মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য

মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য


বৃদ্ধাশ্রম আমাদের দেশে নতুন কোনো ধারণা নয়। প্রায় এক দশক আগে এ দেশে বৃদ্ধাশ্রম গড়ে উঠতে শুরু করে মূলত সমাজসেবামূলক কাজের অংশ হিসেবে। কিন্তু ধীরে ধীরে এটা ব্যবসায়িক রূপ লাভ করে। বর্তমানে ঢাকা শহরে বেশ কিছু বৃদ্ধাশ্রম গড়ে উঠেছে। সেখানে অর্থের বিনিময়ে বয়স্কদের থাকা, খাওয়া, চিকিৎসা, বিনোদনসহ আনুষঙ্গিক সব ব্যবস্থা করা হয়।

পাশ্চাত্যের অনেক কিছুর সাথে সাথে বৃদ্ধনিবাসএই ধারণাটি আমাদের দেশে প্রবেশ করেছে। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে পরিবারের ভঙ্গুর অবস্থা এমন পর্যায়ে উপনীত হয়েছে যে সেখানে পরিবারের কেউ কারো প্রতি কোনো প্রকার দায়িত্ব পালন করে না। এর ফলে বৃদ্ধরা বিশেষভাবে অসহায় হয়ে পড়ে তাদের দেখাশোনা করার লোকের অভাবে। এ কারণে তাদের শেষ বয়সে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করার উদ্দেশ্যে ওল্ড এইজ হোম বা বৃদ্ধাশ্রম গড়ে ওঠে।

পশ্চিমের ভোগবাদী জীবনব্যবস্থার অনেক অনিবার্য কুফলের মধ্যে এটিও একটি। যেখানে বেশির ভাগ পরিবার টিনএজ বয়সেই সন্তানের প্রতি দায়িত্ব পালন বন্ধ করে দেয়। এ অবস্থায় তরুণ-তরুণীদের অপরিণত বয়সেই জীবন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়। এক সময় এই তরুণ-তরুণী নিজেদের জীবন নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ে যে মা-বাবার দিকে তাকানোর সময় তাদের থাকে না, সে দায়ও বোধ করে না। তাদের অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য তারা এক অভিনব ও বিচিত্র পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে মা-বাবার প্রতি একেবারে অকৃতজ্ঞ না হওয়ার জন্য। তা হচ্ছে মা দিবস, বাবা দিবসে বছরে অন্তত একবার মা-বাবার খোঁজ নেয়া ও তাদের জন্য উপহার প্রেরণ যা একই সাথে তাদের ব্যবসায়িক উন্নতির পথও খুলে দিয়েছে। মূলত ব্যবসায়িক কারণেই এই দিবসগুলো বেশি করে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

আমাদের দেশের প্রসঙ্গঃ এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশ আমাদের বাংলাদেশেও এই বৃদ্ধনিবাস গড়ে উঠেছে এবং তা ক্রমবর্ধমান। এই ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধনিবাস গড়ে ওঠা আমাদের সমাজের প্রতি একটা মারাত্মক সঙ্কেত দিচ্ছে তা হলো পিতা-মাতার সাথে সন্তানের বন্ধনের ক্রমহ্রাসমানতা। যেকোনো কারণেই বৃদ্ধাশ্রম গড়ে উঠুক না কেন এটা এই মেসেজই দিচ্ছে যে, এই সমাজের সন্তানের সাথে তাদের মা-বাবার সম্পর্কে ক্রমেই দূরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে এবং এমনকি তা মুছেও যাচ্ছে।

আমাদের দেশে বৃদ্ধাশ্রম গড়ে ওঠার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা যায় বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানদের অবহেলা ও উপেক্ষা। গাজীপুরে প্রতিষ্ঠিত সম্ভবত দেশের প্রথম বৃদ্ধনিবাসের বিভিন্ন সময়ে মিডিয়ার নেয়া সাক্ষাৎকার থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, তারা সন্তানদের কাছ থেকে অবহেলা, অনাদর, অবজ্ঞা, উপেক্ষা, মানসিক নির্যাতন এসব কারণেই তাদের সারা জীবনের সংগ্রাম ও সাধনার ফসল সন্তানদের কাছ থেকে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন শেষ বয়সে অন্তত একটু সম্মান ও শান্তিময় জীবনের জন্য। এখানে এসে হয়তো তারা অসম্মান ও অবহেলা থেকে রেহাই পেয়েছেন, অনেকের হয়তো তুলনামূলক অনেক ভালো ব্যবস্থা হয়েছে থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে, হয়তো সেবাযত্নও পাচ্ছেন, কিন্তু তার পরও প্রশ্ন থেকে যায় মনের শান্তি কি তারা পেয়েছেন? তাদের মনের পর্দায় কি ভেসে ওঠে না প্রিয় সন্তান, নাতি-নাতনী ও স্বজনদের মুখ? সারা জীবন যাদের জন্য সংগ্রাম করেছেন শেষ বয়সে তাদের ছেড়ে কি তারা আসলেই শান্তি পাচ্ছেন? তারা তো পাশ্চাত্যের মা-বাবার মতো সন্তানদের প্রতি উদাসীন থেকে বল্গাহীন জীবন যাপন করেননি। তাহলে এ কেমন প্রতিদান?

একেবারে বিত্তহীন পরিবার থেকে শুরু করে নিুবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত সব ধরনের পরিবারের বয়স্কদের পাওয়া যাবে এসব বৃদ্ধাশ্রমে। আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের বৃদ্ধরা চেরিটেবল আশ্রমে আর সচ্ছল ধনী পরিবারের বৃদ্ধরা অর্থের বিনিময়ে বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই নিয়েছেন। কখনো তাদের সন্তান এই অর্থের জোগান দিচ্ছেন আবার কেউ হয়তো জীবনের শেষ সম্বল জমানো অর্থ দিয়ে চালাচ্ছেন আশ্রমের খরচ।

খুব কম সদস্যই আছেন যারা শুধু অভাবের তাড়নায় এসে বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই নিয়েছেন। অনেকে আছেন যাদের সন্তানরা সব বিদেশে থাকে, দেখাশোনার কেউ নেই। আমাদের সমাজে এ ধরনের সমস্যাটি এখন প্রকট আকার ধারণ করতে যাচ্ছে মানুষের বিদেশ গিয়ে উপার্জনে শুধু নয়, চিরতরে সেখানেই থেকে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধিতে। আর কেউ হয়তো আছেন তাদের প্রকৃতই দেখাশোনা করার কেউ নেই তবে এ সংখ্যা বোধহয় খুবই কম হবে।

বৃদ্ধাশ্রম গড়ে ওঠার বিভিন্ন কারণঃ বৃদ্ধাশ্রমের অস্তিত্ব প্রমাণ করে আমাদের সমাজে বয়স্করা কোনো না কোনোভাবে অবহেলিত, নিগৃহীত, উপেক্ষিত ও বঞ্চিত হচ্ছেন তাদের পরিবারে। অনেকে সয়ে যাচ্ছেন মুখ বুজে আর কেউ কেউ প্রতিবাদস্বরূপ গিয়ে উঠেছেন বৃদ্ধাশ্রমে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন এই অবস্থ্‌া পরিবারগুলোতে? জবাব একটি কথায় দেয়া যেতে পারে যথাযথ শিক্ষার অভাব। মা-বাবার প্রতি সন্তানের কর্তব্য কী এবং তাদের প্রতি সন্তানের দায়িত্ব কতটুকু এ সম্পর্কে যথাযথ নৈতিক ও ধর্মীয় জ্ঞানের অভাবই এর মূল কারণ। আমাদের দেশে সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় এ বিষয়ে তেমন কোনো গুরুত্ব দেয়া হয় না; ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি অনীহা প্রকাশ পায়। সে ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী পরিবার থেকেই সামান্য যেটুকু ধর্মীয় জ্ঞান তা পেয়ে থাকে; সেটুকুও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কুরআন তেলাওয়াত শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। নৈতিক শিক্ষাবিহীন শিক্ষাব্যবস্থার ফলটা এই দাঁড়াচ্ছে যে, পড়ালেখা শেষ করে একজন শিক্ষার্থী অর্থ উপার্জনের এক চৌকস মেশিনে পরিণত হয়, যার মধ্যে নৈতিক ও মানবিক গুণ ও মূল্যবোধ জাগ্রত না হয়ে ধীরে ধীরে চাপা পড়ে যায় ব্যক্তিস্বার্থের আড়ালে।

প্রতিবেশী হিন্দুপ্রধান দেশেও দেখা যায় একই চিত্র। সেখানে কলকাতাসহ বিভিন্ন রাজ্যে শত শত বৃদ্ধনিবাস গড়ে উঠেছে কয়েক বছরের ব্যবধানে। এগুলোর বেশির ভাগই ব্যক্তি মালিকানাধীন ও ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হিন্দুদের মধ্যে শেষ বয়সে আশ্রমে গিয়ে ধ্যান ও উপাসনার জীবন কাটিয়ে দেয়ার উৎসাহ দেয়া হয় ধর্মীয়ভাবেই। কাজেই তাদের মধ্যে স্বেচ্ছায় সংসার ত্যাগ করে গয়া বা কাশী আশ্রমে গিয়ে থাকার প্রবণতা অনেক আগে থেকেই বিদ্যমান। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত আশ্রমগুলোতে হিন্দুদের এই ধর্মীয় বিধানকে কাজে লাগানো হচ্ছে সন্তানদের সংসারে বোঝা হয়ে না থেকে আশ্রমে গিয়ে আশ্রয় নিতে, যদিও হিন্দু ধর্মেও পিতা-মাতার প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন ও কর্তব্য পালনের তাগিদ দেয়া হয়েছে।

ভারতে দেখা যাচ্ছে অনেকেই কর্মজীবন থেকে অবসরে যাওয়ার আগেই আশ্রমগুলোর খোঁজখবর নিচ্ছেন একটি মানসম্পন্ন বৃদ্ধাশ্রমের সন্ধানে।

তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট একেবারেই ভিন্ন। এখানে কোনো হিন্দুকেও শেষ বয়সে কোনো আশ্রমে বাস করতে দেখা যায় না। আবহমানকাল ধরে তারা পরিবারের সাথেই সুখ-দুঃখে জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত কাটিয়ে দিচ্ছেন। মুসলমানরাও একইভাবে পরিবারের মধ্যেই জীবন কাটিয়ে দিচ্ছে সংসার ত্যাগ করে অন্য কোথাও গিয়ে থাকার কথা তারা চিন্তাও করতে পারে না, কারণ ইসলামে সংসার ত্যাগ সমর্থন করে না। পরিবার ও সমাজে বয়োজ্যেষ্ঠরা যথেষ্ট সম্মান লাভ করে থাকেন হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে আবহমানকাল ধরে এটাই বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের সাধারণ চিত্র। যখন থেকে যৌথ পরিবার ভেঙে একক পরিবারের সংখ্যা বেড়ে যেতে লাগল আর জীবন হয়ে পড়ল ব্যক্তিস্বার্থকেন্দ্রিক। ধনাকাঙ্ক্ষী ও অল্পে তুষ্টিহীন তখন থেকেই বাংলার এই শান্তিময় পরিবার ও সমাজের চিত্রটি বদলে যেতে লাগল। এখন অবসরপ্রাপ্ত মা-বাবাকে তারা পরিবার থেকে বাদ দিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসতে পারছে অবলীলায়। সারা জীবনের শ্রমে-ঘামে তিলতিল করে গড়ে তোলা সংসার থেকে শেষ বয়সে প্রিয়জন সান্নিধ্যে সেবাযত্নে দিন কাটাতে ব্যাকুল ঠিক সেই সময়টাতে তাদের বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসা চরম নির্মমতা ও অকৃজ্ঞতা ছাড়া কিছুই নয়।

প্রশ্ন উঠতে পারে একেবারে নিঃস্ব ও অসহায় লোকদের ব্যাপারে। সে ক্ষেত্রে সরকারিভাবে তাদের সাহায্য প্রদান করা যেমন আমাদের দেশে প্রচলিত, ভিজিএফ প্রোগ্রামের মতো আরো কার্যকর অন্যান্য কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে। এ ছাড়া সমাজেরও তাদের প্রতি দায়িত্ব পালন করা উচিত, যাতে তাদের নিজ এলাকায় পরিচিত পরিবেশে রেখেই প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেয়া যায়। আমাদের দেশে গড়ে ওঠা অসংখ্য এনজিও সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এ ব্যাপারে কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারে।

সংখ্যাগুরু মুসলিম দেশে বৃদ্ধাশ্রমের অস্তিত্ব ও বিকাশ লাভ তাই শুধু দুঃখজনকই নয়, অমানবিক ও অবাঞ্ছিতও বটে। এটা প্রমাণ করে, আমাদের সমাজে ও পরিবারে বয়স্করা অসম্মানিত ও অবহেলিত এবং মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে তারা কত দূরে! উপরন্তু ধর্মহীন শিক্ষা ও বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসনে মুসলমানরা নিজেদের অমূল্য শিক্ষা সম্পর্কে উদাসীন হয়ে পড়েছে।

উত্তরণের উপায়ঃ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বৃদ্ধাশ্রম গড়ে ওঠার প্রবণতা যদি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে আমাদের হাজার বছরের পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ ধ্বংস ও সমাজ কাঠামো পরিবর্তিত হয়ে এক সময় বিলুপ্ত হবে। পশ্চিমের দেশগুলোর মতো ভোগবাদী ও হতাশাগ্রস্ত সমাজের পরিণতি ডেকে আনবে। এ থেকে উত্তরণের জন্য সচেতন হওয়া ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার এখনই সময়। তা নাহলে আজ যারা হয়তো তারুণ্যদীপ্ত উচ্ছল ঝামেলামুক্ত জীবনযাপন করছেন মা-বাবাকে বিদায় করে কয়েক বছর পর তাদেরও এই একই ভাগ্য বরণ করতে হবে সেটা খারাপও হতে পারে। ১. প্রথমেই মা-বাবাকে সচেতন হতে হবে সন্তানকে উপযুক্ত শিক্ষাদানের ব্যাপারে। কারণ পরিবারই হলো সন্তানের শিক্ষার পাঠশালা। সন্তানকে প্রকৃত ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে মা-বাবাকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। ২. আমাদের কারিকুলামে সব ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে। ৩. বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পিতা-মাতা ও বয়স্কদের প্রতি দায়িত্ব পালনে সমাজের মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে পারে। ৪. মসজিদের ইমাম, সমাজের শিক্ষিত ও নেতৃêস্থানীয় ব্যক্তিরা এ ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। ৫. ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যারা বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তুলছেন তাদের উচিত সামাজিক দায়দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়া। ব্যবসার স্বার্থে একটি সমাজ কাঠামো ও মূল্যবোধ ভেঙে দেয়া যে অনৈতিক তা তাদের মানতে হবে। ৬. মিডিয়াগুলো বয়স্কদের পরিবারে শ্যামল ছায়ায় থাকার অধিকার সম্পর্কে সোচ্চার হয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সর্বোপরি একটি জনকল্যাণমূলক সরকার দেশ, সমাজ ও পরিবার রক্ষা করতে, মূল্যবোধ বাঁচিয়ে রাখতে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে পারে। বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠাকে সব দিক থেকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। দুস্থ ও অসহায়দের সর্বতোভাবে সাহায্য করতে হবে, তবে তা কোনোভাবেই ব্যবসায়িক স্বার্থে নয়। সবচেয়ে বড় কথা, ইসলামের শিক্ষাকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। বিশেষ করে মা-বোনদেরই এ কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। কাজেই ইসলামী শিক্ষার সাথে বৃদ্ধাশ্রমের ধারণাটি সামঞ্জস্যপূর্ণ তো নয়ই, বরং সাংঘর্ষিক। তাই মুসলমানদের উচিত নিজেদের ধর্মীয় ও তমুদ্দুনিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পিতা-মাতা ও বয়স্কদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা এবং এর মাধ্যমে নিজেদের ইহ-পরকালের মুক্তির ব্যবস্থা করা।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: