আল কোরআন মানবতার মুক্তির পথ

আল কোরআন মানবতার মুক্তির প


আল কোরআন বিশ্ব মানবতার মুক্তি, ব্যক্তি-সমাজ-রাষ্ট্রের উত্থান, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং একটি সুন্দর শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের পথ দেখায়। কিন্তু কালের প্রবাহে আজ মুসলমানরা কোরআনের সে বিপ্লবী বাণী অনুসরণ না করে তাকে ব্যবহার করছে। নেহায়েত কতগুলো রীতি-রেওয়াজে আজ কোরআনকে ব্যবহার করা হচ্ছে। কোরআন একটি ধর্মগ্রন্থ। ধর্মগ্রন্থ হিসেবে কোরআন পাঠ করা সওয়াবের কাজ। কোরআন বোঝা ও শিক্ষা দেয়া আলেম সমাজের কাজ।কোরআন ধর্মীয় মাসলা-মাসায়েলের কিতাবআলেমরা এটা পড়ে ফতোয়া দেবেন, কোরআন বোঝা সাধারণ মানুষের কাজ নয়, সাধারণ মানুষের কোরআন বোঝার দায়দায়িত্ব নেই, বোঝা সম্ভব নয়, কোরআন মহাপবিত্র কিতাব, সবাই সব সময় এটি স্পর্শ করতে পারে না, করলে পাপ হয়, সম্মানের সঙ্গে জুযদানে ভরে মাথার ওপর রাখতে হয়, কোরআন নামাজে পড়তে হয়, খতম করলে সওয়াব হয়, এগুলো আল কোরআন সম্পর্কে সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে প্রচলিত ধারণা। তবে কোরআন সম্পর্কে এখন সমাজে বেশ আলোচনা হওয়ায় এবং তার বিপ্লবী বাণী প্রচারিত হওয়ায় মানুষ কোরআনের মর্মবাণী বোঝার দিকে ধীরে ধীরে মনোযোগী হচ্ছে। মানুষের অনুসন্ধানী মন সত্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
আল কোরআন বিশ্বে কী জন্য এসেছে তা কোরআনই সাক্ষ্য দিচ্ছে : আমি এই কিতাবে কোন বিষয়ই বাদ দিইনি।’ (সূরা আনআম ৭:৩৮)। আমি তোমার প্রতি এই কিতাব নাজেল করেছি, যা প্রত্যেকটি বিষয়ে সুস্পষ্ট বর্ণনাদানকারী।’ (সূরা নাহল ১৬:৮৯)। আল কোরআন এমন একটি কিতাব যার সাহায্যে আল্লাহ কারও উত্থান এবং কারও পতনঘটান।’ (সহিহ মুসলিম)। এতে আছে সৃষ্টিতত্ত্ব, জীবনতত্ত্ব, স্রষ্টার পরিচয় এবং তাঁর প্রতি মানুষের কর্তব্যের বিবরণ, স্রষ্টার ইবাদত করার বিধি;আত্মোন্নয়নের নির্দেশিকা, উন্নত নৈতিক গুণাবলির বিবরণ, মানবজীবনের প্রকৃত সাফল্য ও ব্যর্থতার নির্দেশিকা,জীবনব্যবস্থা-জীবনযাপনের গাইড বুক, উপদেশ, সুসংবাদ ও সাবধানকারী, হালাল ও হারামের বিবরণ, দাম্পত্য সম্পর্ক ও পারিবারিক বিধান; পারস্পরিক সম্পর্ক ও দায়িত্ব এবং কর্তব্যের বিবরণ, উত্তরাধিকার বিধান, দাওয়াত ও তাবলিগের নির্দেশ ও পদ্ধতি, ন্যায়নীতির প্রসার ও অন্যায়-দুর্নীতির প্রতিরোধ বিধান; সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিবিধান;আইন ও বিচার; সমর; বৈদেশিক সম্পর্ক বিধিমালা; ইতিহাস এবং মানুষের মুক্তি ও সাফল্যের নির্দেশক আল কোরআনে একজন মানুষের সারা জীবনের যা কিছু প্রয়োজন তার সব কিছুরই বর্ণনা আছে।

তাই আল কোরআন মানবজাতির উত্থান-পতনের নিয়ামক শক্তি। কোরআনকে ধারণ করলে যে কোনো জাতির উত্থান ঘটতে পারে। আবার কোরআনকে ছেড়ে দিলে যে কোনো জাতির পতন ঘটতে পারে। কথাটি ব্যক্তি এবং জাতির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী, এই কোরআনই আরব উপত্যকার মেষপালকদের বিশ্ববিজয়ী জাতির আসনে অধিষ্ঠিত করে দিয়েছিল। নিরক্ষর, ক্রীতদাস, রাখাল, রাহাজন, মরু যাযাবর, গোত্রীয় কলহে বিধ্বস্ত এবং অজ্ঞতা ও অন্ধকারে নিমজ্জিত বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীকে এই কোরআনই শাশ্বত জ্ঞানের জ্যোর্তিময় আলোতে উদ্ভাসিত করেছে। ঈমানের রজ্জুর নিবিড় বন্ধন ঐক্যবদ্ধ করে দিয়েছিল। এদেরকেই আল কোরআন জগেসরা শাসক, দিগ্বিজয়ী সেনাপতি, অসীম সাহসী ন্যায়বিচারক, নির্ভীক দূত, নিবেদিতপ্রাণ দায়ী ইলাল্লাহ এবং নির্যাতিত মানবতার প্রাণের বন্ধু বানিয়ে দিয়েছিল। এদেরই আল কোরআন বিশ্ব সেরা অধ্যাপক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, চিকিত্সক, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ, হাদিস বিশারদ,কোরআন ব্যাখ্যাতা, প্রকৌশলী ও সমরবিশারদ বানিয়েছিল।
এ কোরআন ইতিহাসের রোম সাম্রাজ্য ও পারস্য সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়েছিল। এ কোরআনই পশ্চিমে আফ্রিকার পশ্চিম প্রান্ত রাবাত থেকে পূর্বে ইন্দোনেশিয়া এবং দক্ষিণ সাগরের সমগ্র উপকূল থেকে বরফে ঢাকা উত্তরাঞ্চলীয় দেশগুলোর মানবহৃদয়কে ঈমানের অনাবিল আলোতে উদ্ভাসিত করে দিয়েছিল। সেই আলো ছড়িয়ে পড়ছে সর্বস্থানে। এ কথাই কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই এই কোরআন সেই পথ দেখায়, যা সবচেয়ে সঠিক এবং মজবুত।’ (সূরা ইসরা, ১৭:৯)।
মূলত আল কোরআন নাজিল হয়েছে মানব সমাজের মুক্তির লক্ষ্যে বিপ্লবসাধন করতে। সে বিপ্লব ঘটায় মানুষের চিন্তা ও মনের মধ্যে (মানসিকবিপ্লব), মানুষের চরিত্র, আচরণ ও জীবন পদ্ধতির মধ্যে (চারিত্রিকবিপ্লব), মানুষের সমাজপদ্ধতি ও সমাজকাঠামোর মধ্যে (সমাজবিপ্লব) এবং মানুষের আইন, বিচার ও শাসনপদ্ধতির মধ্যেও (রাষ্ট্রবিপ্লব)। আল কোরআন মুক্তির বার্তাবাহক। এই বার্তা মুক্তির দুর্জয় আলোকচ্ছটা রূপে তীর্যক বেগে নিক্ষেপ করে মিথ্যা, বাতিল ও অন্যায়-অসত্যের অন্ধকারকে। এই আঘাতের অবশ্যম্ভাবী প্রতিক্রিয়ায় পরাভূত ও চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় মিথ্যা-বাতিলের কঠিন প্রাচীর। মহান আল্লাহ বলেন, ‘বরং আমি সত্য (আল কোরআন) দিয়ে মিথ্যা-বাতিলের ওপর আঘাত হানি। ফলে তা মিথ্যাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেয় এবং তাতে তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।’ (২১:১৮), মূলত কোরআন এই আঘাত হানে তার পাঠকের মন-মগজে জমে থাকা বাতিল বিশ্বাস ও ধ্যান-ধারণার ওপর। তার ভ্রান্ত ও বিকৃত চরিত্র ও আচরণের ওপর। এ আঘাতের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় বাতিল সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর। এরই পরিণতিতে মানুষ মুক্ত হয় সব ধরনের ধ্বংসের শৃংখল থেকে। মানুষ পায় স্বাদ সাধ এবং প্রশান্তচিত্তে এগিয়ে চলে সাফল্যের পথে।
মুক্তিলাভ করা মানে জীবনকে অজ্ঞতা, অনিশ্চয়তা, অশান্তি, নিরাপত্তাহীনতা, অপরাধ, শাস্তি ও ধ্বংস থেকে মুক্ত করে জ্ঞান,শান্তি, নিরাপত্তা, নিশ্চয়তা, পবিত্রতা, প্রশান্তি ও সাফল্যের পথে পরিচালিত করা এবং ইহকালীন ও পরকালীন উভয় স্থানে জীবনকে সাফল্যমণ্ডিত করা। এর জন্য প্রয়োজন পাঁচটি শর্ত পূরণ করা। সেগুলো হলো : জ্ঞান, ঈমান, মুক্তির মরণপণ সংকল্প, পরিপূর্ণ জীবনকে মুক্তির পথে পরিচালিত করা ও মুক্তির পথে পর্বতের মতো অটল-অবিচল থাকা। জীবনকে প্রকৃত মুক্তি ও সাফল্যের পথে পরিচালিত করার এটাই একমাত্র পথ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, ‘তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে তোমার কাছে যা (যে কিতাব) নাজেল হয়েছে, যে ব্যক্তি তা সত্য বলে জানে, সে কি ওই ব্যক্তির সমতুল্য যে, ব্যাপারে অজ্ঞ-অন্ধ! উপদেশ তো বুদ্ধিমান লোকেরাই গ্রহণ করে। (সূরা রুম ১৩:১৯)। হে ঈমানদাররা। তোমরা পূর্ণরূপে ইসলামে দাখিল হও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না।’ (বাকারা ২:২০৮)। যারা তাগুতের দাসত্ব প্রত্যাখ্যান করল এবং আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করল, তাদের জন্য সুসংবাদ। কাজেই হে নবী! সুসংবাদ দাও আমার এই দাসদের।’ (সূরা জুমার ৩৯:১৭)।
কোরআন বলে মানবজীবন অখণ্ড এবং দুনিয়া ও আখিরাত পরিব্যাপ্ত। পার্থিব জীবনে মানুষের দৈহিক মৃত্যু হলেও মানুষের আত্মার মৃত্যু হয় না। মানবজীবনকে পরকালেও মৃত্যুহীন রাখা হবে। মানুষের পার্থিব জীবন খুবই নগণ্য এবং অল্প সময়ের। অপরদিকে আখেরাতের জীবন অনন্ত, মৃত্যুহীন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই এই পৃথিবীর জীবনটা একটা খেল-তামাশার সময় মাত্র। অথচ আখেরাতের জীবন চিরন্তন।’ (আনকাবুত, আয়াত ৬৪)। কোরআন বলে, মানুষের এই পৃথিবীর ক্ষুদ্র জীবনটা প্রচেষ্টার, বিনিয়োগের, চাষবাস ও বীজ বপনের। অপরদিকে আখেরাতের জীবন হলো : ফল লাভের এবং ফল ভোগের। তাই কোরআন বলে, পৃথিবীর ক্ষুদ্র জীবনটাকে চূড়ান্ত আবাস বানিয়ো না, বরং আখেরাতের মুক্তি, সাফল্য ও সুফল লাভের প্রচেষ্টায় নিয়োজিত রাখ। আখেরাতের জীবনের মুক্তি ও সাফল্যের লক্ষ্যে পৃথিবীর জীবনে চূড়ান্ত প্রচেষ্টা চালাও, এর জন্য ত্যাগ স্বীকার কর, এরই জন্য জীবন লক্ষ্যকে একমুখী করে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালাও,তবেই তুমি তোমার আখেরাতের সীমাহীন জীবনে মুক্তি ও সাফল্যের জয়মাল্যে ভূষিত হবে।
মানুষের এই প্রকৃত শান্তি, মুক্তি, কল্যাণ ও সাফল্যের বার্তা নিয়েই নাজেল হয়েছে আল কোরআন। কোরআন বলে, ‘তোমাদের কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে এক আলো এবং সুস্পষ্ট কিতাব। আল্লাহ এই কিতাবের মাধ্যমে ওইসব লোকদের শান্তির পথ দেখান, যারা তাঁর সন্তুষ্টির সন্ধান করে এবং তিনি তাঁর নিজ মর্জিতে তাদের অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে নিয়ে আসেন।’ (মায়েদা ৫:১৫-১৬)। হাদিসে বলা হয়েছে, আবি উবামা (রা.) বর্ণনা করেন, আমি রাসুলকে (সা.) বলতে শুনেছি, তোমরা কোরআন পাঠ কর। কেয়ামতের দিন কোরআন তার সাথীদের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে উপস্থিত হবে।’ (সহিহ মুসলিম)। যারা এই জীবনে কোরআন পাঠ করবে, বুঝবে, অনুসরণ করবে এবং কোরআনকে আঁকড়ে থাকবে, পরজীবনে কোরআন তাদের জাহান্নাম থেকে বাঁচাবে। তাদের মুক্তির ব্যবস্থা করবে। আল কোরআনে আল্লাহ ঘোষণা দেন, ‘মুমিন পুরুষ ও নারীর সঙ্গে আল্লাহ ওয়াদা করেছেন, তাদের তিনি এমন জান্নাত দান করবেন, যেগুলোর নিচে ঝরনাধারা বহমান থাকবে এবং সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। ওই চির সবুজ বাগানে তাদের থাকার জন্য থাকবে সুন্দর আবাস। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল করবে, এটাই বড় সাফল্য।’ (তাওবা ৯:৭২)। তাদের আমলের বদলা হিসেবে তাদের চোখ জুড়ানোর মতো যা কিছু লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তা কোন মানুষই জানে না।’ (আসসাজদা ৩২:১৭)।
এদেশে কোরআন পড়া লোকের অভাব নেই। অনেকেই বলে কোরআন পাঠ করলেই হলো। তাহলেই নেকি বা সওয়াব অর্জন করা যাবে। কোরআনের অর্থ বোঝা ও তাফসির বোঝা বা কোরআনের বর্ণনার মর্মকথা বোঝার প্রয়োজন নেই। সমাজ বিনির্মাণে কোরআন যেসব ঘোষণা দিচ্ছে তা যদি পাঠক না বুঝল তাহলে সে নিজের আমল-আখলাকের পরিবর্তন করার চেষ্টাই বা কীভাবে করবে। আর তার দ্বারা সমাজ জীবনের অনিয়ম, অনাচার দূর করার চেষ্টাইবা কী ভাবে করবে। মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত। তার দ্বারা সমাজজীবনের বৈপ্লবিক পরিবর্তন করতে হলে তাকে আদর্শবান ও কতগুলো গাইড লাইন মেনে চলতে হবে। আর আল কোরআনে যেসব গাইড লাইন দেয়া হয়েছে তা যদি মেনে চলা যায়, অনুসরণ করা হয় এবং সমাজজীবনে প্রতিষ্ঠা করা যায়, তাহলে সে সমাজ হবে আদর্শ সমাজ। হজরত মুহাম্মদের (সা.) মদিনার রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিল পুরো কোরআনের অনুসরণে এবং খোলাফায়ে রাশেদিনের আমলে তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় সেই আদর্শই অনুসরণ করেছেন। ফলে সে রাষ্ট্র ছিল পূর্ণ মানবতাবাদী রাষ্ট্র। বিশ্বশান্তির জন্য আজ জাতিসংঘ, রেডক্রস, মানবাধিকার (Human Right) ইত্যাদি বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। কিন্তু আসলে কী মানুষ আজ শান্তিতে আছে? ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান, সাদা-কালোর পার্থক্য, উঁচু-নীচুর সামাজিক ব্যবধান, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে যুদ্ধবিগ্রহ ইত্যাদি কী কমেছে? আমরা সারা বিশ্বের দিকে তাকালে দেখব কেউই শান্তিতে নেই। শোষণ-উত্পীড়ন বেড়েই চলেছে। এর সমাধান কী? মুসলিম সমাজে ইসলামী হুকুমত কায়েম হলে সেখানে আশরাফ-আতরাফের পার্থক্য থাকবে না। ধনীদরিদ্রের প্রতি সদয় হবে। সমাজে মারামারি, কাটাকাটি থাকবে না। খোলাফায়ে রাশেদিনের আমলে সমাজে যে শান্তি ছিল, তা আবার এই অশান্তির পৃথিবীতে ফিরে আসবে। এটা কোনো কবির কল্পনা নয়এটা বাস্তবতা। মুসলিম সাম্রাজ্যে এটা এক সময় ছিল। শান্তিময় সমাজ বিনির্মাণে আল কোরআনের কোনো বিকল্প নেই। তাই আজ বেশি বেশি করে আল কোরআনকে আঁকড়ে ধরতে হবে। কোরআন শিক্ষা প্রত্যেকটি মানুষের জন্য জরুরি করতে হবে। বিশেষ করে,বাংলাদেশের মুসলমানরা আরবি ভাষা না বুঝলেও কোরআনের তরজমা ও তাফসির পড়ে তার মর্মবাণী বুঝতে হবে এবং তা ব্যক্তিজীবনে, সামাজিক জীবনে এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিষ্ঠা করার প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: