ভালোবাসা বিষয়ক কিছু হাসি না আসা জোকস

প্রেমিকাঃ (গোমরা মুখে) বাবা করিম চাচার ছেলের সঙ্গে আমার বিয়ে ঠিক করেছে।
প্রেমিকঃ তোমার যদি অন্য কোথাও বিয়ে হয়ে যায় আমিঃ আমিঃ
প্রেমিকাঃ কি করবে?
প্রেমিকঃ আমি দেবদাসের মতো মদ খেয়ে তোমার শ্বশুর বাড়ির দরজার সামনে মরে পড়ে থাকব।
প্রেমিকাঃ (আতংকে) না! ভুলেও ও কাজ করো না! আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন খুব কড়া, তোমাকে পিটিয়ে শেষে না আবার মেরেই ফেলে

প্রেমিকঃ তুমি আমাকে খুব ভালোবাস, তাই না।
প্রেমিকঃ হ্যাঁ। সত্যি ভালোবাসি!
প্রেমিকাঃ সত্যি?
প্রেমিকঃ সত্যি!
প্রেমিকাঃ সত্যি?
প্রেমিকঃ (রাগান্বিত হয়ে) সত্যি নয় তো কী?
বিশ্বাস না হলে মলি, পলি, জুলিকে জিজ্ঞেস করে দেখো। ওদেরকেও আমি একই কথা বলেছি।
প্রেমিকাঃ যদি তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। তবে তোমার খাবারে আমি বিষ মিশিয়ে দেব।
প্রেমিকঃ আর সত্যিই যদি তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয় আমি এই বিষ মেশানো খাবার নিশ্চিন্তমনে খেয়ে নেব!

প্রেমিকঃ আচ্ছা সত্যি করে বল তো, তুমি কতজনকে ভালোবাস?
প্রেমিকাঃ হুমঃ
প্রেমিকঃ কি ব্যাপার চুপ করে রইলে যে, রাগ করলে নাকি?
প্রেমিকাঃ না, আসলে গুনছি, মোট কতজন হয়।

প্রেমিকঃ তোমার মোবাইল এত ব্যস্ত থাকে কেন? কোন অজুহাত চাই না- এক কথায় উত্তর দেবে।
প্রেমিকাঃ এক কথায় বলতে পারব না।
প্রেমিকঃ কেন?
প্রেমিকাঃ ছয় জনের সঙ্গে কথা বলি। ছয় কথা বলতে হবে!

প্রেমিক: দেখ! এভাবে ডেকে এনে অপমান না করলেও পারতে! এখানে অপমানিত হতে আসিনি!
প্রেমিকাঃ ওঃ অপমানিত হতে সাধারণ কোথায় যাওয়া হয়?

প্রেমিকঃ তোমার কি মনে হয় আমি আরও একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেম করি?
প্রেমিকাঃ শুধু মনে হয়ই না, আমি নিশ্চিত। তোমার শার্টে জড়িয়ে থাকা ওই লম্বা চুলগুলো কোনভাবেই আমার নয়, অন্য একজনের! হলফ করে বলতে পারি।
প্রেমিকঃ (অবাক!)
প্রেমিকাঃ কি ব্যাপার এত অবাক হচ্ছ কেন?
প্রেমিকঃ অবাক হচ্ছি কারণ তিন তিনটি মেয়ের চুলে তুমি কোন পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছ না বলে!

প্রেমিকাঃ জানো, প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে আমি প্রথম তোমাকে ভাবি!
প্রেমিকাঃ তাই! ঝন্টুও তো একই কথা বলে!
প্রেমিকঃ আমি ঝন্টুর চেয়ে এক ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠি, বুঝলে!
প্রেমিকঃ তুমি আমাকে কি মনে কর! আমি অন্য দশজনকে মতো নই। তোমার জন্য পারি না এমন কোন কাজ নেই। চাইলে এখনই এই জীবনটা তোমাকে দিয়ে দিতে পারি।
প্রেমিকাঃ ভালবাসা না কচু! তাহলে কাল পার্কে এলে না যেঃ
প্রেমিকঃ দেখনি কি বৃষ্টি? তুমি তো জানোই বৃষ্টিতে ভিজলে আমার আবার জ্বর-সর্দি বাঁধে, শেষে মরার দশা।

প্রেমিকাঃ তুমি দিনে কতবার সেভ কর?
প্রেমিকঃ বিশ, পঁচিশ বা ত্রিশ বার।
প্রেমিকাঃ পাগল নাকি?
প্রেমিকাঃ না, আমি নাপিত!

প্রেমিকাঃ তুমি আমার জন্য কি করতে পার?
প্রেমিকাঃ তোমার জন্য জীবন পর্যন্ত দিতে পারি।
প্রেমিকাঃ তা দরকার নেই, আপাতত তোমার বাড়িটা আমার নামে লিখে দিলেই চলবে।

বাড়ির সামনে একটা মরা গাধা পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মালিক গেলেন পৌরসভায় খবরটা দিতে।
* কমিশনার সাহেব, আমার বাড়ির সামনে একটি গাধা মরে পড়ে আছে, দ্রুত এর একটা ব্যবস্টা নিন।
* এটা তো আপনিই করতে পারেন, আর এটা তো আমাদের কাজের মধ্যে পড়ে না।
* বলেন কী! এটা পৌরসভার কাজ না?
* না, দেখুন, আমি কাজে ব্যস্টস্ন আছি। আপনি গাধাটাকে দাহ করেন আর কবর দেন, যা করার বাড়ি গিয়ে করুন।
* ঠিক আছে। কিন্তু আমি যতটুকু জানি, কেউ মারা গেলে প্রথমেই তার নিকটাত্মীয়দের খবরটা দিতে হয়। তাই দিয়ে গেলাম!

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: