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে হবে। উইন্ডোজ বা লিনাক্স যে কোনোটিই আপনি ব্যবহার করতে পারেন। আপনার অতি শখের পিসি, যাতে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পারে সেজন্য ব্যবহার করতে হবে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার। এরপর আপনি যত ইচ্ছা আপনার চাহিদা অনুযায়ী প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
অন্যান্য : কিবোর্ড, মাউস ছাড়াও পিসিতে ব্যবহারযোগ্য আরও বহুবিধ ডিভাইস ও আইটি পণ্য রয়েছে, যা আপনি ইচ্ছা করলেই ব্যবহার করতে পারেন। যেমন—পেনড্রাইভ, ওয়েবক্যাম, ইউপিএস, স্ক্যানার, স্ট্যাবিলাইজার, ফ্যাক্স মডেম, টিভি কার্ড প্রভৃতি।

Advertisements

ব্যথানাশক হিসাবে তিল

ব্যথানাশক হিসাবে তিল

তিল খুব ভাল ব্যথানাশক। এতে সাত ধরনের ব্যথানাশক যৌগ রয়েছে। দাঁতের ব্যথায় উপশম পেতে ও আপনি তিলকে বেছে নিতে পারেন। কিভাবে ব্যবহার করবেন? এক ভাগ তিলের সাথে তিন ভাগ পানি নিয়ে সিদ্ধ করতে থাকুন। মিশ্রণটি শুকিয়ে অধের্ক হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। এবার ঠান্ডা করুন এবং সরাসরি দাঁতে মাখুন। ব্যাথা সেরে যাবে।

আলসার প্রতিরোধে তেল

অলিভ ওয়েল, সূর্ষমুখীর তেল, মাছের তেল পাকস্থলীর আলসার প্রতিরোধ করে। সমপ্রতি এই তথ্যটি পাওয়া গেছে আমেরিকান কলেজ অব গ্যাস্ট্রো এন্টারোলজি’র গবেষকদের কাছ থেকে। তাঁদের ভাষ্যমতে এসব তেলে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা হেলিও ব্যাকটার পাইলোরি নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। তবে নারিকেল তেল, পামঅয়েল বা এ জাতীয় অন্য কোন তেলের এ জাতীয় গুন আছে বলে জানা যায়নি।

বাংলায় ইসলামিক কিছু সাইট

১. কোরআন শরীফ

http://quraanshareef.org/
২. হাদিস শরীফ
http://www.hadithshareef.org/
৩. বাংলা কিতাব
http://www.banglakitab.com/index.htm
৪. বিভিন্ন ইসলামিক আর্টিকেল পড়তে
http://islamibd.com/home
৫. কোরআন শরীফের এমপিথ্রি ডাউনলোড করতে চাইলে
http://freequranmp3.com
৬. ইসলাম পিডিয়া
http://islampedia.info/index.php
৭. জাকাত গাইড
http://www.zakatguide.org
৮. ইসলাম হাউস
http://www.islamhouse.com/s/9739
৯. ইসলাম নামাজ ও তাসাউফ শিক্ষা
http://www.intsbanglabook.com
১০. বিডি ইসলাম
http://www.bdislam.com
১১. ইসলাম নেটডটকম
http://www.islam.net.bd
১২. মাসিক-আত-তাহরীক
http://www.at-tahreek.com
১৩. কোরআন শরীফ (আরবি-বাংলা ও ইংরেজি অর্থসহ)
http://islamdharma.com/
১৪. কোরআন শরীফ এমপি থ্রি (আরবি-বাংলা-ইংরেজি)
http://quranbangla.weebly.com/index.html
১৫. কোরআনের আলো
http://www.quraneralo.com

ভেন্যু পরিচিতি

শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম

প্রতিষ্ঠা : ২০০৬ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ২৮ হাজার
বিশ্বকাপের ম্যাচ : ৬টি
বাংলাদেশের বাঘ খ্যাত শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের নামানুসারে স্টেডিয়ামটির নামকরণ করা হয়েছে। মাঠটি প্রাথমিকভাবে আকারে আয়তক্ষেত্রাকার ছিল। কারণ এটি ফুটবল মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পরে এই মাঠ ক্রিকেটের জন্য সংস্কার করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার মিরপুরের ৬ নং সেক্টরে এটি অবস্থিত। স্টেডিয়ামে দর্শকদের বসার জন্য ২৮ হাজার চেয়ার বসানো হয়েছে। এখানে ফ্লাডলাইটের পরিবর্তে টিবুলার ফ্লাডলাইট লাগানো হয়েছে, যা বাংলাদেশে এই প্রথম। আরও থাকছে স্কোর বোর্ড, সিসিটিভি, ৬০ ফুট জায়ান্ট স্ক্রিন, গ্যালারি শেড, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেনোপি, মিডিয়া সেন্টার। এছাড়া হসপিটালিটি বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এটি বিশ্বের অত্যাধুনিক স্টেডিয়ামগুলোর একটি। এখানের স্লো উইকেট সবসময়ই বোলারদের জন্য আশীর্বাদ।

ফিরোজ শাহ কোটলা
প্রতিষ্ঠা : ১৮৮৩ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৪৮ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৪টি
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির অনেকটা কেন্দ্রস্থলে সাড়ে ছয়শ’ বছরের পুরনো দুর্গের সামনে অবস্থিত ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামটি অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে এটি উইলিংডন প্যাভিলিয়ন নামে পরিচিত ছিল। এ মাঠেই অনিল কুম্বলে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে এক ম্যাচেই ১০ উইকেট পেয়েছিলেন। এটার পিচ বেশ বাউন্সি হওয়ার কারণে ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে ভারত-শ্রীলঙ্কার ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়। পরে পিচ সংস্কারের পর এটি বিশ্বকাপের ভেন্যুর মর্যাদা পায়।

এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯১৬ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৫০ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৪টি
ভারতের চেন্নাইয়ে এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম এক সময় চিপক স্টেডিয়াম ও মাদ্রাজ ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ড নামে পরিচিত ছিল। ১৯৩৪ সালের পর থেকে এখানে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চিদাম্বরমের আবহাওয়া ও দর্শকরা ম্যাচের সবচেয়ে সহায়ক শক্তি। ১৯৯৪ সালে স্বাগতিকদের বিপক্ষে সফররত পাকিস্তানের সাঈদ আনোয়ার ওয়ানডে ম্যাচে ১৯৪ রানের রেকর্ড গড়ার পর চেন্নাইয়ের দর্শকরা দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে ভুল করেনি।

মুত্তিয়া মুরলিধরন স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ২০০৯ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৩৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৩টি
শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডি শহরে স্টেডিয়ামটি অবস্থিত। ২০১০ সালের জুলাই মাসে এটির নাম পাল্টে বর্তমান নাম রাখা হয়। ৮ মার্চ পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ওয়ানডে ম্যাচ দিয়েই এ স্টেডিয়ামটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচের উদ্বোধন হবে। আর চলতি বছরের ৫ ডিসেম্বর এখানে প্রথম টেস্টে স্বাগতিকরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলবে।

বিধর্ভা ক্রিকেট স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ২০০৮ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৪৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৪টি
পশ্চিম ভারতের বিধর্ভা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম নাগপুরের নগর কেন্দ্র থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ৩৩ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামে রয়েছে সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। এটা নিউ ভিসিএ স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৬৯ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৫০ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৬টি
ভারতের ব্যাঙ্গালোরের এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম এক সময় কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। এম চিন্নাস্বামী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৪-৭৫ সেশনে এটি টেস্ট ভেন্যুর মর্যাদা পায়। ওই ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গ্রেট গর্ডন গ্রিনিজ ও ভিভ রিচার্ডসের টেস্ট অভিষেক ঘটে। এটি সফররত দলের বেশ ফেভারিট ভেন্যু। কারণ ১৯৮৭ সালের পর থেকে এই মাঠে সফররতরা বেশি জয় পাচ্ছে। মাইকেল ক্লার্কের অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি, ইনজামামের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি ও অনিল কুম্বলের ৪০০তম টেস্ট উইকেট এই মাঠেই সম্পন্ন হয়েছিল।

সরদার প্যাটেল স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৮২ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৫৪ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৩টি
ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদ শহরের প্রান্তেই ৫০ একর জায়গাজুড়ে এটি অবস্থিত। মাত্র ৯ মাসে এটির নির্মাণ শেষ হয়। এটি মোতিরা স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত। ১৯৮৩ সালের নভেম্বরে এই স্টেডিয়ামে সুনীল গাভাস্কার টেস্টে ১০ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়ে দেন এবং এর ৭ বছর পর কপিল দেব পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪৩২তম উইকেট নিয়ে রিচার্ড হেডলির গড়া রেকর্ড ভাঙেন।

ওয়াংখেড় স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৭৪ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৪৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৩টি
ভারতের বিনোদন ও ক্রিকেট রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুম্বাইয়ে ২০১১ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সাগর তীরের এই স্টেডিয়ামটি ভারতের অন্যতম স্টেডিয়াম হিসেবে স্বীকৃত। এটা মুম্বাইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামের ধারেকাছেই নির্মিত হয়েছে। ভারতীয় তারকা বিজয় মার্চেন্ট, সুনীল গাভাস্কার এবং শচীন টেন্ডুলকারের প্রিয় স্টেডিয়াম এটি।

প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৮৬ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৩৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৭টি
শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামটি এক সময় খিত্তারামা স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। এটি জলাভূমির উপর তৈরি করা হয়েছে। ১৯৯৪ সালে এটি বর্তমান নাম ধারণ করে দেশটির প্রয়াত প্রেসিডেন্ট রানাসিঙ্গে প্রেমাদাসার নামানুসারে। বিশ্বকাপ উপলক্ষে এটির ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন হয়েছে।

ইডেন গার্ডেন্স
প্রতিষ্ঠা : ১৮৬৪ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৯০ হাজার
বিশ্বকাপের ম্যাচ : ২টি
এমসিসির মতো ক্রিকেট ইতিহাসের স্মারক হয়ে আছে ভারতের কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স। ১৯৩৪ সালে ডগলাস জার্ডিনের দল এখানে টেস্ট খেলে। তখন থেকে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের তীর্থ। এ মাঠে একাধিক ম্যাচ নিয়ে দাঙ্গা হয়েছে। তারপরও অনেক আকর্ষণীয় ম্যাচের সাক্ষী হয়ে আছে ইডেন গার্ডেন্স।

জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ২০০০ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ২০ হাজার
বিশ্বকাপের ম্যাচ : ২টি
বাংলাদেশের চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী মাঠটি আইসিসি অনুমোদিত টেস্ট প্লেয়িং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠগুলোর একটি। এটি এক সময় বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন মাঠ ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় মাঠ হিসেবেও পরিচিত ছিল। এই মাঠে ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ হয়েছে। ওই বিশ্বকাপের উদ্দেশ্যেই সংস্কার করা হয়েছিল মাঠটি। স্টেডিয়ামটি ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে পূর্ণ আন্তর্জাতিক মর্যাদা পায়। বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সাগরিকায় এটি অবস্থিত। স্টেডিয়ামটির পাশেই রয়েছে বঙ্গোপসাগর।

পাঞ্জাব ক্রিকেট স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ১৯৯৩ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৩০ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ৩টি
ভারতের চন্ডিগড়ের মোহালিতে অবস্থিত পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামটি প্রতিষ্ঠার এক বছর আগেও
ছিল জলাভূমি। কিন্তু সাত বছরের মধ্যে এটি ভারতের
সেরা স্টেডিয়াম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। কিন্তু এর কয়েক বছর পরই এটির পিচ স্লো হতে থাকে। তারপরও
বেশক’টি দুর্দান্ত ওয়ানডে ম্যাচ এটি উপহার দিয়েছে।
এর মধ্যে ১৯৯৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জয় অন্যতম।

মাহিন্দ রাজাপাকসে স্টেডিয়াম
প্রতিষ্ঠা : ২০০৯ সাল
দর্শক ধারণক্ষমতা : ৩৫ হাজার
বিশ্বকাপ ম্যাচ : ২টি
বিশ্বকাপ ক্রিকেটকে কেন্দ্র করেই মাহিন্দ রাজাপাকসে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামটি নির্মাণ করা হয়েছে। মহিন্দ রাজাপাকসে হলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। এটি শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাঞ্চলীয় হামবানতুতা জেলার সুরিয়াবিরা
এলাকায় অবস্থিত। এটি হামবানতুতা স্টেডিয়াম নামেও পরিচিত। বিশ্বকাপের ম্যাচের মাধ্যমেই স্টেডিয়ামটির অভিষেক ঘটবে।

%d bloggers like this: