কে কত হাসতে পারো!!! "ত্রিশ"

সহজ অপারেশন

এক রোগী অপারেশন থিয়েটার থেকে ছুটে পালাচ্ছেন । তাকে এভাবে ছুটতে দেখে এক ডাক্তার তার পথ আগলে দাঁড়ালেন।

ডাক্তার : ব্যপার কী, আপনি এভাবে পালাচ্ছেন কেন?

রোগী : সাধে কী আর পালাচ্ছি?

ডাক্তার : ঘটনাটা খুলেই বলুন না।

রোগী : নার্স বলছেন, খুব সহজ অপারেশন, ভয়ের কোনো কারণ নেই।

ডাক্তার : নার্স তো ঠিকই বলেছেন।

রোগী : তিনি কথাটি আমাকে বলেননি, বলেছেন যিনি অপারেশন করবেন, সেই ডাক্তারকে।

বন্ধ্যা জমি

ক্লাসে শিক্ষক আর ছাত্রদের মধ্যে কথা হচ্ছে

শিক্ষক :বল তো, বন্ধ্যা জমি কাকে বলে?

ছাত্র : স্যার, যেখানে কিছুই জন্মায় না।

শিক্ষক :গুড! এবার সেটার একটা উদাহরণ দাও।

ছাত্র :যেমন, মানুষের টাক

পাওনা টাকা

ভিক্ষুক : স্যার, আগে তো দশ টাকা দিতেন। তার পর দিতেন পাঁচ টাকা, এখন দিচ্ছেন এক টাকা।

লোক : আগে অবিবাহিত ছিলাম। তার পর বিয়ে করলাম। কদিন হলো একটি সন্তান হয়েছে.
ভিক্ষুক : আমার পাওনা টাকায় সংসার চালাচ্ছেন!

নাম

আলঝেইমারসে আক্রান্ত এক বৃদ্ধা গেছেন ডাকঘরে। তরুণ কেরানির কাছে জানতে চাইলেন

বৃদ্ধা : বাবাজি, আমার কোনো চিঠি আছে?

তরুণ কেরানি : বুড়ি মা, আপনার নাম বলুন, খজে দেখি কোনো চিঠি আছে কি-না।

বৃদ্ধা : ওই ব্যাটা ফাজিল, ইয়ার্কি করিস? তোর বাবা-মা তোকে পড়াশোনা শেখায়নি। চিঠির ওপরই তো আমার নাম লেখা আছে। পড়তে পারিস না? দাঁড়া, তোর বিরুদ্ধে বড় কর্তার কাছে নালিশ করে তোর চাকরির বারোটা বাজাচ্ছি!

রক্ত পরীক্ষা

একবার এক রোগী হাসপাতালে গিয়ে দেখে যে, তার মতো আরেক রোগী বসে বসে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে।

দেখে তো সে অবাক, তাকে জিজ্ঞেস করল কি হইছে তোমার কান্দ ক্যান?

১ম জন কাঁদতে কাঁদতে জবাব দিল, আমি আইছিলাম রক্ত পরীক্ষা করাইতে, হেরা জোর কইরা আমার আঙ্গুল ফুটা কইরা দিছে।

শুনে তো ২য় জন জোরে জোরে কাঁদতে আরম্ভ করল।

১ম জন অবাক!! আরে ভাই আঙ্গুল কাটছেতো আমার, তুমি কান্দ ক্যান??

২য় জন ভয়ে ভয়ে: আমি তো পরছাব পরীক্ষা করাইতে আইছি, তাইলে কি হেরা আমার ……. ভ্যাঁ…….অ্যাঁ…….

পানের পিক

দুই বন্ধু পান চিবুতে চিবুতে সিনেমা হলে প্রবেশ করল। একটু পর এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে বলল_

দোস্ত: আমার পানের পিক কোথায় ফেলি বল তো? দ্বিতীয় বন্ধু বলল তোর পাশের লোকের পকেটে ফেল। প্রথম বন্ধু এ কথা শুনে বলল যদি টের পেয়ে যায়?

ওই ব্যাটা, আমি যে তোর পকেটে পিক ফেলেছি, তুই কি তা টের পেয়েছিস বলল দ্বিতীয় বন্ধু।

নোঙরা মন

মানসিক রোগীর রোরশাখ ইঙ্কব্লট টেস্ট নিচ্ছেন মনোচিকিৎসক। হিজিবিজি কিছু কালির ছোপ রোগীকে দেখানো হয় এ টেস্টে।

প্রথম কার্ডটা এগিয়ে দিলেন তিনি। বলুন তো এটা কিসের ছবি?

একটা ছেলে একটা মেয়েকে জাপটে ধরে চুমু খাচ্ছে।

দ্বিতীয় ছবিটা এগিয়ে দিলেন ডাক্তার। এটা কিসের ছবি বলুন তো?

ঐ ছেলেটা এবার মেয়েটার জামাকাপড় খুলে ফেলছে, আর মেয়েটা চেঁচাচ্ছে হাঁ করে।

ডাক্তার আর পারলেন না। দেখুন, রিয়াদ সাহেব, আপনার রোগ খুব জটিল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আপনার মনটা খুবই নোঙরা, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি।

রিয়াদ সাহেব চটে আগুন, নিজে যত রাজ্যের নোঙরা ছবি এগিয়ে দিচ্ছেন আমাকে, আর বলছেন আমার মন নোঙরা?

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: