কে কত হাসতে পারো!!! "পর্ব তের"

কথা
সুমন রেস্টুরেন্টে ঢুকেই দেখল বন্ধু তারেক মন খারাপ করে বসে আছে।
সুমন : কী রে, মন খারাপ করে বসে আছিস কেন?
তারেক : বউয়ের সঙ্গে ঝগড়া হয়েছে। বউ প্রতিজ্ঞা করেছে, সাতদিন আমার সঙ্গে কথা বলবে না।
সুমন : আরে, এটা তো সুখের খবর! মন খারাপ করার কী আছে?
তারেক : মনটা খারাপ এজন্য যে, সেই সাতদিনের আজই শেষ দিন!

দুশ্চিন্তা
প্রেমিকা লেকের ধারে নির্জন বেঞ্চে বসে প্রেমিকের হাত ধরে আদুরে গলায় বলল_
: ইস্স্স্! এখন তোমাকে একা একা সবকিছু সামলাতে হয়। দেখ, বিয়ের পর তোমার সমস্ত দুশ্চিন্তা, দুর্ভাবনা নিজের মাথায় নিয়ে তোমার বোঝা হালকা করব।
: আমার তো কোনো দুশ্চিন্তা বা দুর্ভাবনা নেই।
: তা জানি; কিন্তু এখনও তো আমাকে বিয়ে করনি।

বাজার
পিতা ছেলেকে বাজার করার কৌশল শেখাতে প্রথমেই শেখালেন দোকানী যে দাম হাঁকাবে, তার চেয়ে এক টাকা কম বলতে হবে।
ছেলেঃ এই যে আংকেল, ওই লেবুটার দাম কত?
দোকানীঃ এক টাকা
ছেলেঃ ফ্রি দেবেন?

চাঁদ মামা
ছেলেকে ঘুম পাড়ানোর জন্য মা গান গাইছেন-আয় আয় চাঁদ মামা••
ছেলেঃ মা, চাঁদ নানা দেখতে খুব সুন্দর তাই না?
মাঃ চাঁদ আবার তোর নানা হলো কবে?
ছেলেঃ সেকি মা! তোমার মামা হলে আমার নানা হয় না?

গাধা
স্কুল থেকে ফিরে সীমান্ত মাকে বলল-
সীমান্তঃ মা আজকে আমাদের স্কুলের শিক্ষক আমার খুব প্রশংসা করেছেন।
মাঃ তাই নাকি! তা কী প্রশংসা করলেন?
সীমান্তঃ তিনি আমাদের ক্লাসের সকলকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘তোমরা একদল গাধা, আর তার মধ্যে সীমান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বড় গাধা।’

দান
প্রথম বন্ধু : আমাদের প্রতিবেশী ঝান্টু মিয়া মৃত্যুর আগে সবই অনাথ আশ্রমে দান করে গেছেন। বড়ই মহানুভব তিনি!
দ্বিতীয় বন্ধু : কী সম্পত্তি ছিল তার?
প্রথম বন্ধু : বিশেষ কিছু না সাতটি ছেলে, পাঁচটি মেয়ে।

বিজ্ঞাপন
দুই ব্যবসায়ীর মধ্যে কথা হচ্ছে_
প্রথম ব্যবসায়ী : আচ্ছা, পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে কাজ হয়?
দ্বিতীয় ব্যবসায়ী : হয় না মানে, নিশ্চয়ই হয়! এই তো, গত মাসেই আমি নাইটগার্ড চেয়ে একটি বিজ্ঞাপন দিলাম। জানেন, সেই রাতেই আমার বাসায় চুরি হলো।

কে কত হাসতে পারো!!! “পর্ব  চৌদ্দ”

বেকুব
ছেলেঃ আচ্ছা আব্বা, বেকুব কাকে বলে?
সর্দারঃ বেকুব হচ্ছে সেই ব্যক্তি, যার কাছে কেউ কিছু বুঝতে চাইলে সে এত সুকঠিন এবং দীর্ঘভাবে জিনিসটা বোঝাতে যায়, যাতে যে বুঝতে এসেছে সে কিছুই বুঝতে পারে না। বুঝতে পেরেছ বিষয়টি?
ছেলেঃ না।

মার্বেল
বালক : একটা মার্বেল গিলে ফেলেছি,একটু তাড়াতাড়ি বের করে দেবেন।
ডাক্তার : দিচ্ছি। এত তাড়াহুড়ো কেন?
বালক : না মানে,যার মার্বেল সে বাইরে অপেক্ষা করছে।

হাস্যকর
প্রথম সর্দারঃ তুমি এটা কী বেল্ট পরেছ! তোমাকে খুবই হাস্যকর দেখাচ্ছে।
দ্বিতীয় সর্দারঃ বেল্টটা না পরলে বুঝতে আরও কত বেশি হাস্যকর লাগে।

ইতিহাস
মা : ইতিহাস পরীক্ষায় কত পেয়েছ?
ছেলে : শূন্য।
মা : কেন, শুধু শূন্য কেন?
ছেলে : কী করব বলো, আমার জন্মের আগের সব ঘটনা লিখতে বলেছে!

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: